Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

শিক্ষকদের ক্ষুধা

ইদানীংকালের দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা গুলো হাতড়ালে মনে হবে আমাদের শিক্ষক কুলের একটা বিরাট অংশ স্থায়ীভাবে যৌন ক্ষুধায় ভুগছে । আফ্রিকার সোমালিয়া ও ইথোপিয়ার দুর্ভিক্ষের কায়দায় শিক্ষক সমাজেও দেখা দিয়েছে শতাব্দীর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ...যৌন দুর্ভিক্ষ। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাঙ্গন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে শুরু করে পশ্চিমা ধাঁচের ইংরেজি মাধ্যমর স্কুল গুলোতেও এ ক্ষুধা ছড়িয়ে পরছে। অনেকটা মহামারী আকারে তা প্রসারিত হচ্ছে গ্রামে গঞ্জে। কেবল শিক্ষক সমাজই নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে জড়িত দারোয়ান মেথরের দলও নাম লেখাচ্ছে ক্ষুধার্তের তালিকায়। ওরা প্রথম শ্রেণীর শিশুদের গায়েও হাত দিচ্ছে। হাত দিচ্ছে বিদ্যালয়ের প্রবেশ পথে, ওঁত পেতে থাকছে টয়লেটে। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষকরা নিজেদের ক্ষুধা নিবারণের স্থায়ী ব্যবস্থা হিসাবে বেছে নিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। ভুলিয়ে বালিয়ে নিজেদের শিকারকে বিছানা পর্যন্ত নিতে পারলে ওখানে তৈরি করছে রগরগা নীল ছবি। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে শিকারদের ব্লেকমেইল করছে। বিনিময়ে নিশ্চিত করছে ক্ষুধা নিবারণের স্থায়ী আহার। গ্রামে গঞ্জে এ ক্ষুধা প্রকট হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, মাদ্রাসায়, মসজিদে। তিন চার বছরের শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছেনা শিক্ষকরা। গৃহশিক্ষকদের ক্ষুধার মাত্রা আরও ভয়াবহ। ওরা বাড়িতে পড়াতে এসে ছাত্রী ছাড়া অন্য কাউকে না দেখলে ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পরছে। আগ পিছ না ভেবে ঝাঁপিয়ে পরছে অসহায় শিশুদের উপর। সোমালিয় দুর্ভিক্ষের সময় আকাশ হতে ছুড়ে ফেলা জাতিসংঘের ত্রাণের উপর ক্ষুধার্ত আফ্রিকানরা যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তো অনেকটা সে কায়দায়। আমার কেন জানি সন্দেহ হয় শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থায় ইয়াবা, ভায়াগ্রা এখন ম্যান্ডেটরি আইটেম। ছাত্রীদের সান্নিধ্যে আসার আগে সব শিক্ষকই বোধহয় ভায়াগ্রা সেবনে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। নইলে কেমন করে এটা সম্ভব একজন শিক্ষক চার বছরের একটা শিশুকে ধর্ষণ করে বীর-দর্পে সমাজে দাপিয়ে বেড়ায়? পিতামাতা হয়ে আমরাও নীরবে আত্মসমর্পণ করছি সহাস্রাব্দির এই ভয়াবহ অবক্ষয়ের কাছে। যে কোন মান+হুস ওয়ালা সাধারণ মানুষের ভেতর রক্তের দাপাদাপিতে মহাপ্রলয় ঘটে যাওয়ার কথা যখন কেউ তার নাবালক সন্তানের দিকে কুনজরে তাকায়। অথচ কুনজর পেরিয়ে ঘটনা গড়াচ্ছে ধর্ষণে। কোন প্রতিবাদ নেই...নেই কোন প্রতিশোধ। ভাগ্য ভাল শিক্ষকদের...আমি আমার সন্তান নিয়ে এখন দেশে নেই। নইলে মায়ের পেটের কোন আদম সন্তান আমার সন্তানের দিকে হাত বাড়ালে আমি তার ক্ষুধা নিবারণের যন্ত্র কসাইদের কুড়াল দিয়ে ঘ্যাঁচ করে কেটে কুকুর বেড়াল দিয়ে খাওয়াতাম।

ওয়াক থু!

Comments

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
গাজীপুর প্রতিনিধি | আ সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫

এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে একই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বাজার এলাকায় গতকাল শনিবার বিকেলে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আজ রোববার বিকেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে আজ রোববার ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।

ওই ছাত্রীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাপাসিয়ার ওই শিক্ষক স্কুলের কাছেই একটি কোচিং সেন্টার গড়ে তোলেন। ওই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গত শনিবার বিকেলে কোচিং সেন্টারে পড়তে যায়। ক্লাস শেষে অন্য শিক্ষার্থীরা চলে গেলে ওই ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে পাশের রুমে ধর্ষণ করে ওই শিক্ষক। কোচিং সেন্টারের ভবন মালিক সোহেল কাজী ও তাঁর বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষককে আটক করে বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানান এবং ঘরের চাবি রেখে চড়-থাপ্পড় দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেন। বাড়ি ফিরে ওই ছাত্রী পরিবারকে বিষয়টি জানায়। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন রাতেই আপস মীমাংসার চেষ্টা চালায়। পরে ঘটনাটির কথা আজ সকালে স্কুলে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে ও ওই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে ছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করে।

আজ ওই শিক্ষার্থী স্কুলে না গেলেও ওই শিক্ষক যান। পরে বিকেলে পুলিশ স্কুল থেকে ওই শিক্ষককে আটক করে থানা নিয়ে যায়। বিকেলে ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আগামীকাল সোমবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ জানান, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/624094/%E0%A6%9B%E0%A6%BE%...

দুই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব

দুই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব প্রধান শিক্ষকের! না মানলে পরীক্ষায় নম্বর কম, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ি এলাকার বাঘিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার এ অভিযোগে এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়টি বুধবার দুপুরের পর ছুটি এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে শোকজ নেটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানা গেছে, বাঘিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল হোসেন সম্প্রতি ৯ম শ্রেণির দুই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়ার হুমকি দেন। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা স্কুলে এসে ওই শিক্ষকের পদত্যাগ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় কৌশলে প্রধান শিক্ষক সরে পড়েন।

উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দুপুরে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, পুলিশ এবং স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে বিদ্যালয়টি দুপুরের পর জন্য ছুটি ঘোষণা এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আগামী তিন দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য শোকজ করার সিদ্ধান্ত হয়।

স্থানীয় কাউন্সিলর মো. আজহারুল ইসলাম মোল্লা সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, বিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক ওই শিক্ষককে শোকজ করা হচ্ছে। তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। শোকজের জবাবের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
http://www.somoyerkonthosor.com/news/263823

প্রাইভেটের নামে ছাত্রীর সর্বনাশ: ছাত্র-শিক্ষক মিলেমিশে ধর্ষণ!

http://www.amadershomoys.com/newsite/2015/07/22/354122.htm#.Va7rvvlViko
ফুলপুরে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে এক স্কুলছাত্রীর সর্বনাশ হয়েছে। বৃদ্ধ শিক্ষক তার সঙ্গে কৌশলে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে। ওই ছাত্রী তার কাছে যেতে না চাইলে বই খাতা আটকে রেখে তার কাছে যেতে বাধ্য করা হতো। একপর্যায়ে বিষয়টি অপর এক ছাত্র টের পায়। এসময় ওই শিক্ষক নিজের দোষ ঢাকতে ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যবস্থা করে দেয়। এভাবে ওই ছাত্রীর সঙ্গে ছাত্র-শিক্ষকের অবৈধ সম্পর্ক চলতে থাকে। এভাবে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী অবৈধ সন্তান প্রসব করলে এনিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।

বর্তমানে ওই ছাত্রী ফুলপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ কিশোরীর প্রাইভেট শিক্ষক ও ছাত্রকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। রোববার দুপুরে ওই ছাত্রী নিজ গৃহে কন্যা সন্তান প্রসব করে। পরদিন শিশু অসুস্থ্য হয়ে গেলে চিকিৎসার জন্য ফুলপুর হাসপতালে ভর্তি করা হয়।

জানা গেছে, পৌরসভার সাহাপুর গ্রামের ৭০ বছর বয়সী শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনের কাছে সে প্রাইভেট পড়ত। সে তৃতীয় শ্রেণী থেকে মোসলেম উদ্দিনের কাছে প্রাইভেট পড়ে আসছিল। দু’বছর আগে থেকে শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন তার সঙ্গে কৌশলে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বিষয়টি তার সঙ্গে পাইভেট পড়তে আসা একই গ্রামের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র পরিমল চন্দ্র জোয়ারদারের পুত্র সুজন জোয়ারদার টের পায়। ঘটনা ধামাচাপা দিতে মোসলেম উদ্দিন ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই ছাত্রীর সাথে সুজনকে অবৈধ মেলামেশার সুযোগ করে দেয়।

এক পর্যায়ে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এরপর থেকে ছাত্র-শিক্ষক উভয়ের সাথেই তার অবৈধ মেলামেশা চলে আসছিল। সন্তান প্রসবের খবর পেয়ে পুলিশ সাহাপুর বাজার থেকে শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন ও ছাত্র সুজন জোয়ারদারকে গ্রেফতার করে পরদিন কোর্ট হাজতে পাঠিয়েছেন। এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদি হয়ে ফুলপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, প্রাইভেট শিক্ষক বিশ্বাস ভঙ্গ করে আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে। তার দাদি বলেন, সন্তান প্রসবের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি আমরা টের পাইনি। সে মোসলেমের কাছে প্রাইভেট পড়তে যেতে চাইতনা। আর না গেলেই মোসলেম এসে তার বই খাতা নিয়ে আটক রেখে যেতে বাধ্য করত।

ফুলপুর থানার থানার ওসি মাজহারুল হক বলেন ডিএনএ টেষ্টের মাধ্যমে পিতা সনাক্ত করা হবে। ক্যাম্পাসলাইভ

শিক্ষা, শিক্ষক ও ধর্ষন - ৩

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার এ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের এক সভায় মঙ্গলবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়...
http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/34874

শিক্ষা, শিক্ষক ও ধর্ষন - ২

শিক্ষকের প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখানসহ উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক ফসিয়ার রহমান এসএসসি পরীক্ষায় ফারিয়ার পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে জমাকৃত খাতা ও বহুনির্বাচনীর উত্তরপত্র পরিবর্তন করে বিকৃত করে জমা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ কারণে মেধাবী ফারিয়া সাতটি বিষয়ে এপ্লাস পেলেও পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এছাড়াও পাঁচটি ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল কম্পিউটার কম্পোজ করে ফসিয়ার রহমান বোর্ডে পাঠানোর দায়িত্বপ্রাপ্তির সুযোগে ফারিয়াকে ব্যবহারিকেও ১৫ নম্বর করে দেন। অথচ নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার্থীকে ২৫ নম্বর করে দেয়া হয়।

ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী ফারিয়া ও তার অভিভাবকেরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে শিক্ষক ফসিয়ার রহমান নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকাকালে প্রায়ই ফারিয়াকে উত্যক্ত করতো। বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষক ফসিয়ারকে নড়াইল থেকে মেহেরপুরের একটি বিদ্যালয়ে বদলি করে। পরে নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ফসিয়ার রহমান। নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফারিয়া ইসলামের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় এবং ফসিয়ার রহমান পরীক্ষা কমিটির সদস্য থাকায় অপকৌশলে ফারিয়াকে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের উত্তরপত্র বিকৃতভাবে জমা দেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2015/06/30/290570

শিক্ষা, শিক্ষক ও ধর্ষন - ১

৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন এক শিক্ষক। শনিবার রাতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপাড়া সোহাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমুল ইসলামকে বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় পুলিশ গ্রেফতার করে। যৌন হয়রানীর শিকার ছাত্রীর পিতা রিয়াজুল শনিবার বিকেলে বীরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে পুলিশ মামলার আসামী স্কুল শিক্ষক নাজমুলকে গ্রেফতার করে রবিবার সকালে দিনাজপুরের আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। নির্যাতিত ছাত্রীর জবানবন্দী নেয়া হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, লম্পট শিক্ষক নাজমুল গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ক্লাস রুমে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছাত্রীটির চিৎকারে শিক্ষক পালিয়ে যায়।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla

JUST VIEWED

Last viewed: