Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Blogs

পেচ্ছাবের PSI

ক্ষমতার পাঁচ বছরে সাংসদ মো. আসলামুল হকের ঘোষিত সম্পত্তিই (জমি) বেড়েছে ৩৪ গুণের বেশি। একই সঙ্গে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বেড়েছে চার ধাপ। নির্বাচন কমিশনে ঢাকা-১৪ আসনের সরকারদলীয় এই সাংসদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য মিলেছে। তিনি ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া হলফনামায় বলেছেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী মাকসুদা হক ৪ একর ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ জমির মালিক। এসব জমির দাম দেখিয়েছেন ২০ লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা। আর দশম সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হলফনামায় বলেছেন, আসলামুল হক ও তাঁর স্ত্রী এখন ১৪৫ দশমিক ৬৭ একর (১৪ হাজার ৫৬৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ) জমির মালিক। জমির দাম উল্লেখ করা হয়েছে এক কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা...

নির্বাচনী হলফনামা ও চেতনার পাইকারী ব্যবসা

Corruption
পাঠক, নির্বাচনী হলফনামা বলতে প্রার্থীদের যে আমলনামা বেরিয়েছিল তা পড়তে গিয়ে আপনার কি নিজেকে একবারও ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা বলে মনে হয়নি? ওরা রাজনীতির চাক হতে চুকচুক করে মধু লুটছে আর আপনি সে লোটায় উদ্বেলিত হয়ে তালি দিচ্ছেন, একবারও কি এরকম কিছু মনে হয়নি? স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধের চেতনা, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, কাদির মোল্লা, খালেদা জিয়ার জন্মদিন, ফাঁসি - এসব কথন একবারও কি মনে হয়নি বাংলাদেশ নামক দেশটাকে নেংটা করার সিসিম ফাঁক মন্ত্র মাত্র...

ফাইটিং উইথ পাকিস্তানি ভূত

ইদানিং নতুন এক ভুত চেপেছে আমাদের কাধে । মেইড ইন পাকিস্তান ভুত। যত দিন যাচ্ছে মনে হচ্ছে এ ভুত আমাদের আঙ্গিনা পেরিয়ে গণভবন বঙ্গভবন পর্যন্ত তাড়া করছে। ছোটবেলায় কুয়াশা সিরিজের বই পড়তাম। অদ্ভুত সব দানবের ভয়ে ঢাকার রাস্তা-ঘাট শূন্য হয়ে যাওয়ার কাহিনী পড়ে শিহরিত হতাম। মনে হচ্ছে কুয়াশা সিরিজের দানব এতবছর পর পাকি ভুত হয়ে ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ৭১’এর এ ভুত আমাদের উপর ছড়ি ঘুরাবে এমনটা মেনে নেয়া মানে ঐ দেশের কাছে নিজেদের বিকিয়ে দেয়ার শামিল...

একজন বিচারপতি, একজন মন্ত্রী ও বাংলাদেশের বিচার বিচার খেলা...(রঙ্গ রসের গল্প)

Bangladesh Politics
ক্রিং ক্রিং ক্রিং ... এক নাগাড়ে বেজে চললো লাল ফোনটা। পিউবিক হেয়ার ট্রিমিংয়ে ব্যাস্ত আইন প্রতিমন্ত্রি সেদিকে চোখ ফেরানোর তাগাদা অনুভব করল না। প্রাইম মিনিষ্টারের সাথে একটু আগে কথা হয়েছ, বাকি কারও ফোন নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। তাই সময় নিয়ে প্যান্টের তলদেশের কাজটা শেষ করল...

আসাদুজ্জামান নুরের হত্যাচেষ্টা ও একজন বাকের ভাইয়ের ফাঁসি

asaduzzaman noor
যে প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি তাদের উন্মাদ বানিয়েছেন, শিরায় শিরায় পৌছে দিয়েছেন ঘৃণার বিষাক্ত বীজ। জনাব, ভুলে গিয়েছেন কি এ দেশের মানুষ কেন পাকিস্তানী সেনা শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল? আপনার মত সেবাদাসদের ক্ষমতায় পাঠিয়ে বিশেষ পরিবারের সেবা করার জন্য নয় নিশ্চয়? পাকিস্তানী সামরিক স্বৈরশাসক ও তাদের দোসর ২২ পরিবারের শোষন, নিপীড়ন হতে মুক্তি পাওয়ার জন্যই এদেশের মানুষ অস্ত্র হাতে নিয়েছিল। অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা, মাথার উপর ছাদ, স্বাভাবিক জন্ম-মৃত্যুর নিশ্চয়তার জন্য স্বাধীনতা এনেছিল। অথচ আপনার মত কৃতদাসরা আমাদের মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছেন রাজাকার নিধন আর জামাতি নিশ্চিহ্ন করার অপর নামই নাকি স্বাধীনতা...

এবার থামুন জনাবা শেখ হাসিনা

Sheikh Hasina and Awami League
চুরির বস্তা সহ বমাল গ্রেফতার হওয়া সুরঞ্জিত, বিশ্বচোর আবুল আর সন্ত্রাসের স্বঘোষিত পিতা শামীম ওসমানদের মত বেজন্মা নিকৃষ্টদের সওয়ারী বানিয়ে জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চাইছেন জারজ এক সংসদ ও তার মন্ত্রিসভা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও যুদ্ধাপরাধী বিচারের জিকির তুলে একদল দলকানা নেত্রীদাসদের বিভ্রান্ত করা গেলেও পনের কোটির সবাইকে এ পথে আনা সম্ভব হবেনা। আশাকরি প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে তার প্রমাণ পেয়ে থাকবেন...

কাদের মোল্লাঃ একটি প্রশ্ন ও উত্তর

Kader Mollah

কল্পনা করুন এমন একটা বাস্তবতাঃ কাদের মোল্লার দল জামায়েত ইসলাম বিএনপির নেত্রীত্বে ১৮ দলীয় জোটের সদস্য না হয়ে শেখ হাসিনার নেত্রীত্বে ১৪ দলের জোটভুক্ত একটি দল। এবং তারা অংশগ্রহন করছে আসন্ন নির্বাচনে। কাদের মোল্লার ভাগ্যলিপি কি এভাবেই লেখা হত? এ প্রশ্নের উত্তরের ভেতরই হয়ত লুকিয়ে আছে যুদ্ধাপরাধী বিচারের আসল রহস্য...

অন্যায়ের দাড়িপাল্লায় দুই নেত্রী ও নিরপেক্ষতার ভন্ডামি

Sheikh Hasina and Khaleda Zia
হঠাৎ করে কি হল এই মহিলার? উন্মাদনার চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে রাজনীতি নিয়ে এমন সব কথাবার্তা বলছেন যা কেবল একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগির পক্ষেই বলা সম্ভব। মা-বাবা, ভাই সহ পরিবারের সবাইকে এক সাথে হারালে যে কেউ মানসিক ভারসাম্য হারাতে পারে। মানবিক ও চিকিৎসা শাস্ত্রের বিবেচনায় এ আলামত খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে প্রশ্ন উঠবে মানসিকভাবে অসুস্থ একজনকে সরকার প্রধান করার বৈধতা নিয়ে। খালেদা জিয়ার লেখাপড়ার দৌড় উল্লেখ করার মত তেমন নয়। পাশাপাশি শেখ হাসিনার দাবি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট। গেল পাঁচ বছর রাজনীতিবিদ ও সরকার প্রধান হিসাবে এই মহিলার মুখ হতে যেসব আবর্জনা বেরিয়েছে তা কি আদৌ কোন শিক্ষিত মানুষের কথা হতে পারে?...