Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

দেশীয় ক্রিকেট, বিকেলে ভোরের গল্প।

Cricket in Bangladesh
পেশাদারী ক্রিকেটের সাথে সৌখিন ক্রিকেটের পার্থক্যটা বোধহয় কালের চক্রে চাপা পরে গেছে। আজকাল ক্রিকেট মানেই স্পনসর, ম্যাচ ফি, সরকারী বেতন-ভাতা, পন্যের বিপনণ, এক কথায় ঘাটে ঘাটে অর্থের ছড়াছড়ি। এ দৌড়ে ভারতীয়রা নতুন মাত্রা যোগ করেছে বিভিন্ন পেশাদারী লীগ চালু করে। ভদ্রলোকীয় তকমা হতে আধুনিক ক্রিকেটকে কতটা নোংরা গলিতে নামানো হয়েছে তার চমৎকার উদাহরণ আজকের পাকিস্থান। অর্থের জন্যে হেন কোন কাজ নেই যা করতে রাজী হবেনা দেশটার ক্রিকেটাররা। এ দুনিয়ার অন্যতম নবীন দেশ বাংলাদেশও এ দৌড়ে খুব যে একটা পিছিয়ে তা বলা যাবে না। পকেট সমীকরণের সমাধান খুঁজতে এ দেশের ক্রিকেটারও পা বাড়িয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বাণিজ্যে। যে কোন খেলায় এগুলোকেই বলা হয় পেশাদারিত্ব। মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে এগুলো মেনে নেয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোন পছন্দ নেই।

শুধু ক্রিকেট কেন, বলতে গেলে যে কোন স্পোর্টস এখন ভালভাবে বেচে থাকার লোভনীয় প্রফেশন। অর্থের সাথে খ্যাতি, এই দুই মিলে খেলোয়াড়দের অবস্থান এখন অনেক উঁচুতে। বাংলাদেশের ক্রিকেট কবে, কখন এবং কিভাবে পেশাদারী জগতে পা রেখেছিল তার কোন মাইলস্টোন আমাদের সামনে নেই। কিন্তু বাস্তবতা হল দেশীয় ক্রিকেটের পা হতে মাথা পর্যন্ত সবটাতেই এখন প্রফেশনালিজমের রাজত্ব। সরকারী কোষাগার হতে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে ক্রিকেট বাণিজ্যে। এ নেটওয়ার্কের সাথে জড়িত খেলোয়াড়, কোচ সহ প্রশাসনের সবাই কামিয়ে নিচ্ছে অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অংক। হালকা পাতলা চেহারার হলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের পকেটও কিন্তু কম ভারী নয়। তবে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যান্য পেশাদারদের সাথে বাংলাদেশি পেশাদারদের একটা মৌলিক পার্থক্য আছে, তা হল প্রোডাক্টিভিটি। হারের পর হার উপহার দিয়ে অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেটকে অনেকটাই নিশ্চয়তার কাতারে নিয়ে গেছে আমাদের ক্রিকেটাররা। হাজার ব্যর্থতাও কিন্তু ক্রিকেটারদের পকেট স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি করতে পারেনি। অনেকে বলবেন এটাও তো প্রেফশনালিজমের অংশ। সহমত। সরকারের ক্রিকেট বিনিয়োগে কিছুটা হলেও ফসল দিয়েছে সদ্য সমাপ্ত সিরিজ। ক্রিকেটের পরিভাষায় বলা হয় হোয়াইটওয়াশ। সোজা বাংলায় নাস্তানাবুদ। সুখের সাগরে ভাসিয়ে জাতিকে এমন এক বন্দরে নিয়ে গেছে যেখান হতে অন্য যে কোন ক্রিকেট আমাদের শুধু হতাশ করবে। অনিশ্চয়তার খেলা এই ক্রিকেট। একটা সিরিজে ভাল খেলেছে বলে আগামী সিরিজ ভাল খেলবে এর কোন নিশ্চয়তা নেই। এমন নিশ্চয়তা থাকলে ক্রিকেটের আসল মজাটাই বোধহয় নষ্ট হয়ে যেত। সদ্য সমাপ্ত সিরিজ হতে একটা উপসংহার টানলে বোধহয় অন্যায় হবেনা, উন্নতি করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। কিন্তু এক সিরিজের এ সাফল্য দিয়ে দেশীয় ক্রিকেটের ’সোনালী’ অতীত ধামাচাপা দেয়ার কোন উপায় নেই। সৌখিন খেলোয়াড়দের নিয়ে এ ধরণের একটা লেখা নিশ্চয় অপলেখা হিসাবে বিবেচিত হত। কিন্তু প্রফেশনাল খেলা আমার মত কোটি কোটি নাগরিকদের খাজনার পয়সায় লালিত, তাই এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা আমাদের জন্মগত অধিকার। ৪-০ তে সিরিজ জেতা কি এতটাই প্রাপ্তি যা ২০ জন খেলোয়াড়কে ঢাকায় একটা করে প্লট আর ১ লাখ টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করতে হবে? বিশ্বকাপ হলে না হয় একটা কথা ছিল, অলিম্পিকে পদক পেলেও না হয় মেনে নেওয়া যেত, কিন্তু একটা হোম সিরিজে মনে রাখার মত একটা সাফল্যের জন্যে এত পুরস্কার? বাংলাদেশের সরকারী খাজাঞ্জিখানা কি সম্পদের সমুদ্রে ভাসে যা হতে যখন খুশি যতটা খুশি খরচ করা যায়? ক্ষমতা হাতে পেলে আমাদের নেতা-নেত্রীরা তা পৈত্রিক সম্পত্তি ভেবে ভুল করতে ভালবাসেন। আর এই ভুলের মাশুল গুনতে হয় খেটে খাওয়া মানুষকে। আমাদের ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা অনুপস্থিত, ইংল্যান্ডকে হারায় তো আয়ারল্যান্ডের সাথে হারে, এক খেলায় ভাল খেললে পরিবর্তী ২০ খেলায় ধারাবাহিকভাবে খারপ করে। এমন একটা প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক ফলাফল নিশ্চয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। আরও ২/১টা সিরিজ পর্যন্ত কি অপেক্ষা করা যেত না পেশাদার খেলোয়াড়রদের এমন অপেশাদারি পুরস্কারে পুরস্কৃত করতে?

Comments

ক্রিকেট তারকাদের প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ

স্বাধীনতার চার দশক পরও দেশের সর্বত্র ব্যর্থতার পদধ্বনি। সব অঙ্গনে বিভেদ আর হানাহানির চোরাবালি। একমাত্র ক্রিকেটেই ব্যতিক্রম। এখানেই কেবল বিশ্বের সেরা দশের একটি বাংলাদেশ। ক্রিকেটের বিজয়নিশান-তলেই কেবল প্রশ্নহীনভাবে জড়ো হয় ১৬ কোটি বাঙালি। মেতে ওঠে উৎসবে। ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, '৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানো, ২০০৭ সালে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা-বধ কিংবা কিছুদিন আগে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করা_এমনিভাবে আর কোন ক্ষেত্রে উৎসবের রং লেগেছিল আপামর বাঙালির ঘরে ঘরে!
দেশকে এমন বিনিসুতার মালায় গাঁথেন যাঁরা, তাঁরা নিঃসন্দেহে পূজনীয়। দেশের সূর্যসন্তান। এটি ঠিক যে তাঁদের 'ক্রিকেটার' পরিচয়টাই মৌলিক ও অবিনাশী। তবে মাঠের সাফল্য দিয়ে বাউন্ডারি লাইনের বাইরেও তো সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমরা খ্যাতিমান। দেশজুড়ে তাঁদের কোটি অনুসারী। লাখো শিশু-কিশোদের হিরো তাঁরা। অটোগ্রাফের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতেও নেই বিরক্তি। এই যে দুই কূল উপচানো আবেগ, এর বিনিময়ে ক্রিকেটাররা জাতিকে কী ফিরিয়ে দেন? মাঠের গণ্ডি পেরিয়ে বাউন্ডারি লাইনের বাইরের দায়িত্ব কতটা পালন করেন তাঁরা? আসুন, কয়েকটি ঘটনায় চোখ বোলাই। তা হলেই দেখবেন মাথায় আসবে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নটি।
এমন নয় যে জাতীয় দলের সব ক্রিকেটারই এমন। বেশির ভাগেরই বরং মাটিতে পা আছে। দম্ভের প্রকাশে আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছেন কেবল কয়েকজন। এটি ঠিক, সাকিব-তামিমদের এখন তুখোড় ফর্ম। তাতেই ধরাকে সরা জ্ঞান করবেন! প্রত্যেকেরই 'দিন' থাকে, কিন্তু কারো তো আর 'চিরদিন' থাকে না। এ আপ্তবাক্যটি সাকিব-তামিমরা ভুলে যান কী করে! আততায়ী সময় একদিন যখন কেড়ে নেবে ফর্ম, তখন? এ সমর্থক, এ দর্শক, এ কোচ, এ মিডিয়া যদি পাশে না থাকে_তাহলে সেই দুঃসময়ের সাগর কিভাবে পেরোবেন তাঁরা! নিজেকে বড় ভাবার এ ভ্যাপসা দুর্গন্ধটা মনের কোণ থেকে দূর করতে না পারলে সত্যিকারের বড় হবেন কিভাবে!
বাউন্ডারির ভেতর তামিম-সাকিবদের যে কীর্তি, তাতেই কি বেড়ে যাচ্ছে না বাউন্ডারি লাইনের বাইরে তাঁদের দায়িত্ব!

ঘটনা ১
স্কুলপড়ুয়া কয়েকজন শিশু-কিশোর নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে মাঠ পর্যন্ত যেতে পারেনি। স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় ছিল কখন ক্রিকেটাররা বেরোবেন। স্বপ্নের নায়ক সাকিব বের হতেই তাঁর সামনে বাড়িয়ে দেওয়া হলো খাতা-কলম। একটা অটোগ্রাফ চাই। সাকিব করলেন কী! হাত দিয়ে উত্তরপ্রজন্মকে ঠেলে সরিয়ে উঠে গেলেন গাড়িতে। কোনো কথা না বলেই গেলেন চলে।
প্রশ্ন
ব্যাটে-বলে দারুণ করেই বিশ্বসেরা সাকিব। কিন্তু ভাবুন, তিনি মাঠের ক্রিকেটে দুর্দান্ত দাপট দেখিয়ে চলেছেন, কিন্তু গ্যালারি শূন্য। কোনো দর্শক-সমর্থক-অনুসারী নেই। তাহলে আর সাকিবের সঙ্গে সাধারণ আর দশজনের পার্থক্য কী? অটোগ্রাফের খাতা কি ফিরিয়ে দিতে পারে কেউ?

ঘটনা ২
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ইনজুরড তামিমের ড্রেসিং রুমে প্রবেশাধিকারের জন্য অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের আবদার। সেটি পেতে দেরি হওয়ায় বিসিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হম্বিতম্বি। এ সংবাদ করার জন্য কালের কণ্ঠ তামিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে হুমকির সুরে তাঁর সাফ কথা, 'এ সংবাদ ছাপাবেন না। তাহলে কিন্তু আপনাদের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক থাকবে না।'
প্রশ্ন
ঘটনার সংবাদমূল্য বুঝেই সেটি প্রকাশ করেছে কালের কণ্ঠ। আর তামিমও এরপর কালের কণ্ঠের কোনো সাংবাদিকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক কোনো কথাই বলেননি। তাহলে কি কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে ক্রিকেটারদের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক?

ঘটনা ৩
অনেক দিন রানে নেই মোহাম্মদ আশরাফুল। ফর্মে ফেরার জন্য অনুশীলন করছিলেন পুরো মাত্রায়। জাতীয় দলের এমনই এক প্র্যাকটিস দেখতে আসা এক সমর্থক করে বসলেন তাঁর প্রতি কটূক্তি। আশরাফুল কি ছেড়ে দেওয়ার পাত্র! বেশ খানিকটা দৌড়ে গিয়ে এই ব্যাটসম্যান একবারে চড় মেরে বসলেন ওই ক্রিকেট-সমর্থককে!
প্রশ্ন
এটি ঠিক যে সেলিব্রেটিরাও মানুষ। তাঁদেরও রাগ-ক্ষোভ-দুঃখ থাকে। আর সে অনুযায়ী নিজ মহলে প্রতিক্রিয়া তাঁরা দেখাতে পারেন ঠিক। কিন্তু সাধারণ লোকের মতো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া কি দেখানো যায়? কোন পরিস্থিতিতেই কি একজন সমর্থককে প্রকাশ্যে চড় মারা যায়?

ঘটনা ৪
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের জন্য প্র্যাকটিস চলছে। সেখানে এক টিভি সাংবাদিকের সঙ্গে সাকিবের কথোপকথন।
: আপনি কি মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করেছেন?
- হ্যাঁ।
: নতুন নম্বরটা দিন না প্লিজ!
- না, দেওয়া যাবে না।
পেশাদার সাংবাদিকের প্রতি তীব্র অপমান ছুড়ে দিয়ে গটগট করে হেঁটে চলে গেলেন সাকিব।
প্রশ্ন
পেশাগত কারণেই ক্রিকেটারদের ফোন নম্বর প্রয়োজন সাংবাদিকদের। কোনো গালগপ্পোর জন্য তো আর মোবাইল নম্বর চাননি ওই সাংবাদিক। তার পরও ব্যক্তিগত নম্বর দিতে আপত্তি থাকতে পারে ক্রিকেটারদের। কিন্তু সেটি তো ভালোভাবে বলা যায়, নাকি?

ঘটনা ৫
জাতীয় দলের সাবেক পেসার মিজানুর রহমান বাবুল। এ বছরের ইংল্যান্ড সফর ও এশিয়া কাপে জাতীয় দলের বোলিং কোচ ছিলেন। তখন মিরপুরের ইনডোরে তামিম ইকবালকে কী একটা বোঝাতে গিয়েছিলেন। 'আমাকে বোঝাতে আসবেন না। জাতীয় দলে কী...(ছাপার অযোগ্য শব্দ) খেলেছেন, জানি না?'_তামিমের শ্লেষাত্মক বক্রোক্তি। হতভম্ব, বিমূঢ় বাবুল আর কী বলবেন!
প্রশ্ন
একে তিনি তামিমের কোচ। তার ওপর সাবেক ক্রিকেটার। না হয় তামিমরা এখন বিশ্বমঞ্চের ক্রিকেটার। কিন্তু পূর্ব-প্রজন্মে এ বাবুলরাই তো সেই প্লাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছিলেন। তেমন একজন সাবেক ক্রিকেটার এবং বর্তমান কোচকে কি এমনভাবে বলতে পারেন তামিম?

ঘটনা ৬
ব্লুমফন্টেইন টেস্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যথারীতি অসহায় আত্মসমর্পণের পথে বাংলাদেশ। আরেকটি উইকেট পতনে ড্রেসিং রুম থেকে ক্রিজের দিকে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম। গ্যালারির মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় কানে উড়ে গেল প্রবাসী এক বাংলাদেশি সমর্থকের প্রত্যাশা, 'মুশফিক ভাই, ফাটিয়ে দিতে হবে কিন্তু।' জবাব?
-'তুই মাঠে গিয়ে ব্যাটিং কর।'
প্রশ্ন
দেশ থেকে কত দূরে বাস করেন ওই বাঙালিরা! ক্রিকেট দলের সফর মানে প্রবাসীদের কাছে এক খণ্ড দেশ ফিরে পাওয়ার মতো। সেই দেশের পতাকা ওপর থেকে আরো ওপরে উঠবে_এ প্রত্যাশা তো তাঁরা করতেই পারেন। তার প্রতিদান এভাবে দেবেন ক্রিকেটাররা?

ঘটনা ৭
কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচ। সাইট-স্ক্রিনের পাশে এক বেখেয়ালি দর্শক। তাঁর মনোযোগ আকর্ষণ করতে চেষ্টা করছিলেন সবাই। কিছুতেই কিছু না হওয়ায় ব্যাট হাতে তেড়ে গেলেন সাকিব। ক্রিজ থেকে একবারে বাউন্ডারি লাইনের বাইরে পর্যন্ত। স্যাটেলাইটের কল্যাণে সেই দৃশ্য দেখল গোলার্ধের নানা প্রান্তে থাকা গ্রহবাসী।
প্রশ্ন
ম্যাচ শেষে সাকিব বলেছেন বটে, তিনি মারার জন্য যাননি। দর্শককে সরানোর জন্যই তাঁর ওই চেষ্টা। কিন্তু টিভিতে দেখা দর্শকদের কাছে সেটি কি বিশ্বাসযোগ্য? জাতীয় দলের অধিনায়কের এমনিভাবে তেড়ে যাবার আচরণ সবাই দেখায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি গেল কোথায়?

ঘটনা ৮
চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাবেন তামিম। অধিনায়ক নন বলে ইকোনমি ক্লাসেই তাঁর বিমানভ্রমণের রীতি। কিন্তু দাবি করে বসলেন বিজনেস ক্লাসে যাওয়ার। ভিসা ফর্ম ছিঁড়ে ছুড়ে ফেললেন বিসিবি কর্মকর্তার সামনে। আর তামিম বিষয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করলেই বিসিবির এক পরিচালকের সাফ কথা, 'ও একটা বেয়াদব। আপাদমস্তক বেয়াদব।'
প্রশ্ন
ক্রিকেটের নীতি-নির্ধারকদের কাছেই ক্রিকেটারদের এমন ভাবমূর্তি! ভক্ত-সমর্থক তথা আপামর দেশবাসীর সঙ্গে তাদের আচরণ তাহলে কেমন হতে পারে, বুঝুন! আর বিসিবির চাকুরেদের সঙ্গে বারবার তামিমের অমন ব্যবহার কি সমর্থনযোগ্য?
http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Economics&p...

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla