Bashundhara City

ক্ষতি ২০০ কোটি : খুলছে বসুন্ধরা সিটি
দেব দুলাল মিত্র


বসুন্ধরা সিটিতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৰয়ৰতির পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এ দাবি করেছে বসুন্ধরা গ্রম্নপ কতর্ৃপৰ। ৰতিগ্রসত্দ টাওয়ারটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পুরো টাওয়ারটি ভেঙেও ফেলতে হতে পারে। এটি পুনর্নির্মাণে দুই বছর লাগবে। ওদিকে সরকার গঠিত তদনত্দ কমিটি গতকালও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কথা বলেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে। তদনত্দ কমিটির সদস্যরা বেশ কয়েকটি কারণ সামনে নিয়ে তদনত্দকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশকিছু গরমিল তাদের নজরে পড়েছে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন সিটি টাওয়ারের সব ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বন্ধ ছিল। কিন্তু কোনো ক্যামেরাই বন্ধ থাকার কথা নয়। ওইদিন কেন তা বন্ধ ছিল তা এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকার বিষয়টি নিয়েও চিনত্দায় পড়েছে তদনত্দ কমিটি। টাওয়ারের ১৫ তলা পর্যনত্দ আগুন ছড়িয়ে পড়লেও ১৬ তলার ফ্লোরটি ৰতিগ্রসত্দ না হওয়ায় বিষয়টি অস্বাভাবিক ঠেকছে তদনত্দ কমিটির কাছে। অগি্ননির্বাপণের জন্য ওই ভবনে একটি পৃথক লিফট আছে। কিন্তু ঘটনার দিন লিফটটি বন্ধ থাকা রহস্যজনক। অগি্নকা-ের আগে কোনো দাহ্য পদার্থের অসত্দিত্ব আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দাহ্য পদার্থ না থাকলে আগুন এতো দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলা সম্ভব নয়।

গতকাল সকাল ১১টার দিকে বসুন্ধরা সিটিতে যায় তদনত্দকারী দল। বিকাল ৩টা পর্যনত্দ চলে তদনত্দকাজ। পরিদর্শন শেষে তদনত্দ কমিটির প্রধান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইকবাল খান চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, আমরা এখন আগুন লাগার রহস্য অনুসন্ধান করছি। বেশ কিছু ত্রম্নটি আমাদের নজরে এসেছে। এর মধ্যে বিদু্যতের কোনো ত্রম্নটি ছিল কি না, আগুন দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলার কারণ কী, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল_ আমরা এসব কারণ খতিয়ে দেখছি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি ৰতিগ্রসত্দ হয়েছে ১৮ তলার ফ্লোরটি। ওই ফ্লোর থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। কিন্তু কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা এখনো চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

তদনত্দ কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, সাতদিনের মধ্যেই তদনত্দ রিপোর্ট দেয়া হবে। এখানে আমাদের গোপন করার কিছু নেই। বসুন্ধরা গ্রম্নপের কর্মকর্তারা জানান, অগ্নিকান্ডের ক্ষতি পোষাতে অনেক সময় লাগবে। তবে সবার সুবিধার্থে আজ বসুন্ধরা সিটির মার্কেট সাইড খুলে দেয়া হবে। একই সঙ্গে ৰতিগ্রসত্দ ভবনের পুনর্নির্মাণও শুরম্ন করা হবে। তবে এতে মার্কেটে আসা ক্রেতা বা বিক্রেতাদের কোনো সমস্যা হবে না।

JaiJaiDin
http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=121278