Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

sheikh family

এক দলা থুথু, নির্বাচন ও শেখ হাসিনা

Autocracy and Sheikh Hasina
মানুষের মৌলিক অধিকার দলিত মথিত করে নির্বাচন নামের যে পরিহাস জাতিকে উপহার দিয়েছেন তার বাজার মূল্য এখনো নির্ধারিত হয়নি। একদিন হবে এবং সঠিক মূল্য দিয়েই কেনা হবে আপনার পরিহাস। জেল, হাজত, দলন, মথন আর বালুর বস্তা দিয়ে হয়ত আটকানো গেছে বিশেষ দল ও জোটের কাফেলা। কিন্তু দলের বাইরেও এ দেশে কোটি কোটি মানুস বাস করে। আপনি আটকাতে পারেননি তাদের হূদয়। সে হূদয়ের প্রতি কনায় আপনার জন্য জমা হচ্ছে রাশি রাশি ঘৃনা...

ওয়াস্তাগফেরুল্লাহ বিন মহম্মদ জাফরুল্লাহ ও কতিপয় চেতনা ব্যবসায়ী

Bangladesh Awami LEague
শেখ পাড়ার বাঁক হইতে বালু ভর্তি একখান টেরাক আসতে দেখিয়া আমি তাল গাছের মত লম্বা আর তেজপাতার মত পাতলা হইয়া গেলাম। কওন তো যায়না, যা দিনকাল পরছে! টেরাকের পিছে থানার ওসি সাবকে দেখলাম মোডর সাইকেলে চইড়া কই যেন যাইতাছেন। আমি সেলাম দিলাম। তিনি সেলাম নিলেন। জিগাইলেন মজিদ মিয়ার বাড়ির মজমায় যামু কিনা। খুব বড় মজমা। চেতনার মজমা। গতরাইতে শুরু হইছে। যারা যারা আগের রাইতে হাজির ছিল সবার ছোট মিয়া নাকি কারনে অকারনে নাচানাচি করছে। চাইরদিকে হৈ চৈ পইরা গেছে...

টিক্কা খানের আসনে আওয়ামী লীগ

Awami League
পাকিস্তানী সামরিক স্বৈরশাসক, ৭১’এর ইয়াহিয়া-টিক্কা চক্র, এরশাদ চক্রের নয় বছর হতে মুক্তির লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ ছিল অগ্রপথিক। কিন্তু একজন মহিলা তছনছ করে দিল এ ঐতিহ্য। নিজের ইচ্ছা, পারিবারিক স্বার্থ আর প্রতিবেশী দেশের তাবেদারি করতে গিয়ে খেয়াল খুশিমতো দলকে ব্যবহার করলেন এবং টেনে আনলেন এমন একটা অবস্থায় যেখান হতে দলীয় পরিচয়ে নেতা কর্মীরা জনগণের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে। কারণ তাদের জন্য দেশের অলিগলিতে পাতা আছে মৃত্যু ফাঁদ...

শেখ হাসিনার এক্সিট রুট

Awami League and BNP
যতই গো ধরেন না কেন যেতে উনাকে হবেই। ভাগ্যলিখন উনার লেখা হয়ে গেছে। তা ৫ই জানুয়ারির আগে হোক আর পরে হোক। ক্ষমতা বদলের যে অসুস্থ পথ তিনি আবিস্কার করে গেছেন একই পথ উনাকেও মাড়াতে হবে। অস্কার ফার্নান্দোরা সময়ের কালক্ষেপণ মাত্র। অতীতের স্যার নিনিয়ান অভিজ্ঞতা তাই বলে। এরশাদ ছিলেন বুদ্ধিমান, তাই ক্ষমতার পালাবদলে শেখ হাসিনার ভূমিকায় নামেননি। প্রায় মসৃন পথে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। ক’বছর জেল খাটলেও রাজনীতির মাঠ হতে কেউ তাকে নির্বাসনে পাঠাতে পারেনি। প্রতিশোধের জন্য খুন করতেও কেউ পিছু নেয়নি। এরশাদ বেঁচে আছেন আপন মহিমায়। হোক তা গৌরবের অথবা কালিমার...

ইহুদি, ইসরাইল ও একজন শেখ হাসিনা

Sheikh Hasina and Awami League
সংগত কারণে জাতির ভাগ্যাকাশে ঘনিভূত হচ্ছে ভয় ভীতির কালো মেঘ। ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে অনিশ্চয়তা। জন্ম নিচ্ছে হতাশা। রাজপথে তান্ডব ঘটিয়েই শেখ হাসিনা ক্ষমতার পথে বিটুমিন ইমালশান বিছিয়েছিলেন। এ কাজে এমন বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে দ্বিতীয় কেউ আছে তা খোদ সৃষ্টিকর্তাও সমর্থন দেবে না। একজনের ইচ্ছা অনিচ্ছার পুতুল হয়ে পনের কোটি মানুষ হাসবে, কাঁদবে, ভয়ে থাকবে, ব্যবসা বানিজ্য গুটিয়ে অপেক্ষায় থাকবে সুদিনের; স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা বন্ধ করে সৃষ্টিকর্তার দরবারে ক্ষমা ভিক্ষা করতে হবে, স্বাধীনতার এটাই কি তাহলে আমাদের একমাত্র প্রাপ্তি?

পদ্মাসেতু, হাসান-হোসেনের কারবালা ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী

Sheikh Hasina and Corruptions
ক্ষমতা স্বাদ বড় মধুর জিনিস। একবার নিলে বার বার নিতে ইচ্ছা করে। তাইতো অনেকে একে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নেয়ার স্বপ্ন দেখেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাদেরই একজন। যতদিন বাঁচবো ততদিন ট্রাফিক জ্যামের দেশে মোটর বহর নিয়ে চলবো, ছেলে, মেয়ে, নায়-নাতি, ছেলে বৌ, বোনের সন্তান, তাদের স্ত্রী, সবাইকে নিয়ে সরকারী অর্থে রাশিয়া যাব, ভারত যাব, জাতিসংঘে ভাষন দিতে নিউ ইয়র্ক যাব, কে না চায় এসব বিনোদন...

দুর্নীতির মহাকাশ যাত্রা

Corruptions of Awami League
প্রবাসী কোন এক বৈজ্ঞানিকের ডিজিটাল স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একসাথে অনেক গুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছিল মহামান্য সরকার। ২০ হাজার কোটি টাকার বিমানবন্দর ছিল তার অন্যতম। সাথে ছিল উন্নত বিশ্বের অনুকরণে ঘড়ি ঘুরিয়ে ডে-লাইট সেভিং প্রক্রিয়া। তবে দেশের জনগণকে গেলানো যায়নি বিশাল এসব প্রকল্প। বিমানবন্দর ও পদ্মাসেতু প্রকল্প যখন হাওর বাওর বিল ও বিদেশ ঘুরে লুটপাটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছিল খুব নীরবে জন্ম নিচ্ছিল আরও একটা উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প...

দ্যা ডে আফটার

Sheikh Hasina and her family
বাংলায় একটা কথা আছে, ’অভাবে স্বভাব নষ্ট’। ৫৪ হাজার বর্গমাইল এলাকার ১৫ কোটি (নাকি ১৭?) মানুষ আমরা। অভাবটা এখানে ন্যাচারাল। স্বভাবের নিয়ামক শক্তি যদি অভাব হয় তাহলে আমাদের স্বভাব বৈধ ভাবেই নষ্ট। নষ্টের মুখায়ব দেখতে আজকাল আমাদের আর বাইরে যেতে হয়না, নষ্টই কড়া নাড়ে আমাদের দরজায়। ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক নষ্টকে আমরা বরণ করি এবং মেনে নেই জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে। নষ্টের বলি হয়ে আমরা প্রাণ হারাচ্ছি। প্রাণ হারাচ্ছি মাঠে, ঘাটে, হাটে, রাস্তায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে, সংসদ ভবনে, সীমান্তে। এক কথায় মৃত্যু আমাদের ডাল ভাত। আসল ডাল ভাতের নিশ্চয়তা জটিল হয়ে...