Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

sheikh hasina

তুতসি হুতুদের রুয়ান্ডা ও শহবাগ সরকারের বাংলাদেশ

sheikh hasina and rajakar
কথা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। সে উদ্দেশ্যে ট্রাইবুনাল বসানো হল। বিচারক নিয়োগ দেয়া হল। ঢাক ঢোল পিটিয়ে শুনানির আয়োজন করা হল। মাসের পর মাস চললো সে শুনানি। অথচ রায়ের জন্য বসানো হল শাহবাগী সরকার। আদলতকে জিম্মি করে রায় বের করার নাম আর যাই হোক বিচার হতে পারেনা। এ শ্রেফ ভাওতাবাজি, এক অর্থে রাজনৈতিক ক্রসফায়ার...

দুর্নীতির মহাকাশ যাত্রা

Corruptions of Awami League
প্রবাসী কোন এক বৈজ্ঞানিকের ডিজিটাল স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একসাথে অনেক গুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছিল মহামান্য সরকার। ২০ হাজার কোটি টাকার বিমানবন্দর ছিল তার অন্যতম। সাথে ছিল উন্নত বিশ্বের অনুকরণে ঘড়ি ঘুরিয়ে ডে-লাইট সেভিং প্রক্রিয়া। তবে দেশের জনগণকে গেলানো যায়নি বিশাল এসব প্রকল্প। বিমানবন্দর ও পদ্মাসেতু প্রকল্প যখন হাওর বাওর বিল ও বিদেশ ঘুরে লুটপাটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছিল খুব নীরবে জন্ম নিচ্ছিল আরও একটা উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প...

পদ্মা সেতুর ৪%, সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার কত?

 Padma Bridge Corruption by Awami League
কালকিনির আবুল হোসেনের চেহারা চরিত্রে এমন কি যাদু আছে যা দিয়ে শেখ হাসিনার মত আয়রন লেডিকে পর্যন্ত বশ করা গেছে? মন্দ জনের কথায় কান দিলে অনেক বাজে কথা বিশ্বাস করতে হবে। এই যেমন আবুলের মালিকানা প্রসঙ্গ। বলা হয় আবুল হোসেনকে মন্ত্রী বানানো হয়েছে ক্ষমতা নিয়ে দুই বোনের লড়াইয়ের মধ্যস্থতা হিসাবে...

বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার। ...আরেক টার্মে ক্ষমতা চান আমাদের প্রধানমন্ত্রী

Sheikh Hasina
আরেক টার্মে ক্ষমতা দেয়ার জন্যে আবদার করছেন প্রধানমন্ত্রী । শুনতে ভাল শোনায়। মায়া মায়া ভাব চলে আসে। কিন্তু এই আবদারের আড়ালে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে মহাপরিকল্পনা বিগত চার বছর ধরে করে গেছেন তার নমুনা কিছুটা হলেও জাতি দেখেছে। বিবেচনার স্বাধীনতা থাকলে জাতির রায় এ যাত্রায় শেখ হাসিনার পক্ষে যে যাচ্ছেনা তা অনেকটাই নিশ্চিত...

তৈলমর্দনের দেশে একজন বিশ্বজিৎ ও একজন প্রধানমন্ত্রী

Chattro League খোলা তরবারি হাতে প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত মানুষের সামনে তিলে তিলে খুন করল একদল কসাই আর তাদের বাঁচানোর দায়িত্ব নিল বিপুল ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। বিশ্ব শাসনব্যবস্থায় এর চাইতে ন্যাক্কারজনক, নিকৃষ্ট ও পশুসুলভ ক্ষমাহীন অপরাধ বিশ্বের দ্বিতীয় কোন গণতান্ত্রিক দেশে সংঘটিত হয়েছিল বলে মনে হয়না। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছে। কেবল বিশ্বজিৎ হত্যায় এ ধরণের অপরাধ সীমাবদ্ধ ছিল বললে অন্যায় বলা হবে। বাংলাদেশের অলিগলিতে প্রতিদিন ঘটছে এসব নারকীয় হত্যাকাণ্ড। কেবল মাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ে খুনিরা পার পাচ্ছে এবং রক্ত নেশায় উজ্জীবিত হয়ে হায়েনার মত ধাওয়া করছে নতুন নতুন শিকার...

প্রধানমন্ত্রীর বস্তির ভাষা

৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা। অফিসের কাজে রাজশাহী যাচ্ছি। তাও আবার ট্রেনে চেপে। দূরপাল্লার বাস গুলোতে তখন দুর্ঘটনার সুনামী, তাই বিকল্প হিসাবে ট্রেন ধরতে বাধ্য হলাম। এর আগেও দুয়েক বার এ পথ মাড়িয়েছি। উপভোগ করার মত তেমন কিছু নেই। যা আছে তা হল সীমাহীন অনিশ্চয়তা, রাজ্যের বিরক্তি আর ঝাঁপিত জীবনকে দাড়িপাল্লায় দাঁড় করানোর অফুরন্ত সময়। যাত্রার শুরুতেই হোচট। শাজাহানপুর বস্তির পাশে থেমে গেল ট্রেনটা। এমন ভাবে থামল মনে হল যাত্রার এটাই বোধহয় শেষ গন্তব্য। দু'ঘন্টারও উপর ঠায় দাঁড়িয়ে আছি...

ঘোলা পানিতে পদ্মাসেতু

Hasin'a visit to New York
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ৮০ জন ক্যাডার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এখন আমেরিকায়। নিউইয়র্কস্থ জেএফকে এয়ারপোর্টে একজন বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রীকে কিভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয় তা দেখতে এবং বাকি বিশ্বের সরকার অথবা রাষ্ট্রপ্রধানদের আগমনের সাথে তুলনা করতে চাইলে একজন সুস্থ সবল বাংলাদেশির হাতে বোরখা থাকাটা জরুরি। এ এক অবিশ্বাস্য লজ্জাজনক অধ্যায় যা কেবল মধ্যযুগীয় জংলিপনার সাথে তুলনা চলে। ঐ মুহূর্তে ঘটনাস্থলে নিজকে বাংলাদেশি হিসাবে পরিচয় দিতে গায়ের ও চোখের চামড়া গণ্ডারের চামড়া হওয়াটা বাঞ্ছনীয়। স্থানীয় প্রশাসনের জানা আছে এসব কলঙ্কিত অধ্যায়। তাই অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা এড়ানোর জন্যে প্রধানমন্ত্রীকে চোরাই পথে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন ব্লুমবার্গ বাহিনী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কি বলবেন আমাদের তা জানা আছে...

বিশ্বব্যাংক, পদ্মা সেতু ও একজন গেসু চোরা

Padma Bridge Corruption
পদ্মা সেতু নিয়ে বিপ্লবের ডাক দিয়েছে হাসিনা সরকার। দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে ১৬ কোটি মানুষকে ৩২ কোটি হাত নিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে তারা। বিশ্বব্যাংক ফিশ্বব্যাংক যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়, এবার এগিয়ে যাওয়ার সময়। অনেকটা অক্টোবর বিপ্লব উত্তর রাশিয়া গড়ার মত জাতিকে নিজ হাতে পদ্মা সেতুর ইট পাথর গাথার দাওয়াত দিচ্ছেন সরকার প্রধান। জাতিও জবাব দিতে কার্পণ্য করছেনা। ইতিমধ্যে ঘোষনা এসেছে বেতনের একটা অংশ ত্যাগ করবে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা। সরকারী দলের সহ নেত্রীও রাজি হয়েছেন একবেলা কম বাজার করার। ঘোষনা আসার এ কেবল শুরু...