Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

৭১'এর দেনা, মূল্য ২০০ ভরি মাত্র!

Sheikh Family
দেওয়ার ভেতর নাকি এক ধরণের আনন্দ আছে। কথাটা বহুবার শুনেছি গুরুজনদের মুখে, বিশেষকরে ছোটবেলায়। সময় ও বাস্তবতা হয়ত অনেককিছুই বদলে দিয়েছে। দেওয়া নয়, আজকাল নেওয়াটাই শক্ত আসন করে নিয়েছে আমাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কৃতিতে। জাতি হিসাবে আমাদের আজকের যে অবস্থান তার সবটাই আবর্তিত হচ্ছে নেওয়ার ভেতর। ব্যবসায়ী নিচ্ছে জনগণের পকেট হতে, রাজনীতিবিদ আর আমলারা নিচ্ছে সরকারের পকেট হতে, বিচারক কাটছেন আসামীর পকেট, আসামী কাটছে জনগণের পকেট। একই চক্রে জড়িয়ে যাচ্ছে প্রায় গোটা জনগণ। আজকাল প্রেম ভালবাসায়ও রাজত্ব করছে কেবল নেওয়া। কোচিংয়ের নামে শুধু অর্থ হাতড়িয়ে সন্তুষ্ট থাকছে না পরিমল ধরের দল, এর বাইরেও হাত বাড়াচ্ছে নিষিদ্ধ সীমানায়। গোটা জাতি যখন এই নেওয়ার মহামারিতে আক্রান্ত তখন ১৭ কোটি মানুষের সামনে উদাহরণ স্থাপন করলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। নেওয়ার পৃথিবীতে বাস করেও কি করে দেওয়া যায় এক অর্থে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করতে যাচ্ছেন তিনি।

দেয়ার শুরুটা সোনিয়া গান্ধিকে দিয়ে। ২০০ ভরি সোনা দিয়ে পরিশোধ করলেন ৭১’এর ঋণ। বর্তমান বাজার দরে এর মূল্য হবে প্রায় ১ কোটি টাকা। বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার যে নতুন পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে তার দাড়িপাল্লায় দাঁড় করালে এর মূল্য কি হবে তা নির্ণয় করতে আমাদের হয়ত কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। ডাইনাসোর অর্থনীতির দেশ ভারতের অলিখিত প্রধান ইতালিয়ান নাগরিক সোনিয়া গান্ধি ২০০ ভরি সোনা অথবা ১ কোটি টাকা নিয়ে খুব একটা উচ্ছসিত অথবা বিচলিত হবেন ভাবার কোন কারণ নেই। এই দেওয়ার ভেতর উচ্ছাস বলতে যা ছিল তার সবটাই ছিল আমাদের। সোনিয়া গান্ধি হাসলেন, ধন্যবাদ জানালেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন মৃতা শাশুড়িকে সন্মান জানানোর জন্যে। একজন প্রফেশনাল রাজনীতিবিদের যতটা করা যৌক্তিক তার সবটাই করলেন ভারত নেত্রী। এ বিবেচনায় আমাদের নেত্রী ও তার মন্ত্রিপরিষদের মহিলা মন্ত্রীদের ভুবনজোড়া হাসি আর বিশ্ব কাঁপানো উচ্ছাস নতুন করে প্রমান করেছে কেবল নেওয়া নয়, দেওয়ার ভেতরও সুখ লুকিয়ে থাকে। আর এ সুখ প্রকাশের জন্যে চাই একটা উপলক্ষ। ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার ছিল তেমনি একটা উপলক্ষ। অবশ্য মন্দ লোকের ধারণা শাশুড়িকে নয় বরং গেল নির্বাচনে ক্ষমতায় বসানোর মূল্য পরিশোধ করেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।

বোধহয় দেওয়ার কোন মন্ত্র দিয়ে গেছেন সোনিয়া গান্ধি। তা না হলে এই নেত্রীর বিদায়ের পর আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার কেন দেওয়ার প্রতিযোগীতায় নামবেন। প্রতিযোগিতাটা অবশ্য নিজের সাথে নিজের মধ্যেই সীমিত রেখেছেন তিনি। প্রথম ঘোষনা এলো অনুপ চাটিয়াকে দেয়ার। আসামের উলফা নেতা অনুপ চাটিয়া অনেকদিন ধরেই আমাদের হাতে বন্দী। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে নয়,ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে উপহার দেয়া হচ্ছে অনুপ চাটিয়াকে। এ যেন রাজার পদতলে প্রজা বলি দেয়ার সামন্তযুগীয় আচার! সাথে আরও দেয়া হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, দেশের নড়বড়ে রাস্তাঘাট, জরাজীর্ণ রেললাইন সহ ক্ষয়িষ্ণু অবকাঠামোর অনেককিছু। বিনিমিয়ে কোন কিছু দাবি করা হবে বেহায়াপনা, এমনটাই ঘোষনা দিয়েছেন সরকারের জনৈক মন্ত্রী।

এখানেই থেমে থাকেননি চ্যাম্পিয়ন দেশপ্রেমিক নেত্রী। আজকের পত্রিকায় আরও কিছু দেওয়ার ঘোষনা এসেছে।
ভারতকে বাংলাদেশের ২৬১ একর জমি দিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা আসার আগেই বাংলাদেশের তামাবিল, নলজুড়ি ও লিঙ্কহাট সীমান্তের ২৬১ একর জমি ভারতের হাতে তুলে দেয়ার প্রক্রিয়া সমাপ্ত করবে বাংলাদেশ সরকার। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকাও জানিয়েছে এ খবর।

ফেলানী রক্তের সবটাই কি শুকিয়ে গেছে? নাকি কাঁটাতারে সীমান্তে এখনো ঝুলে আছে তার পরিধেয় বস্ত্র আর সাথে শুকিয়ে যাওয়া দুএক ফোটা রক্ত? বাংলাদেশিদের জীবন নিয়ে হোলিখেলায় অভ্যস্ত বেনিয়া ভারতীয়দের খাতিরযত্ন আর সেবাদাসত্ব করার যে উলঙ্গ সাংস্কৃতি চালু করছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার আসল উদ্দেশ্য কি কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যাবে নীচের খবরটায়ঃ

ভারতীয় অর্থ এবং পরামর্শে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ফুটতে শুরু করে। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্ট সম্প্রতি প্রকাশ করেছে এ ধরণের একটি প্রতিবেদন। http://www.economist.com/blogs/banyan/2011/08/bangladesh-looks-back

দুটি প্রতিবেশি দেশের সম্পর্ক কতটা অসম ও অনৈতিকতার উপর দাড়াতে পারে তার লজ্জাজনক উদাহরণ স্থাপন করতে যাচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। এবং তার সবটাই করছেন মুক্তিযুদ্ধের নামে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে কজন ভারতীয় মনেপ্রাণে স্বীকার করে জানা আছে কি ভারতপ্রেমী প্রধানমন্ত্রীর? ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দেনা শোধ করার থাকলে প্রধানমন্ত্রীর উচিৎ হবে নিজের পকেট হতে দাসত্বের মূল্য শোধ করা। বিলিয়ন ডলার বানিজ্য ঘাটতি, ফারাক্কা অভিশাপ আর সীমান্তে ফেলানিদের লাশ রেখে প্রতিবেশীর দেনা শোধ করার মত তেমন কিছু নেই আমাদের। ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ার দেনা শোধ যদি বাকি থাকে তাহলে বলব, কাড়ি কাড়ি অর্থ দিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ই তা শোধ করে দিয়েছে সেই ৭১ সালে।

Comments

সাময়িকঃ

সংশোধিত

ইকোনমিষ্টের প্রতিবেদন, সৌজন্যে দৈনিক আমাদের সময়

প্রতিবেদনটি ভাষান্তর করেছেন তুহিন তৌহিদ

বাইরের লোকদের খুব একটা জানানো হয়নি, দুই প্রতিবেশীর মধ্যে দীর্ঘ-স্থায়ী বন্ধন রচিত হলোÑ যারা সুদীর্ঘ সীমান্তের মধ্য দিয়ে একে অন্যের নিকটে আছে, ভবিষ্যতে আরো সম্পর্কন্নোয়নের শপথ নিয়েছে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ভারতের অর্থ ও পরামর্শ দ্বারা উপকৃত হয়ে নির্বাচনে বিজয় লাভ করে। এতে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে। ভারতের খুশির জন্য বাংলাদেশ পাকিস্তানের অথবা ভারতের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ভারতীয় মুজাহিদিনসহ বিভিন্ন ভারতবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। ভারত এতে অধিকতর নিরাপত্তা বোধ করছে।

বর্তমানে যে পরিবারগুলো দেশদুটির শাসনে রয়েছে তারা নিজেদের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্ক ঝালাই দিচ্ছে। জুলাইয়ে ২৫ তারিখ সোনিয়া গান্ধি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রথমবারের মতো যান। একই সোফায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (বেশ আগে থেকে পারিবারিকভাবে বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ) সঙ্গে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে। ভারতের ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের প্রধান শেখ হাসিনার আতিথ্যের প্রশংসাও করেন, বিশেষত দারিদ্রদের সহযোগিতার বিষয়ে প্রশংসা করেন। প্রতিদানস্বরূপ শেখ হাসিনা তার হাতে তুলে দেন সোনার থালা, তার শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধিকে সম্মান জানিয়ে একটি পুরস্কার। পাকিস্তানের বর্বরোচিত শাসনের বিরুদ্ধে হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সংগ্রামে সহযোগিতা করতে ১৯৭১ সালে ইন্দিরা বাংলাদেশে সেনা পাঠিয়েছিলেন।

ফলে এ সপ্তাহে কর্মকর্তাদের মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে, এই সম্পর্ক ‘খুবই চমৎকার’। সে কারণে সম্পর্ককে আরো উন্নত করা উচিত। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাদেশ সফরে যাবেন কয়েকটি স্পর্শকাতর বিষয়ের সমাধান করতে। বিষয়গুলোর মধ্যে আছে নদীর পানিবন্টন, সীমান্তের বাইরে বিদ্যুৎ পাঠানো, ছিটমহল ও বিতর্কীত ভূমিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ নিরসন, সীমান্ত সংঘর্ষ দূরিকরণ। যেসব বিষয় নিয়ে চুক্তি হবে সেগুলোর মধ্যে দুদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়টিও রয়েছে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে যে বিষয়টি আছে তা হলো বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের ট্রানজিট সুবিধা লাভের চুক্তি, যাতে ভারত তাদের দূরবর্তী নিঃসঙ্গ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পৌঁছতে পারে।

ভারত তার উন্নয়নের জোয়ার না লাগা দারিদ্র অঞ্চলগুলোতে ১ হাজার কোটি ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায়। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও অন্যন্যরা দেখেছে যে বাংলাদেশীরাও উন্নত রাস্তা, বন্দর, রেলপথ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপকৃত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রী ব্যাংকের গভর্ণর বলেন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত একাঙ্গীকরণ কয়েক শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াবে, যা ইতোমধ্যে ৭ শতাংশ বেড়েছে।

ভারত ১০০ কোটি ডলারের শিথিল শর্তে ঋন দিয়েছে বাংলাদেশকে, যা তারা নতুন নদী খনন ও অন্যন্যা কাজে ব্যাবহার করছে। বাংলাদেশের শাসকরা যতেষ্ট চতুর। ভারত ইতোমধ্যে অবকাঠামোর কারণে মিয়ানমার থেকে নিজ দেশে গ্যাস লাইন সংযোগ দিতে পারেনি। তথাপি চিন এই সুবিধা নিয়েছে। তথাপি নতুন এই ট্রানজিট পরিকল্পনা উন্নয়নের চেয়ে বেশি কিছু। ঢাকায় কেউ কেউ বিষয়টিকে ভারতের নিরাপত্তা করিডোর বলেও সন্দেহ করছেন। এই পথ দিয়ে ভারত সেনা সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হবে যা এখন তারা দুর্গম পাহাড়ী পথে জঙ্গি হামলার ঝুঁকির মধ্য দিয়ে করে থাকে। ফলে, নাগাল্যান্ড ও মনিপুরের জঙ্গিদের সহজেই দমন করতে পারবে ভারত। এতে বাংলাদেশ ঐসব জঙ্গিদের প্রতিশোধের মধ্যে পড়তে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

সবচে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো এই ট্রানজিট সুবিধা পেলে অরুণাচল প্রদেশে চীনের সঙ্গে সীমান্তে তুলনামুলকভাবে অধিকতর সামরিক শক্তি মজুত করতে পারবে ভারত। অরুণাচলের সীমান্তে দক্ষিণ তিব্বতে চীনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সংঘর্ষ চলছে। কিছু বাংলাদেশী মনে করেন যদি বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে রুট তৈরি করে ভারত তার যোগাযোগের সমস্যার সমাধান করে, তবেবাংলাদেশ এক বিশাল সামরিক ঘাটিতে পরিণত হবেÑ এতে চিনের সঙ্গে বৈরি সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।

এই আশঙ্কাগুলো এখনো এতোটা প্রকাশিত নয়। তথাপি, বাংলাদেশীদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ভারতবিরোধী মনোভাবকে প্রতিহত করার জন্য কিছু করছে ভারত। আমেরিকান ইউনিভার্সিটির এক জরিপে দেখা গেছে, খুব অল্প সংখ্যক মানুষ ভারতবিরোধী। প্রায় অর্ধেকসংখ্যক এর বিকাশকে স্বাগত জানান।

তথাপি, ভারতের জন্য এটা ঝুঁকিপূর্ণ যে এই বিষয়টি শেখ হাসিনাকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করছে, যিনি ক্রমান্বয়ে স্বৈরশাসক হয়ে উঠছেন। বিরোধী দল সংসদ পরিত্যাগ করেছে এবং ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দুর্নীতির সাধারণ মাপকাঠিকে ছাড়িয়ে বাড়ছে দুর্নীতি। জুনে সংবিধানের পুণমুদ্রন ক্ষমতা প্রদর্শনের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহির্ভূত আগামী নির্বাচন করতে চাইছে ক্ষমতাসীন সরকার। গুজব আছে, তার বাবার ব্যাক্তিত্বকে আরো মহান করতে শেখ হাসিনা ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী’ নামে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এছাড়াও, গ্রামীন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ইউনূস রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হন। একইভাবে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হবে। এই বিচারকার্য যতটা না ন্যায়বিচার তার চেয়ে বেশি জামায়েত-ই-ইসলামকে ধংস করার চেষ্টা।

এটা বলা কঠিন যে ভারতের মিত্র ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিদের নির্বাচন থেকে বের করার প্রচেষ্টা ২০১৩ সালের নির্বাচনে তার পতন নিশ্চিত করতে পারে। তখন তার প্রতিদ্বন্দ্বি বেগম জিয়া ক্ষমতায় আসতে পারেন। বেগম জিয়ার পারিবারিক ঐতিহ্যও দুর্নীতিপূর্ণ। তবে বেগম জিয়া ও তার অনুসারিদের সঙ্গে ভারতের বৈঠক এক সীমাবদ্ধ বিষয়কে ইঙ্গিত করে।
http://www.amadershomoy1.com/content/2011/08/06/all0703.htm

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla