ছাত্রলীগের উপর হতে অন্যায় এবং অবৈধ চাপ তুলে নেয়া হোক
দলীয় হাইকম্যান্ডের সূরে সূর মিলিয়ে কেন্দ্রীয় নেন্ত্রীবৃন্দ, বুদ্বিজীবি, সাংবাদিক সহ আওয়ামী ঘরনার সব অংশ হতে অংগ সংগঠন ছাত্রলীগকে বলি করা হচ্ছে চাদাবাজির ফিকির তুলে। লক্ষ্যনীয়, নেত্রী মুখ খোলার আগে এই তোতা পাখির দল যেন কিছুই দেখেনি, কিছুই বুঝেনি। অবাক হবনা যদি কোন এক সকালে পত্রিকা খূলে দেখি আওয়ামী আইনজীবি সমিতি ছাত্রলীগের কথিত অপকর্মের বিরুদ্বে সোচ্চার হওয়ার জন্যে নেত্রীকে "Daughter of Salvation" উপাধি দিয়ে তৈলমর্দন শুরু করে দিয়েছে! ছাত্রলীগের বিরুদ্বে এহেন বিশেষদ্গার অবৈধ, অন্যায় এবং দেশীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে hippocratic. ব্যপারটা খোলাসা করার জন্যে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি হতে একটা উদাহরন টানছি।
আমাদের জেলা শহরে তখন ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটছে হু হু করে, চারদিকে হৈহৈ রৈরৈ কারবার। পরিকল্পনাহীন এবং কাঠামোগত সাপোর্ট ছাড়াই যত্রতত্র গড়ে উঠছে শিল্প-কারখানা। বার বার তাগাদা এবং বিপুল অংকের টাকা ঘুষ দেয়া সত্বেও বর্জ্য পদার্থ নিস্কাসনের কোন ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় পৌরসভা। স্বভাবতই একটা পর্য্যায়ে শহরের খাল-বিল, ডোবা, নর্দমা ভরে উঠে রাসায়নিক বর্জ্য পদার্থে। এমন একটা মোক্ষম সময়ের জন্যেই বোধহয় ওৎ পেতেছিলেন স্থানীয় আওয়ামী চেয়ারম্যান। দলীয় ক্যডার দিয়ে আটকে দেন শহরের নিস্কাষন ব্যবস্থা, পাশাপাশি রাতের আধারে প্রতিটি কারখানায় ব্যক্তিগত দূত পাঠান সমস্যার সমাধান দিয়ে। কারখানা প্রতি ৩ লাখ টাকা ঘুষ, মোট টার্গেট ১ কোটি টাকা। মিয়ার ব্যাটার মত সেই একই হুমকি, " ... হয় টাকা নইলে কারখানা..."। ১৩টা খুনের হুকুমের আসামী এই বংগবন্ধু সৈনিক জীবনের একটা সময় দুমুঠো আহারের জন্যে পরিবারিক সহকারী হিসাবে আমাদের নিত্যদিনের বাজার-সদাই করতেন, যার কারনে আমাদের কারখানার জন্যে ধার্য্য করা হয় ২ লাখ টাকা (ডিসকাউন্টেড!)। ৭৫ লাখ টাকা আদায়ের মাধ্যমে খুলে দেয়া হয় শহরের নিস্কাষন ব্যবস্থা। খবরটা সময়মত পৌছে যায় পঞ্চমশ্রেনী ফেল, চার বিবির স্বামী স্থানীয় বিএনপির সাংসদের কানে। ঢাকা হতে জরুরী তারের মাধ্যমে মাঠে আনা হয় তৎকালিন পরিবেশ মন্ত্রী আকবর হোসেনকে। শুরুহয় চাদা আদায়ের নতুন খেলা। মন্ত্রীকে ৫ লাখ এবং এমপিকে ৫ লাখ দিয়ে খোলাহয় কারখানার দুয়ার। সমস্যার কেবল মাত্র শুরু যেন, ক্ষমতাসীন বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল প্রতি কারখানায় ২/৩ জন সসস্ত্র ক্যাডার বসিয়ে বন্ধ করে দেয় কারখানা, রাতের আধারে আসতে শুরু করে বাকি পিপড়ার দল; থানা, পুলিশ, এসপি, ডিসি, সাংবাদিক... সবার কিছু চাই, কারন পরিবেশ দূষিতকরনের মূল্যত দিতেই হবে! বিএনপির পতন এবং আওয়ামী উত্থানের পর একই সমস্যার পূনঃজন্ম হয়, এবার দলের বদলে লীগ!
ঘটনাটার সারমর্ম হচ্ছে, সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার সহ প্রশাষনের সর্বস্তরে যদি নীরব চাদাবাজি বৈধ হয় তাহলে ছাত্রদের বেলায় এমন দ্বিমূখী মনোভাব কেন? বরং প্রকাশ্য চাদাবাজির কিছু ভাল দিক রয়েগেছে, যেমন, চাদাবাজরা ভাল সাজার চেষ্টা করেনা, নিজদের চেহারা লুকাতে রাতের আধারে হাজির হয়না, তৃতীয় কাউকে পাঠায়না। আমার দৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদের জন্যে চাদা আদায় আর ছাত্রদের টেন্ডারবাজির মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য নেই, আছে গুনগন পার্থক্য। একজন করে মাথায় ঘোমটা দিয়ে আর ছাত্ররা করে প্রকাশ্যে, হাতে নাংগা তলোইয়ার উচিয়ে।
তাই আসুন, আমরা সোচ্চার হই ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার্থেঃ ছাত্রলীগের চাদাবাজি চলছে চলবে, ছাত্রলীগের টেন্ডারবাজি বৈধ কর বৈধ কর...। জয়বাংলা!!!
- Forums:
- Tag this post:
JUST VIEWED
Last viewed:
- বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদের সাহষী সেনার অলৌকিক কাহিনী
- জেনারেল মইন গনতান্ত্রিক চেতনাকে দুপায়ে দলিত-মথিত
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া - সত্য-মিথ্যার দিনরাত্রি।
- এক সশস্ত্র নেত্রীর উপাখ্যান, কুষ্টিয়া আওয়ামী লীগের নেত্রী একে ৪৭সহ গ্রেপ্তার
- করমচান্দ গান্ধী এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল তত্ত্ব
- ডিভি লটারি ২০১১ এর রেজিস্ট্রেশন শুরু শুক্রবার
- সায়রা খান, নরওয়ে পার্লামেন্টে বাংলাদেশী এমপি
- বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন রাজনীতিতে ভারত ইস্যু
- ফখরুদ্দীন সরকার দেশকে ২০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে
- আপনি কি রেস্টুরেন্টে প্রায়ই খেতে ভালবাসেন?
- জিয়া বাকশাল সমর্থন করেছিলেন : মোজাফফর আহমেদ
- হাসিনার সৌদি সফর এবং নবীজির মিষ্টি তত্ত্ব
- পুত্রের কাছে পিতার পত্র, পাইবে তারেক রহমান
- একজন সালাউদ্দিন কাদের চৌধূরীর দিনরাত্রি
- শালা জাতিয়তাবাদী চোরের দল, রাজনীতি মারাও!!!
Latest Blogs
- লুটের টাকায় বেশ্যা নাচে
- আমেরিকার রুক্ষ্ম পশ্চিমের গল্প...
- মৃত্যুর আগাম শোক...
- হাতে রক্ত, আঙ্গিনায় লাশ আর মুখে গণতন্ত্র...পাকিস্তানি ভণ্ডামির আওয়ামী সংস্করণ!
- দ্যা ডে আফটার
- ক্যু আর্কিটেক্টদের মোবারকবাদ
- ছ্যারছ্যার আলীর দিনরাত্রি ও একটি খুনের গল্প
- ডিজিটাল কফিনে দিন বদলের দাফন। তথ্যই কথা বলে...
- Theory of সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিং...
- দেবতা বনাম উর্দিওয়ালা...নতুন পর্ব!
Recent Comments
- মুহূর্তেই ছিন্ন স্নেহের বাঁধন...
1 week 3 days ago - আমিও
3 weeks 4 days ago - about canada immigration
4 weeks 4 days ago - ঘুষ না পেয়ে মুক্তি দেননি বিচারক
4 weeks 6 days ago - কোটি কোটি রুহুল আমিন কী চায়?
4 weeks 6 days ago - হুম!
5 weeks 2 days ago - ধন্যবাদ...
5 weeks 2 days ago - Its really a great invention.
5 weeks 4 days ago - গুপ্ত হত্যার শেষ শিকার..., একটি রম্য রচনা
6 weeks 2 days ago - Not fair!
6 weeks 4 days ago





Post new comment