Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

baksal

পূণর্জন্ম হোক বাকশালের

বাকশাল নামক একদলীয় শাসন বিদায় নিয়েছে আজ প্রায় ৩৫ বছর। কিছুদিন আগ পর্যন্ত এই নামের একটা রাজনৈতিক দলও সক্রিয় ছিল দেশে। জনবিচ্ছিন্নতার কারণে টিকতে পারেনি, এবং শেষ পর্যন্ত যে জঁড়ায়ুতে জন্ম সেখানে আত্মাহুতি দিয়ে বিদায় নিয়েছে আভ্যন্তরীণ ও বর্হিবিশ্বের চাপে। কিন্তু তাই বলে বাকশাল শব্দটা কি আমাদের জাতীয় জীবন হতে মুছে ফেলা গেছে চিরতরে?

জিয়া বাকশাল সমর্থন করেছিলেন : মোজাফফর আহমেদ

ভিওবিডি নিউজ, ঢাকা থেকে

বাকশাল এবং সমসাময়িক বিশ্ব

পুজিবাদের মৃত্যু ঘোষনা দিয়ে ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লব হাজির হয়েছিল সমাজতন্ত্রের বানী নিয়ে। সম্পদের সূসম বন্টন এবং সবার জন্যে ন্যায় বিচারের প্রতিজ্ঞা নিয়ে সমাজতন্ত্রের উদয় ছিল সময়ের দাবি। এমন একটা দাবির মিছিলে সামিল হতে শুরু করেছিল ইউরোপ, এশিয়া এবং আমেরিকার অনেক দেশ। বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফাসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে সর্বহারাদের একনায়কতন্ত্রের নামে কায়েম করা হয়েছিল একদলীয় শাষনের ষ্টীমরোলার। তাতে কি সফল হয়েছিল নির্যাতিত শ্রমজীবির দল? যাদের হারানোর কিছুই ছিলনা নূন্যতম পাওয়াই ছিল তাদের জন্যে চরম পাওয়া, এ অর্থে নিশ্চয় সফল ছিল রাশিয়া এবং চীনের মত অনগ্রসর দেশগুলোর নির্যাতিত শ্রমজীবির দল। কিন্তূ শেষ পর্য্যন্ত সেই সময়ের দাবির কাছেই হার মানতে বাধ্য হয় সর্বহারাদের স্বৈরতন্ত্র। তাই বলে সভ্যতা বিকাশে সমাজতন্ত্রের অবদানকে খাটো করে দেখার কোন উপায় ছিলনা, আজকের লাগামহীন পূজিবাদকে দিক নির্দেশনা পেতে এখনও হাতড়াতে হয় সমাজতন্ত্রের উত্থান এবং পতনের কারণগুলো।