Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

এক সশস্ত্র নেত্রীর উপাখ্যান, কুষ্টিয়া আওয়ামী লীগের নেত্রী একে ৪৭সহ গ্রেপ্তার

Photobucket
হাসান জাহিদ, কুষ্টিয়া থেকে: একে-৪৭, শটগান ও ৮২ রাউন্ড গুলিসহ কুষ্টিয়া শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা খান আঁখিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত পৌনে ১১টায় কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের ত্রিমোহনী নামক স্থানে পুলিশ চেকপোস্টে তাদের বহনকারী সাদা রঙের মাইক্রোবাস তল্লাশি করলে এ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া যায়। সাদা রঙের ওই মাইক্রোবাসে করে তারা কুষ্টিয়া শহরের দিকে আসছিল। পুলিশের ভাষ্য, তাসলিমা চরমপন্থি দলের সক্রিয় ক্যাডার। এ নিয়ে কুষ্টিয়ায় এখন তোলপাড়। পুলিশ জানায়, অত্যাধুনিক এ অস্ত্র দু’টি বোরকা পরা তাসলিমা খান আঁখি (৪২)’র কোমরে লুকানো ছিল। এ সময় ওই গাড়িতে থাকা আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরা হলোÑ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত চরমপন্থি গুড় সোহেলের স্ত্রী রানী খাতুন (২২), কালিশংকরপুরের জামাল উদ্দিনের ছেলে রাজ্জাক (৩৫) ও মাইক্রোবাসের চালক ইবি থানার মহিষডাঙ্গা গ্রামের উমেদ আলীর ছেলে শাহীন (৩২)। এদের নিকট থেকে মোট ৬টি মোবাইল ফোনও জব্দ করে পুলিশ।

পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক তাদের সঙ্গে নিয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে দৌলতপুরের ডাংমড়কা গ্রামের বাড়ি থেকে এসব অস্ত্রের সরবরাহকারী আক্কাস আলী (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে। আক্কাস আলী ওই গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা চরমপন্থি সংগঠন গণমুক্তিফৌজের সদস্য। আরও অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

কে এই আঁখি

কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক কমিশনার আওয়ামী লীগ নেতা ওমর হায়দার খান কোহিনুরের স্ত্রী এই আঁখি। কোহিনুর কুষ্টিয়ায় ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। জন্মগতভাবে আঁখির একটি চোখ খারাপ। এ কারণে ছোটবেলা থেকেই কালো চশমা পরে থাকে। বেশ ফিটফাট পোশাক পরে চলাফেরা করে। কোহিনুরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করে। বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে চশমা পরা আঁখির সরব উপস্থিতি দেখেছে শহরবাসী। ১৯৯৩ সালে কোহিনুর যখন পৌরসভার কমিশনার পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করেন তখন এই আঁখি একটু খোলামেলা পোশাক পরে মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোট চাইতে নামে। সে সময়ই প্রথম আলোচনায় আসেন কোহিনুর। তার পরিচিতিও ঘটে বেশ। পাশাপাশি স্মার্ট তরুণী নেত্রী হিসেবে শহরে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে আঁখি।

আঁখির রাজনৈতিক উত্থান

মিছিল-মিটিংসহ দলীয় কার্যক্রমে সরব উপস্থিতির কারণে আওয়ামী লীগের ৮নং ওয়ার্ডে নিজের অবস্থান শক্ত করে ফেলে আঁখি। স্বামী যুবলীগের নেতা হওয়ার সুবাদে একটু বাড়তি সুবিধা হয় তার। নির্বাচনে স্বামী কমিশনার পদে জয়লাভ করলে আঁখির আরও সুবিধা হয়। জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বেগম নুরজাহান মীনা মানবজমিনকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্দেশ্যে ২০০৩ সালের দিকে কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম সক্রিয় হলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পৌরসভার চেয়ারম্যান আনোয়ার আলীর সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় ব্যারিস্টার আমীর নতুন করে আওয়ামী লীগকে চাঙ্গা করেন। তিনি বিভিন্ন কমিটি সক্রিয় করতে থাকেন। এরই অংশ হিসেবে ২০০৫ সালে মহিলা আওয়ামী লীগের শহর ও ওয়ার্ড কমিটিগুলো গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। মীনা বেগম বলেন, এসময়ও আমি আঁখিকে চিনতাম না। সে সময় সে ৮নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিল। এ সময় মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন রওশন আরা মজিদ এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পৌর কমিশনার সালমা রহমান যুথিকা। ওই কমিটি ঠিকমতো সক্রিয় না থাকায় এবং আমাদের সহযোগিতা না করায় নাজমা খুররমকে আহ্বায়ক করে শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ২০০৫ সালে মাঝামাঝি কুষ্টিয়া শিল্পকলায় শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বনিবনা না হওয়ায় আনোয়ার আলী গ্রুপের নেত্রীরা উঠে চলে যান। তারা পাশে পৌরসভার বিজয় উল্লাস চত্বরে পাল্টা সমাবেশ করেন। তখন একটি কমিটি থেকে সেলিনা হক আয়নাকে সভানেত্রী এবং এই তাসলিমা খান আঁখি হন সাধারণ সম্পাদক। পাল্টা কমিটিতে সভানেত্রী হন আলম আরা জুঁই আর সাধারণ সম্পাদক হন সালমা রহমান যুথিকা। এই দু’টি কমিটিই অন্য কমিটিকে মানে না। পরে আঁখি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলীর বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে। দলীয় সকল কর্মকাণ্ডে সব সময়ই তাকে সক্রিয় দেখা গেছে। আজগর আলীর গ্রুপে কাজ করার কারণে জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান শীর্ষ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ে আঁখি। কুষ্টিয়ায় প্রচার রয়েছে একজন এমপি’র সঙ্গে তার শ্যালিকা-দুলাভাই সম্পর্ক। তবে গতকাল গ্রেপ্তারের পর এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তা অস্বীকার করে। তবে ওই এমপি কুষ্টিয়া এলে আঁখি ও তার বরকে সব সময় কাছাকাছি থাকতে দেখা গেছে। ওই এমপি’র সঙ্গে ভাল সম্পর্কের কারণে আঁখি দলে বেশ শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করেছিল।

বহিষ্কার হতে পারে আঁখি

জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বেগম নুরজাহান মীনা বলেন, আঁখি যে কাজ করেছে তা আইনবহির্ভূত। সে অস্ত্রসহ ধরা পড়েছে। দলের শৃঙ্খলাবহির্ভূত কাজের জন্য সে বহিষ্কার হতে পারে। আমার কাছে এরকম প্রস্তাব দিয়েছেন অনেকেই। শহর কমিটির সভানেত্রী সেলিনা হক আয়না জানান, আমরা ইতিমধ্যেই আলোচনা করেছি। আঁখির বহিষ্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে।

যুবলীগ নেতা জামু হত্যার সঙ্গে আঁখি জড়িত

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আঁখি জেলা যুবলীগ নেতা জামিরুল ইসলাম জামু হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ছিল। গত ২০০৬ সালের ৩০শে অক্টোবর সন্ধ্যায় জামু আত্মীয় আঁখির বাসায় বেড়াতে যায়। এ সময় জামুর কাছে মোবাইলে ফোন আসে। সে আঁখির বাসার নিচে রাস্তায় নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এ হত্যার সঙ্গে আঁখি জড়িত সন্দেহে পুলিশ তখনই তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে জামু হত্যা মামলার আসামি করে জেল হাজতে পাঠায়। দীর্ঘদিন হাজতবাস করার পর সে হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পায়। আঁখিকে ১ নং আসামি রেখে ওই মামলার চার্জশিট হয়ে গেছে।

অবৈধ সম্পর্ক

আঁখির অসংলগ্ন চলাফেরা ও সম্পর্কের কথা মানুষের মুখে মুখে। কুষ্টিয়ার সবাই জানে জামুর সঙ্গে আঁখির খুব ঘনিষ্ঠতা ছিল। আঁখির বাসায় জামুর যাতায়াত ছিল। এছাড়াও একটি রেডিও’র দোকানকে কেন্দ্র করে আঁখির সঙ্গে ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠতার খবরও কুষ্টিয়াবাসীর মুখে মুখে।

পুলিশ সুপারের বক্তব্য

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, অস্ত্রবাহী একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসযোগে দৌলতপুর থেকে কুষ্টিয়া শহর অভিমুখে আসছিল। এএসপি হেডকোয়ার্টার আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম আগে থেকেই বারখাদা ত্রিমোহনীতে চেকপোস্ট বসিয়ে ছিল। গত আড়াই মাস কুষ্টিয়া পুলিশে বিশেষ অভিযান শুরুর পর এরকম চেকপোস্ট প্রায়ই বসানো হয়। রাত ১১টার দিকে ত্রিমোহনীতে পৌঁছামাত্র মাইক্রোটিকে চ্যালেঞ্জ করে ডিবি’র ওই টিম। এ সময় গাড়ির আরোহীদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদের দেহে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আঁখির কোমরে গুঁজে রাখা একটি একে-৪৭ রাইফেল ও একটি শটগান উদ্ধার করা হয়। কাপড় দিয়ে অতি সুরক্ষিতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র দু’টি মুড়িয়ে রাখা হয়েছিল। এরপর অস্ত্রবহনকারীদের ঘটনাস্থলেই ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। আঁখির দেয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযানে বের হয়। এএসপি হেডকোয়ার্টার আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, কুষ্টিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে অনেক মহিলা চরমপন্থি ক্যাডার হিসেবে কাজ করছে। তাদের একটি তালিকাও করেছি আমরা। গ্রেপ্তারকৃতরা চরমপন্থি সংগঠন গণমুক্তিফৌজের ক্যাডার। তারা শহরে বড় কোন অপরাধ ঘটানোর জন্য এসব অস্ত্র নিয়ে আসছিল।

অস্ত্র দু’টি যেখানে ছিল

পুলিশের বিশেষ দলটি গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে নিয়ে জেলার দৌলতপুর উপজেলার ডাংমড়কা গ্রামে অভিযানে যায়, যেখান থেকে অস্ত্রগুলো আনা হয়েছিল। গভীর রাতে পুলিশ ওই গ্রামের আক্কাস আলী মোল্লার বাড়িতে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। তারা চারদিক থেকে বাড়ি ঘিরে ফেলে। এ সময় আক্কাস আলী মোল্লা বাড়িতেই ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে শেষ রক্ষা হয়নি তার। গ্রেপ্তার হয় পুলিশের হাতে। সেখান থেকে তাকে কুষ্টিয়ায় আনা হয়। আক্কাস আলী জানায়, কুষ্টিয়া শহরের এক দুর্ধর্ষ কিলার পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার আগে এ অস্ত্র তার কাছে রেখে যায়। আক্কাস সেগুলো তার বাড়ির পাশে একটি বাগানের মধ্যে মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিল। সে আরও জানায়, গণমুক্তিফৌজের ওই কিলার নিহত হওয়ার আগে অস্ত্র-গোলাবারুদগুলো আঁখিকে দিতে বলে যায়।

আঁখি যা বলেন

আঁখি বলেন ভিন্ন কথা। তার বক্তব্য, আক্কাস তাকে ফোন করে দৌলতপুর নিয়ে যায়। এজন্য সে আঁখির ছেলেকে অপহরণের হুমকি দেয়। সেখানে গেলে তাকে ভয় দেখিয়ে অস্ত্রগুলো শহরে নিয়ে যেতে বলে। বলে, আপনি নিয়ে গেলে কেউ চেক করবে না। কুষ্টিয়া নিয়ে গেলেই আপনাকে ফোন করে আমার লোক অস্ত্র ও গুলি নিয়ে নেবে।

আঁখির চরমপন্থি কানেকশন

যুবলীগ নেতা জামু হত্যাকাণ্ডের পরই আঁখির চরমপন্থি কানেকশনের বিষয়টি চাউর হয়ে যায়। সে চরমপন্থি নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে ঠিকাদারি কাজ ভাগ করে দিতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে চরমপন্থি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের তার বাসায় যাতায়াত ছিল। পুলিশ সুপার শাহাবুদ্দিন খান গতকাল সাংবাদিকদের বলেছেন, সে অন্য কারও জন্য অস্ত্র বহন করছিল এমন ভাবা ঠিক হবে না। সে নিজে চরমপন্থি দলের সদস্য। এসব অস্ত্র সে নিজেও কোন নাশকতামূলক কাজে ব্যবহার করতে পারতো। গ্রেপ্তার অভিযানে অংশ নেয়া এক মহিলা পুলিশ সদস্য জানান, যেভাবে তার কোমরে দু’টি ভারি আগ্নেয়াস্ত্র রাখা ছিল এবং তা নিয়ে যেভাবে গাড়ি থেকে নেমেছে তাতে মনে হয়েছে সে এসবের ব্যবহার জানে। এছাড়া তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া চরমপন্থি গুড় সোহেলের স্ত্রী রানীও এ ব্যাপারে বেশ পারদর্শী বলে মনে হয়েছে। গুড় সোহেল পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয়েছিল।

আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম বলেন, এ খবরে আমরা বিস্মিত হয়েছি। তার মধ্যে যে এতবড় অপরাধ লুকিয়ে ছিল তা আমরা কখনও টের পাইনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সন্ত্রাসী হলে আমার দলের লোককে আগে গ্রেপ্তার করবেন। বর্তমান সরকার যে প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিচ্ছে এটা তার প্রমাণ। তিনি বলেন, আঁখির এ অবৈধ কারবারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোন সম্পর্ক নেই। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী বলেন, আমাদের সঙ্গে আঁখির রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল। রাজনীতির মাঠের বাইরে সে কি করেছে তা আমাদের জানা থাকার কথা নয়।

সূত্রঃ http://www.manabzamin.net/lead-01.htm

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla