Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Body Of Evidence... Money & Sex, BD Style!

Bd Style
গল্প আমাকে দিয়ে হয়না। সে প্রতিভা আমার নেই। তবে যা নিয়ে লিখতে যাচ্ছি তাতে এমন কিছু আছে, যা গল্পের মতই। কাহিনীর শুরু বেশ কবছর আগে। বসন্তের শুরুতে সে বছর দুমাসের জন্য দেশে গেছি। জীবন হতে সিডনি পর্ব চুকিয়ে মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমানোর প্রস্তুতি পাকা করার জন্যই এ যাত্রা। প্রতিবারের মত এবারও বাড়ির কাউকে জানাইনি আমি আসছি। মা'কে সারপ্রাইজ দেয়া আমার জন্য নতুন কিছু নয়। মা'র চোখের পানি আর হঠাৎ দেখা পাওয়া সুখের বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারের কাছে প্রতিবারই হার মানে এয়ারপোর্টের গতানুগতিক অভ্যর্থনা। তাই এবারও এর ব্যতিক্রম হলোনা। বন্ধু রোমেলই এয়ারপোর্টে এসে আমাকে নিয়ে গেল। প্রতিবারই তাই হয়। এয়ারপোর্টে নেমে বন্ধুকে ফোন করলে সে নিজে আসে। গুলশান হতে সে দূরত্ব তেমন কিছু নয়, তাই আগ বাড়িয়ে অপেক্ষা করার ঝামেলা পোহাতে দেই না। আমাদের বন্ধুত্ব অনেক দিনের। শেকড় টানলে তা চলে যাবে আশির দশকের লন্ডনে। ওখানেই পরিচয়।

বছরের এ সময়টায় প্রকৃতিতে পরিবর্তন আসলেও আলো বাতাসে পরিবর্তন আসেনা বাংলাদেশে। বরাবরের মত বাতাস ভারী ও দুষিত। এ নিয়ে আলোচনা জমে উঠার আগে বন্ধু বোমা ফাটাল। গুলশানে যাচ্ছিনা আমারা। আমার জন্য সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে। তবে তা স্ত্রী সন্তান নিয়ে গুলশানস্থ বাসায় নয়। গাড়ি থামল নিকেতনের বহুতল একটা ভবনের সামনে। লোপ্পা মার্কা দারোয়ান দরজা খুলে দিতে অবাক হলাম ঢাকার এ দিকটার উন্নতি দেখে। লিফটে চড়ে নয়-তলায় পর্যন্ত স্থায়ী হল আমাদের যাত্রা। চারদিকে সুনসান নীরবতা। কলিং-বেল টিপে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা শেষে ও প্রান্ত হতে দরজা খোলার আওয়াজ পাওয়া গেল। অপূর্ব সুন্দরী এক নারী! ক্রিম কালার জর্জেট শাড়ির সাথে ম্যাচ করানো রূপার গয়না। গল্পের কোন নায়িকার বর্ণনা করলেও বুঝানো যাবেনা তার দ্যুতি। বয়সের তুলনায় আমার বন্ধু অস্বাভাবিক ধনী। পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত গুলশানের সম্পত্তি ছাড়াও শিল্পকারখানা, শপিং মল, জাহাজ ব্যবসা, সিমেন্ট ব্যবসা, সহ হরেক রকম ব্যবসার সাথে জড়িত। ড্রইংরুমের প্রতি ইঞ্চিতে প্রাচুর্য ও ঐশ্বর্যের ছড়াছড়ি। কিন্তু এসবে আমার মন ছিলনা। রহস্য হয়ে সামনে দাঁড়ালো লাস্যময়ী এক নারীর উপস্থিতি। কে সে? আমার বন্ধুর সাথেই বা কি সম্পর্ক!

ধীরে ধীরে উন্মোচিত হল সে রহস্য। আসলে রহস্যের কিছু ছিলনা। বন্ধু আমার নতুন একটা বিয়ে করেছে। কোন পশু পাখি পর্যন্ত জানেনা এ তথ্য। খুব গোপনে নিকুঞ্জের এ বাসায় রেখেছে স্ত্রীকে। বড় ধরণের শক পেলেও আমি অবাক হইনি বন্ধুর এহেন কর্মে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তার জন্য ছিল ডালভাত। কিন্তু সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে এতটা বোকামি করবে তা ভাবতে পারিনি। কোন অযাচিত প্রশ্ন না করেই যেনে নিলাম সম্পর্কের ইতিবৃত্ত। বন্ধুর ভাষায়, ভালবাসা! সেকেন্ডের জন্যও আমি তা বিশ্বাস করিনি। নিজকে নিকিতা হিসাবে পরিচয় দিল সে মহিলা। একদিনের মধ্যেই আপনি হতে তুমি, তুমি হতে তুই...কোথায় কি যেন একটা মিস করছি ভেবে ভেতরে খুবই অশ্বস্তি ফিল করতে শুরু করলাম। কারও ব্যক্তিগত পছন্দ নিয়ে নাক গলানো আমার অভ্যাস নয়। কিন্তু এ যাত্রায় এ অভ্যাস কাজে আসবে বলে মনে হলোনা। প্রায় ফুল-টাইম অতিথি হয়ে একমাস কাটিয়ে দিলাম বন্ধুর রহস্যপুরীতে।

বিয়ে বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। দুবছরের মাথায় বন্ধু আবিষ্কার করলো তারই এক বন্ধুর সাথে রোমান্টিক সম্পর্ক রয়েছে নিকিতার। দুজনের বিচ্ছিন্ন জীবনের এক পর্যায়ে আমি দেশে গেলাম। গুলশানের এক রেস্টুরেন্টে তিনজন একত্র হলাম। কথার বয়স মাত্র পাঁচ মিনিট। বন্ধু পায়ের জুতা খুলে শতাধিক গ্রাহকের সামনে বেধড়ক পেটাতে শুরু করলো তার বিবাহ বিচ্ছেদ প্রার্থী দ্বিতীয় স্ত্রীকে। কোন স্বামী তার স্ত্রীকে পাবলিক প্লেসে এভাবে পেটাতে পারে আমার জন্য তা ছিল অকল্পনীয়। ভেবেছিলাম হয়ত পুলিশ আসবে। জেল-হাজত হবে। কিছুই হলোনা। বরং ডিনার শেষ হাসি মুখে বিদায় জানিয়ে চলে গেলে। এবং যাবার সময় খুব গোপনে ফোন নাম্বারটা ধরিয়ে দিল হাতে। ছয় মাসের মাথায় ডিভোর্স হয়ে গেল তাদের। বন্ধু তার সদ্য ক্রয় করা ৫৬ লাখ টাকার ফ্ল্যাট লিখে দিয়ে পরিত্রাণ পেল নিকিতার হাত হতে।

বন্ধু পরিত্রাণ পেলেও আমি কিন্তু পেলামনা। তিন মাসের মাথায় শুরু হল তার আনাগোনা। ফোন করে জেনে নিল আমি অবিবাহিত এবং স্থায়ী কোন গার্লফ্রেণ্ড নেই। ভূমিকা ও ভণিতা না করে সরাসরি প্রস্তাব দিল, টিকেট পাঠালে বছরে ৩/৪ মাস আমার সাথে সংসার করে যাবে। মোটেও অবাক হইনি তার প্রস্তাবে। কিছুটা আন্দাজ আগেই করেছিলাম। এবার নিশ্চিত হলাম, সাধারণ কোন মেয়ে নয় এই নিকিতা।

রহস্য উন্মোচনে ঢাকাস্থ কতিপয় হাই-প্রোফাইল বন্ধুর সাহায্য নিলাম। নিকিতা তার আসল নাম নয়। আসল নাম রাশেদা আক্তার। ডাক নাম পারুল। ঢাকার শ্যাওড়া পাড়ার খুবই দরিদ্র পরিবারের জন্ম ও বেড়ে উঠা। শুরুটা গুলশানের জনৈক ব্যাংক ম্যানেজারকে দিয়ে। একই কায়দায় গোপনে বিয়ে করে মাস ছয়েক রক্ষিতার মত বসবাস করেছিল। ম্যানেজারকে ব্ল্যাক-মেইল করে তার ধনী গ্রাহকদের ফোন নাম্বার যোগাড় করতো। তারপর শুরু করতো নতুন অধ্যায়। আমার বন্ধুকেও এভাবে শিকার করেছে। নতুন বসন্তের নতুন এক সন্ধ্যায় পারুলকে ফোন দিলাম। পারুল নামেই ডাকলাম এবং কিছু ডলার পাঠিয়ে সাহায্য করা যায় কিনা জানতে চাইলাম। শ্যওড়া পাড়ার তাবৎ ময়লা আবর্জনা বেরিয়ে এলো তার মুখ হতে।

এবারের লাস ভেগাস ভ্রমণটা ছিল মূলত ছেলেমেয়েকে নিয়ে সুইমিং পুলে কাটানোর জন্য। প্রায় ৪৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় রাস্তায় বের হওয়া ছিল নিতান্তই বোকামি। রোববার সকাল ৯টার ভেতর সপরিবারে নেমে গেলাম বিশাল পুলটায়। চারদিকে যৌবনের ছড়াছড়ি। প্রায় উলঙ্গ মহিলারা আলো ছড়াচ্ছে পুলের চতুর্দিকে। খুব ভাল করে তাকালে মনে হবে খোদ ঈশ্বর নিজ হাতে তৈরি করেছেন তাদের। কিন্তু সবাইকে সৃষ্টি করার সময় যে ঈশ্বরের হাতে নেই তা বুঝতে সময় লাগলো না। স্থূল ও খর্বাকৃতির একজন শরীরের সাথে খুবই বেমানান সংক্ষিপ্ত পোশাক পড়ে শুয়ে আছে পুলের টেবিলে। চোখে পাহাড় সমান একজোড়া সানগ্লাস। নিকিতা! আমাদের পারুল! খাঁটি বাংলায় সালাম দিতে ককিয়ে উঠলো পুল সুন্দরী। 'মাই নেইম ইজ ক্রিস্টিনা, এন্ড নেভার হার্ড এবাউট সামওয়ান নেইম পারুল, সরি! টাসকি খেয়ে তাকিয়ে রইলাম পাশের জনের দিকে। ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউর জনৈক নামকরা অফিসার। এবং বিশ্বচোর। হঠাৎ করে মনে পড়ে গেল অনেকদিন আগে দেখা একটা হলিউড মুভির কথা। বডি অব এভিডেন্স! গায়িকা ম্যাডোনা অভিনীত এ মুভিটার সারমর্মও ছিল অনেকটা একইরকম। হাসপাতাল হতে মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধদের তালিকা সংগ্রহ করে তাদের শরীর দিয়ে ভুলিয়ে বিয়ের টেবিল পর্যন্ত নিয়ে যেত। তারপর বিছানায় উত্তেজিত করে পাঠিয়ে দিত না ফেরার দেশে। বাকি সবটাই উত্তরাধিকার সূত্রে ধন-সম্পদ ও প্রাচুর্য পাওয়ার পর্ব। বলাই বাহুল্য, মুটিয়ে গেছে আমাদের পারুল। যৌবনও চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশে।

Comments

ছাত্রলীগের মিছিলে-মিটিংয়ে

ছাত্রলীগের মিছিলে-মিটিংয়ে মাঝে মাঝে তার দেখা মিলতো। নিছকই এক কর্মী হিসেবে। সেই কর্মী হঠাৎ-ই নেতা বনে গেলো। একটি গণধোলাইয়ের ঘটনা তাকে খুলে দিয়েছিল নেতা হওয়ার সে দুয়ার। দিনটি ছিল ২০১২ সালের ১৭ই জানুয়ারি। স্কুলছাত্রী খাদিজা আক্তারকে উত্ত্যক্ত করতে গিয়ে যে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছিলেন, তাকেই তিনি শিবিরের আক্রমণ হিসেবে প্রচার করেন। তারপর থেকেই উত্থানের শুরু বদরুল আলমের। শুরুতেই তাকে কাছে টেনে নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেন শাবি ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ। বদরুলের বাড়ি সুনামগঞ্জে, পার্থের বাড়িও একই জেলায়। তাই বদরুলের প্রতি তার আলাদা টান ছিলা সে টানের কারণেই শাবি ছাত্রলীগের কমিটিতে সহ-সম্পাদক হিসেবে জায়গা হয় বদরুলের। ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় পাওয়ার পর জীবন যেন পাল্টাতে শুরু করে বদরুলের। পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই চাকরিও মিলে যায় তার।
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মনিরগাতি মনিপুর গ্রামের মৃত সাঈদ আহমদের ছেলে বদরুল আলম। সংসারে তার আরো ৩ ভাই এক বোন। মাও আছেন। বড় ভাই ছাতকের ধারণ বাজারে টেইলার হিসেবে কাজ করেন। দিনমজুর বাবার স্বপ্ন ছিল বদরুলকে ঘিরেই। ছেলেবেলা থেকেই কিছুটা উচ্ছৃঙ্খল হলেও পড়ালেখায় বরাবরই মেধাবী ছিল বদরুল। মনিরগতি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাঠশালার পাঠশেষে মনিরগাতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে। এইচএসসি পাস করে ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ আবদুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ থেকে। তারপর সুযোগ পেয়ে যায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) ভর্তি হওয়ার। বাবার স্বপ্ন যেন পথ খুঁজে পায়।
শাবি ছাত্র থাকাকালীন সময়েই আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা সিলেট শহরতলির আউশা গ্রামের প্রবাসী মাসুক মিয়ার বাড়িতে লজিং নেয় বদরুল আলম। মাসুক মিয়ার কিশোরী মেয়ে খাদিজা আক্তার নার্গিসকে ভালো লেগে যায় বদরুলের। প্রেমের প্রস্তাব দেয় বারবার, প্রত্যাখ্যাতও হয়। এক পর্যায়ে খাদিজা পরিবারের অন্যদের বিষয়টি জানালে বদরুলের লজিংয়ের পাঠ উবে যায় মাসুক মিয়ার বাড়ি থেকে। এরপরও দমে যাননি বদরুল। খাদিজা তখন হাজি সফির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। প্রতিদিনই স্কুলের পথে দাঁড়িয়ে থাকে বদরুল। উত্ত্যক্ত করে খাদিজাকে। বিষয়টি স্থানীয় অনেকেরই চোখে পড়ে। ২০১২ সালের ১৭ই জানুয়ারি তারা ধরে গণধোলাই দেন বদরুল আলমকে। সে গল্পটি অন্যভাবে সাজায় বদরুল আলম।
শাবিতে ছাত্রলীগের সঙ্গে তখন ছাত্রশিবিরের বিরোধ চরমে। মাত্র ৬ দিন আগে ১১ই জানুয়ারি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শিবিরের সঙ্গে বিরোধের জেরে আবাসিক হলগুলোতে তাণ্ডব চালিয়েছেন। এই ঘটনাই বদরুলকে নতুন গল্প তৈরির সুযোগ করে দেয়। তাকে দেয়া গণধোলাইকে শিবিরের হামলা হিসেবে চালিয়ে দেয় বদরুল। গণধোলাইয়ের পরদিন বদরুল তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শিবির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে জালালাবাদ থানায়। রাতারাতি ছাত্রলীগ নেতা বনে যায় সে। তাকে অনুসারী হিসেবে কাছে টেনে নেন শাবি ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ। পার্থের আশীর্বাদধন্য হওয়ায় পরবর্তীতে ছাত্রলীগের কমিটিতে জায়গা হয় বদরুলের। চলতি বছরের মে মাসে ঘোষিত ছাত্রলীগের কমিটিতে বদরুল ১ নম্বর সহ-সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার পর দাপট বাড়ে বদরুলের। পড়াশোনা শেষ করার আগেই ছাতকের আয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে চাকরি জুটে যায় বদরুলের।
সে বদরুল আলমই এখন সিলেটসহ সারাদেশে আলোচিত এক নাম। তার বদ ‘রোলে’র কারণে। যাকে ভালোবাসতো সেই খাদিজা আক্তারকে গত সোমবার এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে বদরুল। খাদিজা এখন ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। ঘটনার পরপরই ছাত্র-জনতা বদরুলকে ধরে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে তুলে দেয়। বুধবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বদরুল স্বীকার করেছে প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়েই সে হামলা করেছে খাদিজার ওপর। এরপরই বদরুলের অপর নাম হয়ে ওঠে অমানুষ। সিলেটবাসীর কাছে এক ঘৃণার পাত্র। ওদিকে গণধোলাই খেয়ে নেতা বনে যাওয়া বদরুলকে আরো এক গণধোলাই খাওয়ার পর নেতা বলে অস্বীকার করছে শাবি ছাত্রলীগ। বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে তারা জানিয়ে দিয়েছেন বদরুল তাদের কেউ না। ওই ঘটনার পর আয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চাকরিও চলে যায় বদরুলের।
http://www.amadersylhet.com/news/18210

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla