Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

bangladesh garments

'সাভার হতে নেয়া', যে কাহিনীর শুরু নেই, শেষ নেই

 photo 16-2_zps49024314.jpg
২০০৭ সালের কথা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে ততদিনে। বস সর্বজনাব মুরাদ জং মুজিব কোট লাগিয়ে সংসদে আসা যাওয়ার ক্লিয়ারেন্স পেয়ে গেছেন ইতিমধ্যে। তাই আর দেরি করতে রাজী ছিলেন না রানা সাহেব। ডোবার উপর কোন রকমে মাটি ভরাট করে শুরু করে দেন ১০ তলা ইমারতের কাজ। ঠিকমত পাইলিং ও কম্পাক্টিং না করে সস্তা মালামাল দিয়ে এত বড় দালানের কাজ করতে বলায় বেঁকে বসে ঠিকাদার। ক্ষমতার সোনালী হরিন ততদিনে রানাদের হাতের মুঠোয়। চাইলে ১৬ কোটির সবাইকে শায়েস্তা করার ক্ষমতা ও অধিকার রাখে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ তথা বঙ্গবন্ধু সৈনিকেরা...

পুলিশি রিমান্ড বনাম পোশাক শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যত - চাঁদের অন্য পীঠ

Future of Bangladesh Garments Industry
মোশারেফা মিশু নামটার সাথে আমরা বোধহয় কমবেশি সবাই পরিচিত। অস্থির গার্মেন্টস শিল্পে নতুন কোন হাঙ্গামা হলেই নামটা সামনে চলে আসে। যখন যে সরকার ক্ষমতায় তাদের কথা বিশ্বাস করলে আমাদের ধরে নিতে হয় বিশাল সাম্রাজ্যের পোশাক শিল্পে যে নৈরাজ্য তার অন্যতম হোতা ও যোগানদাতা এই মোশারেফা। এরশাদ আমলে এই মহিলার বিরুদ্ধে প্রচারণা এতটাই প্রবল ছিল আমি নিজেও বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছিলাম...

শিল্পখাতের নৈরাজ্য এবং এর ডাল-ভাতীয় বিশ্লেষন

Tongi Clash
দেশের গার্মেন্টস্‌ শিল্প আবারও অস্থির হয়ে উঠছে। জ্বালাও পোড়াও মিছিলে শামিল হচ্ছে নতুন নতুন কারখানা, ধ্বংসের তান্ডবে যোগ দিচ্ছে নতুন নতুন শ্রমিক। সরকার বলছে বিরোধী দলীয় ষড়যন্ত্রের কথা, মালিক পক্ষ বলছে বিদেশী চক্রান্তের কথা, বামপন্থীরা শোনাচ্ছে শ্রম শোষনের মার্ক্সীয় তত্ত্ব। সরকার হটাতে বিরোধী দল আন্দোলনের পথ খুঁজবে এমনটা বুঝতে শার্লক হোমস্‌ হওয়ার প্রয়োজন নেই, প্রতিদন্ধিতার বাজারে বিদেশীরা চক্রান্ত করবে এটা বাজার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, আর বামপন্থীরা ধ্বংস যজ্ঞে শোষনের মিনার আঁকবে এ চলে আসছে যুগ যুগ ধরে।