Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

sheikh hasina

অন্যায়ের দাড়িপাল্লায় দুই নেত্রী ও নিরপেক্ষতার ভন্ডামি

Sheikh Hasina and Khaleda Zia
হঠাৎ করে কি হল এই মহিলার? উন্মাদনার চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে রাজনীতি নিয়ে এমন সব কথাবার্তা বলছেন যা কেবল একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগির পক্ষেই বলা সম্ভব। মা-বাবা, ভাই সহ পরিবারের সবাইকে এক সাথে হারালে যে কেউ মানসিক ভারসাম্য হারাতে পারে। মানবিক ও চিকিৎসা শাস্ত্রের বিবেচনায় এ আলামত খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে প্রশ্ন উঠবে মানসিকভাবে অসুস্থ একজনকে সরকার প্রধান করার বৈধতা নিয়ে। খালেদা জিয়ার লেখাপড়ার দৌড় উল্লেখ করার মত তেমন নয়। পাশাপাশি শেখ হাসিনার দাবি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট। গেল পাঁচ বছর রাজনীতিবিদ ও সরকার প্রধান হিসাবে এই মহিলার মুখ হতে যেসব আবর্জনা বেরিয়েছে তা কি আদৌ কোন শিক্ষিত মানুষের কথা হতে পারে?...

সমস্যার ডিজিটাল সমাধান, বাংলাদেশের বিভক্তি

Awami League and BNP
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থাকাটা অতীব জরুরি। ১৬ কোটির ৮০ ভাগ জনগণ যা বুঝতে অক্ষম তা তিনি বুঝে গেছেন সবার আগে। তাই প্রধান বিচারপতিকে দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছেন তত্ত্বাবধায়ক নামক ভয়াবহ ’কলেরা’ হতে। এহেন মৌলিক কৃতকর্মের জন্য আগামীতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবি উঠলেও অবাক হওয়ার থাকবেনা। উন্মাদ প্রায় এই মহিলা যে সব কথাবার্তা বলছেন তার তাৎক্ষণিক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে রাজপথে। প্রতিদিন মানুষ মরছে। মরছে আগুনে, মরছে পুলিশের গুলিতে, মরছে যত্রতত্র। কিন্তু মহিয়সী এই নারীর বিচারে গণতন্ত্র শাসনতন্ত্র এমনসব আসমানী কিতাব যার দিকে তাকানোও অপরাধ। সে অপরাধ হতে জাতিকে রক্ষা করার একক পাহারাদার সেজেছেন তিনি...

খুনের সমালোচনা খুনিদের মুখে শোভা পায়না, বরং অপেক্ষা করুন...

Awami League and Hasina
খুনের সমালোচনা খুনিদের মুখে শোভা পায়না। শোভা পায় মান+হুস ওয়ালা মানুষের মুখে। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদগণ মানুষ নন, উনারা চোর, খুনি, সভ্যতার বাই-প্রোডাক্ট। নোংরামির এ দৌড়ে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ বাকি সবার চাইতে দশ ক্রোশ এগিয়ে। তাই দলকানা নেত্রীদাসদের অনুরোধ করব অবরোধের বলি হয়ে যারা লাশের মিছিলে নাম লেখাচ্ছে দয়া করে তাদের ছবি ছাপিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করবেন না। কারণ যাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এসব করছেন তারা পশুত্বের জন্মদাতা, খুন ও খুনির পিতামহ...

পিছু হটার এখনই সময়

India and Bangladesh
১৭৩ দিন হরতাল, শত শত মানুষ খুন এবং নিজেদের জরায়ুতে তত্ত্বাবধায়ক নামক সরকারের জন্ম দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার স্বাদ নিয়েছিলেন। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে উদ্বার করেছিলেন প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ। পাচ বছর ধরে রাষ্ট্রকে নিবিড় লুটপাটের পর দেশের মানুষ উনাদের জন্য এখন মোহম্মদী বেগের মত। তাই বাঁচার জন্য আবারও দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় গনিকাদের দুয়ারে। এবং তাদের ঔরস হতেই জন্ম নিয়েছে গণতন্ত্র রক্ষার নতুন হযরতে আলা, শেখ হাসিনা। এসব ভন্ডামি, নষ্টামির সাথে এ দেশের মানুষ অনেকটাই এখন পরিচিত...

ইহুদি, ইসরাইল ও একজন শেখ হাসিনা

Sheikh Hasina and Awami League
সংগত কারণে জাতির ভাগ্যাকাশে ঘনিভূত হচ্ছে ভয় ভীতির কালো মেঘ। ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে অনিশ্চয়তা। জন্ম নিচ্ছে হতাশা। রাজপথে তান্ডব ঘটিয়েই শেখ হাসিনা ক্ষমতার পথে বিটুমিন ইমালশান বিছিয়েছিলেন। এ কাজে এমন বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে দ্বিতীয় কেউ আছে তা খোদ সৃষ্টিকর্তাও সমর্থন দেবে না। একজনের ইচ্ছা অনিচ্ছার পুতুল হয়ে পনের কোটি মানুষ হাসবে, কাঁদবে, ভয়ে থাকবে, ব্যবসা বানিজ্য গুটিয়ে অপেক্ষায় থাকবে সুদিনের; স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা বন্ধ করে সৃষ্টিকর্তার দরবারে ক্ষমা ভিক্ষা করতে হবে, স্বাধীনতার এটাই কি তাহলে আমাদের একমাত্র প্রাপ্তি?

জিএসপি সুবিধা, খালেদা জিয়ার আর্টিকেল ও একজন সারাহ ফেনিগানের গল্প

suranjit sen gupta, bangladesh
হঠাৎ করেই তিনি নিউ ইয়র্ক সফরে এলেন। বাংলাদেশকে পরবর্তী তালেবান রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষনা দিলেন। উনার বৈজ্ঞানিক পুত্রকে ব্যবহার করে ভারতীয় পত্রিকায় বাংলাদেশে আল কায়েদার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আয়মেন আল জাওহারির লুকিয়ে থাকার অভিনব কাহিনী প্রকাশ করলেন। টনক নড়ে বুশ প্রশাসনের। বাংলাদেশিদের গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হয় নিয়ন্ত্রণের লাল কালি। স্থায়ী অস্থায়ী অনেককেই ডাকা হয় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অফিসে। নিবন্ধনের জন্য শীতের সকালে হাজার হাজার বাংলাদেশিকে লাইন ধরতে বাধ্য করান চেতনার ঠিকাদার এই নেত্রী...

গগনে গরজে মেঘ

দুই পরিবারের ক্ষমতার লড়াই দেশকে গৃহযুদ্ধের দাঁড়প্রান্তে নিয়ে গেছে। কুৎসিত এ লড়াইয়ের বলি হয়ে গোটা জাতি ধুকছে। পাশাপাশি জাতীয় সম্পদ লুটপাটের ভয়াবহ প্রতিযোগিতা ছোট করে দিচ্ছে সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে বেচে থাকার পৃথিবী। পরিসর সীমিত হলেও ভার্চুয়াল দুনিয়া ছিল এমন একটা স্থান যেখানে দলীয় ভক্তির উর্ধ্বে উঠে তুলে ধরা যেত রাজনীতি তথা অর্থনীতির আসল চেহারা...

টু ওম্যান এন্ড ফিউ হাফ-ম্যান...বেড়ালের গলায় ঘন্টা বাধার এখনই সময়।

hasina and khaleda
তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতিবিদ হতে চাইলে প্রয়োজন কিছু অতিরিক্ত মেধার। কি আছে আমাদের দুই নেত্রীর মগজে? হিংসা, জেদ, ক্রোধ, প্রতিশোধ, পিতা ও স্বামীর নামে দেশকে পারিবারিক সম্পত্তি বানিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নেয়ার খায়েশ ছাড়া অন্য কোন গুনাবলী জাতির সামনে উন্মোচিত করতে পারেননি নেত্রীদ্ধয়...