Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

বাংলাদেশী Islamist-রা দক্ষিন এশিয়ায় শান্তি বিনষ্ট করছে ?

জামাত 96-এ হাসিনা'কে সমর্থন দেওয়া কি ভুলে গিয়েছেন? প্রেসিডেন্ট পদের জন্য বদরুল হায়দার যে গোলাম আযমের দোয়া নিতে গিয়েছিলেন তাও কি মনে পড়ে না? স্মৃতি শক্তি কি সময়মতো কাজ করে না? ইতি মধ্যে প্রধানমন্রী সহ সরকারের কিছু কিছু ছামচারা ইসলামি দল গোলোর বিরুদ্দে সংসদসহ মিডিয়ার সামনে কিছু ফালতু কথা বলে বেড়াচ্ছে?যার কোন প্রমানাদি তাদের কাছে নেই?ভারতের মূখার্জিদের প্রেমে পড়ে নিজের দেশের বদনাম মিডিয়াসহ বিভিন্ন কান্টির দালল দের কাছে অপ প্রকাশ করে যাচ্ছে"যা স্বাধিন বাংলার জন্য খুবি জুকি পূণ্য?শেখ হাসিনা,অল্প সময়ের প্রেমে নিজের সরির বিলিয়ে দেয়াকে লাইলী মজনুর| সর্ম্মানিত লেখক পাঠক গন,ওইসলামি মাইন্টের ভালো মনের সবুজ বাংলার ভাইয়েরা-আচ্ছালামুআলাইকুম? স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্রী হাসিনার মতো আপনী পাগলামি শুরু করলেন নাকী"খামখা ফালতু কথা বলে মানুষকে ভয়ের মধ্যে রাখবেন না?মহাজোটে আপনারা আওয়ামীলীগরাই শুদু জগ্গী,জগ্গী-করতেছেন,গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে জগ্গী হামলার কোন সম্ভাবনা নেই?যদি এই প্রতিষ্ঠানে কোন হামলা হয়?তাহলে জনগণ বুজবে সেটা আপনারা| স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গার্মেন্টস মালিকদের পেয়ে মাথা ঠিক নাই। কি বলতে কি বলছে সে নিজেও বুঝেনা। গার্মেনটস্ শিল্প মালিকেরা, এখন আপনারা স্বাধিনতার চেতনা ধুয়ে খান। স্বাধীনতার চেতনা বুকে নিয়ে, ভারতকে এই শিল্পে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিন।মহামন্দার কথা বলে ইতিমধ্যে জনগনের ও সরকারের কাছ থেকে গার্মেণ্টস মালিকেরা ২৫ লক্ষ্য শ্রমিকের বদলে ৩০ লক্ষ্য শ্রমিক আখ্যা দিয়ে ১৮টাকা কেজি চাল আদায় করছে। এর ফলে শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করার দিক থেকে নিজেদের রক্ষা করল। মামা জংগী সোহেল-তোমার ইনডিআন দাদারা আর কি কি শিখিএছেন তোমাকে ? আর কোথায় হামলা হতে পারে শিখিয়ে দিন তাদেরকে! বন্দ করা হক সব শিল্পকে। তাদের সংগে চুক্তি করাহোক জাতে আর শুধু সেগুলোতেই হামলা করা হ্য়। গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলিতে হামলা চালাতে পারে। গোপনীয়তার সাথে নিরাপত্তা জোরদার করা উচিত। ব্যাপক প্রচারে বিদেশী ক্রেতারা পিছু হটতে পারে। ইহা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান খাতটি ধ্বংসের অশনি সংকেত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর পর এবারে গার্মেন্ট্ শিল্পকে জঙ্গী নাম দিয়ে ধংসের পায়তারা!বাংলাদেশে জংগীবাদ আমদানীকারী (তাদের দুলাভাই শায়ক আব্দুর রহমানের মাধ্যমে) ও সেনা অফিসারদের হত্যাকারী BAL বাংলাদেশে এখন জংগী শাসন চালাচ্ছে। এসবের উদ্দেশ্য হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া। এই ডিজিটাল বাংলাদেশে সেনাবাহিনী-সীমান্তরক্ষী বাহিনী থাকবে না। সীমান্ত ডিজিটালী রক্ষা হবে। ছাত্র-ছাত্রীরা ডিজিটালী লেখাপড়া করবে (কারণ অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন বন্ধ)| দেশে অনেক সমস্যা থাকার পরও সেগুলোর দিকে মনোযোগ না দিয়ে যারা ডিজিটালে বিশ্বাস করে না তাদেরকে তামা-তামা করে ফেলা হবে। আর একটু বেশী বাড়াবাড়ি করলে সোনার ছেলেরা লগি-বৈঠা দিয়ে| হাসিনা ষড়যনত্রের পথে আইছে এবং ঐ পথেই যাবে।মানুষ বিগড়ে গেলে ঐ ষরযনত্রকারীরাও বাচাতে পারবে,এটা আওয়ামী লীগের সাধারন সমর্থকদের বিশ্বাস করানো অসম্ভব। দেখুন, একমাত্রই আওয়ামী লীগ তার সমর্থকদের মনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হিংসা-বিদ্বেষ ঢুকিয়ে রেখেছে,.তার প্রমান, আপনি যখনই আওয়ামী লীগের সাথে বস্তুনিষ্ট সমালোচনায় যাবেন দেখবেন এরা যুক্তি দিতে না পেরে আপনাকে গালাগালি,রাজাকার,ইসলামিষ্ট ইত্যাদি বলতে শুরু করবে, সেই সাথে তারেকের চরিত্র হরন,মোটামূটি এটাই আওয়ামী ফ্যাসিস্ট চরিত্র।আওয়ামী লীগের সাধারন সমর্থকদের মনে হিংসা-বিদ্বেষ ঢুকিয়ে দিয়ে আওয়ামী হাই-হাই কমান্ড তাদের ভারত প্রেমী কাজগুলো গোপনে গোপনে চালিয়ে যাচ্ছে, এদের এখন টার্গেট বাংলাদেশে একটি গনহত্যা চালানো। এখন এটা করতে বাংলাদেশে যুদ্ধ যুদ্ধাবস্থায় সৃষ্টি করা, দেশকে ব্যর্থ হিসাবে তুলে ধরা|এই কাজটি এখনই এরা ভারতে সাথে গোপনে গোপনে করছে| মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশকে ইসলামিষ্ট রাষ্ট্র হিসাবে তুলে ধরে বিদেশী বিনিয়োগগুলো, শ্রমবাজার ইত্যাদি দাদা হাতে তুলে দিতে চাইছে। এতে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্টি আরো গরিব হয়ে পড়বে, এই দরিদ্র ছেলে-মেয়েরা মাদ্রাসাই যাবে, এদের নাম দেওয়া হবে ইসলামিষ্ট, এই কাজে বিজ্ঞ রবিনেরা অগ্রনী ভুমিকায় থাকবে, জীবনের শেষ পেনি দিয়ে হলেও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন রুখতে চাই এই বিজ্ঞ ডিজিটাল আওয়ামী গ্রুপ|একই সাথে আমেরিকা আফগানস্তানে তাদের যুদ্ধ সম্প্রসারিত করবে, ফলে পুরো পাকিস্তানেই আমেরিকা হামলা চালাইতে পারে তথাকথিত ইসলামাইজেশন রুখার নামে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের গায়ে আওয়ামী লীগ আগেই পাকিস্তানের মত সিল মেরে দিবে, ফলে ইন্ডিয়াও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন রুখার নামে অপারেশন চালাবে দক্ষিন এশিয়া টার্স ফোর্সের ছদ্মবেশে। দীপু মনির টার্স ফোর্সের সোনার সেনারা বাংলাদেশের মাটিতে প্রবেশ করবে, যারাই এদের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কথা বলবে, আক্রমন করবে তাদেরই নাম দেওয়া হবে, Islamist in Bangladesh. বড় বড় হেডিং-এ খবর প্রকাশিত হবে বাংলাদেশী Islamist-রা দক্ষিন এশিয়ায় শান্তি বিনষ্ট করছে|যেসব আওয়ামী নেতারা বা সমর্থকেরা এই নীতিমালায় চলবে না, তাদেরকেও Islamist নাম দিয়ে নিধনে নেমে পড়বে,আর, যদি মনে হিংসা থাকে,এই হত্যাযজ্ঞ হবে পিলখানার মতই নৃশংস, নিষ্টুর। প্রতিটি আওয়ামী লীগের মনে আছে হিংসা, তাদের পরিচালিত হত্যাযজ্ঞ নৃশংস, নিষ্টুর হবেই, যেমন পিলখানার হত্যাকান্ড।এত বড় হত্যাকান্ড হবার পরেও হাসিনা হেসে হেসে ঘুরে বেড়াচ্ছে, পিস পুরস্কার নিয়ে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে তু্চ্ছ-তাছিল্য করারই একটি নমুনা।আর জয়, আমেরিকায় বসে বাংলাদেশ বিরোধী সকল কার্যক্রমে জড়িত। উনি প্রায় প্রনব বাবু, বাউচারের সাথে কতা বলেন |নিউ বাকশালি শাসনে এরকম মিথ্যা ও হাস্যকর অভিযোগের যে আরো মহড়া দেখা যাবে এটা দেশবাসী জানে।পিলখানার ঘটনা ধামাচাপা দিতে এরকম নাটক আরো হবে।

Comments

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla