Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

খুন, খুনি ও খুনের উপরওয়ালা

Bangladesh

দুদিন আগে কোন এক দৈনিকে পড়েছিলাম পুত্র ও জামাইয়ের কর্মকান্ডে বিপর্যস্ত ত্রানমন্ত্রী জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরি মায়া। বিষণ্ণতা গ্রাস করেছে তাকে এবং পদত্যাগের কথা ভাবছেন। কিন্তু আজ মন্ত্রিকে দেখলাম তার পুরানো চেহারায়। জোর গলায় ঘোষনা দিয়েছেনে নারায়ণগঞ্জ সেভেন মার্ডারের সাথে তার পরিবারের কেউ জড়িত নয়। স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাবধান করে দিয়েছেন যারা মন্ত্রীর ভাষায় এসব গুজব ছড়াচ্ছে তাদের পরিণতি সম্পর্কে। গুণধর পুত্র জনাব দিপু চৌধুরির নামের পাশে খুনী শব্দটা এই প্রথম ব্যবহূত হচ্ছেনা। আওয়ামী লীগের আগের টার্মেও পুত্রের খুনের মূল্য গুনতে হয়েছিল এই নেতাকে। শীতলক্ষ্যা নদীতে লাশ ভেসে উঠার দিন হতে গতকাল পর্যন্ত জনাব চৌধুরিকে মন্ত্রনালয়ে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক কর্মকান্ড দুরে থাক ব্যক্তিগত কাজেও ঘর হতে বের হননি। গতকাল হঠাৎ করে উদয় হলেন এবং নিজ পুত্র ও জামাতার পক্ষে নির্দোষিতার সাফাই গাইলেন। সাথে হুমকি দিতেও ভুল করেননি। কি এমন ঘটল গতকাল অথবা এর আগের দিন? অনুমান নির্ভর হলেও আমি নিশ্চিত জনাব মায়া উপর মহলের গ্রীন সিগন্যাল পেয়েই মাঠে নেমেছেন এবং যথাযত আশ্বাস পেয়ে মুখ খুলছেন। মন্ত্রীর উপর মহল কে এবং কি আশ্বাসে আশ্বস্ত হয়েছেন সে প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে আসুন যাকে নিয়ে কথা উঠছে সেই জামাতার পরিচয় ঘাটতে হাঁটু পানি পেরিয়ে কোমর পানিতে নামি।

বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া (তাবৎ সুবিধা সহ) র‌্যাব-১১’এর প্রাক্তন কমান্ডার লেঃ কর্নেল সাঈদ তারেকের বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মুজিব বিয়ে করছিলেন মরহুম প্রেসিডেন্ট এবং বঙ্গমাতা উপাধি আবিস্কারক জনাব জিল্লুর রহমানের ভাতিজি দেলোয়ারা বেগমকে। বাড়ির লজিং মাষ্টারকে বিয়ে করে অনেকটা ঘরজামাই মর্যাদায় কর্নেল মুজিবকে লালন পালন করতেন জনাবা দেলোয়ারা বেগম। বাংলাদেশকে যদি এ মুহূর্তে ওয়ান ওয়াম্যান শো হিসাবে আখ্যায়িত করা যায় দেশটার সেনাবাহিনীকেও আখ্যা দেয়া যাবে ওয়ান ম্যান শো হিসাবে। আর এই ম্যানটা হচ্ছেন মেজর জেনারেল তারেক সিদ্দীকি। ঢাকার উত্তর পাড়ার অঘোষিত বাদশা বলা হয় এই জেনারেলকে। তিনি যদি বলেন ’হও’, সাথে সাথে তা হয়ে যায়। বলাই বাহুল্য এই হওয়ার পেছনে কাজ করে রাজনীতির লম্বা হাত। জেনারেল সিদ্দীকি হচ্ছেন শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং পাশাপাশি সহোদরা শেখ রেহানার দেবর। জুনিয়র তারেক, অর্থাৎ সাঈদ তারেক হচ্ছেন জেনারেল সিদ্দীকির আপন ভাগিনা। আমরা যারা বাংলাদেশের ক্ষমতাসীনদের লম্বা হাতের সাথে পরিচিত তাদের জন্য সমীকরনটা খুব সহজ। র‌্যাব-১১’এর কমান্ডার এবং ভাড়াটিয়া খুনি সাঈদ তারেককে বিচারের কাঠগড়ায় নিয়ে যাওয়ার মত আইন-আদালত, থানা-পুলিশ অথবা বাহুতে যথেষ্ট পেশী নিয়ে কোন মার সন্তান জন্ম নেয়নি বাংলাদেশে। তাই তদন্ত কমিশনের নামে যে তামাশা চলছে তার রিপোর্ট কি হবে তার রূপরেখা চাইলে এক্ষুনি দাড় করানো যেতে পারে। ‘৭ খুনের মামলায় সাঈদ তারেক ফুলের মত পবিত্র। মন্ত্রিকে হেয় করার জন্য পুত্র দিপু চৌধুরির নাম জড়ানো হচ্ছে। নিখোঁজ নুর হোসেন ও তার সহযোগীরাই এই হত্যাকা¨ের আসল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নকারী। জনগণের সামনে আওয়ামী লীগকে হেয় করার জন্য বিএনপি-জামাত জোট পরিকল্পিত ভাবে হত্যাকা¨ে ত্রাণমন্ত্রির পরিবারকে জড়াচ্ছে।‘ হত্যাকা¨ের উত্তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে শীতলক্ষ্যার পানিতে আরও কটা লাশ ভাসতে দেখা যাবে। যার মধ্যে থাকবেন নিহত নজরুলের শ্বশুর শহীদ চেয়ারম্যান। ব্যাপারটা খুব সোজা, তাই নয় কি? শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত লেফট্যানেন্ট মায়া। মায়ার মেয়ের স্বামী র‌্যাব ১১’এর বিদায়ী কমান্ডার সাঈদ তারেক। শেখ হাসিনার পারিবারিক সদস্য ও একান্ত বিশ্বস্ত প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারেক সিদ্দীকি। এই জেনারেলের আপন ভাগিনা সাঈদ তারেক। কেবল ৭জন কেন, ৭০০ জনকে খুন করে পার পেয়ে যাওয়ার জন্য এ কি যথেষ্ট নয়? কেচো খুড়তে সাপ বেরোনোর মত আরও বের হচ্ছে সাঈদ তারেক কেবল ৭ হত্যাকা¨ের আসল খুনিই নন, বরং ইংরেজি টিভি সিরিজ স্পেনসার ফর হায়ার কায়দায় বাংলাদেশের অনেক জেলায় ভাড়ায় খুন করতে যেতেন।

অযোগ্য ও অপদার্থ ব্যক্তিদের জরায়ুতে জন্ম নেয় অপরাধ। আজকের সরকার প্রধান শেখ হাসিনা সে অযোগ্যাদেরই একজন। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, জাতির পিতা, রাজাকার এ জাতীয় কতগুলো শব্দের আড়ালে নিজের অযোগ্যাতাকে লুকানোর ধান্ধায় রাস্ট্রের সবকটা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করছেন নির্লজ্জের মত। ব্যক্তি ও পারবারিক রাজত্ব কায়েমের অসূস্থ চিন্তা ভাবনায় পিতার যোগ্য উত্তরসুরী হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন ক্ষমতার মঞ্চে। বন্দুকের নলের মুখে স্বাধীনতার অন্যতম স্তম্ভ গণতন্ত্রের গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছেন দাসত্বের শৃংখল। মানুষ খুন হচ্ছে, মানুষ মরছে। অনেকটা হাওর বাওর বিলে মাছ ধরা উৎসবের মত খুনের উৎসবে মেতে উঠেছে অপরাধী চক্র। আর এই চক্রের মুল চালিকা শক্তি বর্তমান সরকার ও তার প্রাইভেট বাহিনী। ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও র‌্যাবের মত খুনি বাহিনীর যৌথ মিলনে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মাফিয়া রাজত্ব। ঘরে বাইরে সব খুনের দায় দায়িত্ব সরকারের। জনগণ ভোট দিয়ে সরকার বানায় স্বাভাবিক জন্ম-মৃত্যু নিশ্চিত করার আশায়। শেখ হাসিনা গায়ের জোরে সে দায়িত্ব নিয়েছেন। এবং গত ৫ই জানুয়ারী হতে প্রতিদিন প্রমান করছেন দেশ শাসনে পিতার মতই সমান অযোগ্য। দেশের প্রতিটা খুন ও গুমের প্রতিকার ও বিচারের জন্য ধর্না দিতে হয় শেখ হাসিনার দরবারে। কেবল তিনি আদেশ দিলেই সচল হয় প্রশাসন। বলাই বাহুল্য তিনিও আদেশ দেন দলীয় ও পারিবারিক সমীকরণের উপর ভিত্তি করে। যার ফলে দেশ এখন দাড়িয়ে আছে ব্যর্থ রাষ্ট্রের দোরগোড়ায়। নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ক্ষমতা কেন্দ্রিক রাজনীতির আসল চেহারা মাত্র। দেশের প্রত্যেকটা মন্ত্রী, এম্পি, প্রশাসন, বিচারক এক একজন নুর হোসেন। এদের নিয়োগ দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক এজেনডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। নারায়ণগঞ্জ হত্যাকান্ড তারই অবিচ্ছেদ্য অংশ। মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া, উপদেষ্টা জেনারেল তারেক, কমান্ডার সাঈদ তারেক, খুনি নুর হোসেন, খুনের শিকার নজরুল এরা সবাই পারিবারিক নেটওয়ার্কের খেলোয়াড় মাত্র।

Comments

সাত খুনের রক্তে রঞ্জিত প্রধানমন্ত্রীর হাত : এএইচআরসি

হংকং ভিত্তিক খ্যাতনামা মানবাধিকার সংগঠন এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় সরাসরি র‌্যাবকেই দায়ী করেছে। সোমবার এক বিবৃতিতে এএইচআরসি বলেছে, ‘বাংলাদেশে আইনের শাসনের অস্তিত্ব নেই। এর প্রমাণ হলো নারায়ণগঞ্জে গত ২৭ এপ্রিল প্যানেল মেয়র ও একজন সিনিয়র আইনজীবীসহ ৭ জনকে ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র‌্যাবের অপহরণ এ হত্যার অভিযোগ। এ ঘটনায় মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পরিবারের মুখ্য ভূমিকা, অপহরণের ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এবং সরকারের সর্বোচ্চ মহলের লোকদেখানো পদক্ষেপ (সবাইকে) শঙ্কিত করছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে রক্তপাত ও অর্থবিত্ত। এখানে আইনের শাসনের কোনো বালাই নেই। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় চেইন অব কমান্ডের স্থান দখল করেছে চেইন অব করাপশন (দুর্নীতি)। সরকার জনগণকে যে অর্থ দেয় তার চেয়ে বেশি অর্থ ঘুষ দেয় শৃঙ্খলা বাহিনীকে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ হাসিনা অপহৃত সাতজনের জীবন বাঁচাতে কোনো উদ্যোগ নেননি। তার হাত সাতজনের রক্তে রঞ্জিত।’ বিবৃতিতে বলা হয়, শুধু র‌্যাবের তিনজন কর্মকর্তা নয়, সাত অপহরণ ও খুনে সম্ভবত ১২ জন জড়িত। সরকার এটা এড়িয়ে যেতে চাইছে। বাংলাদেশের মানুষ জানে যে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ কোনো অপরাধ করলে তার জন্য তাদের কোনো জবাবদিহি করতে হয় না। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী, ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিক, তাদের পরিবার এবং সহযোগীরা সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে।

বিবৃতিতে বলা হয়, র‌্যাব ও ডিবির নামের প্রতিদিন নাগরিকদের সাদা পোশাকের লোকজন অপহরণ করে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনারই বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হয়নি। গুম এবং মৃতদেহ উদ্ধার নিয়ে জনগণের প্রশ্নের কোনো জবাব দেয়া হয়নি। খুব কম ক্ষেত্রেই অপহৃতরা জীবিত ফেরত আসতে পেরেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, র‌্যাব নিজেকে এলিট ফোর্স হিসেবে দাবি করলেও ব্যাপক মানবাধিকার লংঘনের জন্য এটিকে ‘অপরাধী’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এএইচআরসির দাবি, অবিলম্বে র‌্যাব ভেঙ্গে দিতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষকে আইনের শাসন ফেরত আনার পথ খুঁজে বের করতে হবে। বর্তমানে আইন শৃক্সখলা বাহিনী আইনের শাসন ব্যবস্থা মেনে চলছে না। তারা দুর্নীতির শৃঙ্খল রক্ষা করে চলছে। জনগণের আকাক্সখার বিপরীতে তাদের দুর্নীতি জাতিকে শ্বাসরুদ্ধ এবং আইনের শাসনকে টুকরো টুকরো করে ফেলছে।
http://www.amadershomoys.com/newsite/2014/05/13/9833.htm

মাইক্রোবাসে উঠিয়ে স্প্রে করলে সবাই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জ: র‌্যাবের সদস্যরা প্রাইভেটকার দু’টি থেকে তাদের নামিয়ে কালো রঙের মাইক্রোবাসে উঠিয়ে স্প্রে ছিটিয়ে দিলে এক মিনিটের মধ্যেই তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণশুনানিতে সাক্ষ্য দেওয়া প্রত্যক্ষদর্শী ফতুল্লার মাসদাইরের মুজিবুল হকের ছেলে জালালউদ্দিন সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। জালালউদ্দিন জানান, ঘটনার সময়ে তিনি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের লামাপাড়া এলাকায় ময়লার স্তুপের পাশে বসে প্রস্রাব করছিলেন। ওই সময় তিনি দেখেন র‌্যাবের একটি গাড়ি ও একটি কালো রঙের ১২/১৩ সিটের মাইক্রোবাস অবস্থান করছে।
ওই সময় তারা দু’টি প্রাইভেটকার আটক করে। সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকারে ছিলেন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৫ জন এবং ব্লু রঙের প্রাইভেটকারে ছিলেন আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ি চালকসহ ২ জন।

র‌্যাবের সদস্যরা প্রাইভেটকার দু’টি থেকে তাদের নামিয়ে কালো রঙের মাইক্রোবাসে উঠিয়ে স্প্রে ছিটিয়ে দিলে এক মিনিটের মধ্যেই তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে কালো রঙের মাইক্রোবাসটি ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন তক্কার মাঠের বিপরীতে লামাপাড়া মার্কাজ মসজিদের সামনের সড়ক দিয়ে চলে যায়। ঘটনার সময় লিংক রোডের অপর প্রান্তে একটি প্রাইভেটকারে ছিলেন নূর হোসেন। অন্যরা গণশুনানিতে ঘটনার প্রত্যক্ষ কোনো বিষয় জানাতে পারেননি। তবে এ ঘটনায় পলাতক কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র‌্যাব থেকে চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তাকে দায়ী করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সার্কিট হাউজে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান আলী মোল্লার নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি এ স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। হাইকোর্টের নির্দেশে সরকার এ তদন্ত কমিটি গঠন করে। বুধবার গণশুনানির শেষ দিন। এর আগে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিহত ৭ জনের পরিবারের সদস্যের স্বাক্ষ্য নেয় তদন্ত কমিটি। তারাও ঘটনার জন্য র‌্যাব ও নূর হোসেনকে দায়ী করেন।

এদিকে, গণশুনানি চলাকালে নিহত নজরুল ইসলামের ভাই আবদুস সালাম তদন্ত কমিটিকে বলেন, এভাবে ডিসি অফিসের সার্কিট অফিসে এসে লোকজন স্বাক্ষ্য দিতে ভয় পান। কারণ, এখানে মিডিয়াসহ বিভিন্ন লোকজনের নজর থাকায় অনেকে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হলেও কেউ আসেননি। তাই তদন্ত কমিটির উচিত ঘটনাস্থল ও সিদ্ধিরগঞ্জে গিয়ে সাক্ষ্য নেওয়া। এদিন আরো সাক্ষ্য দেন, সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুরের আব্দুল হামিদের ছেলে নূর হোসেন মুন্না, আবুল কাশেম, কাঁচপুর এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে জেলা জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ রাসেল, মজিবুর রহমান ও শাহীন আজাদ। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজন অপহরণের তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।

না'গঞ্জে ব্যবসায়ী নিখোঁজ

বিভিন্ন স্থানে ছাত্রী অপহরণ, চাঁদা দাবি, লাশ উদ্ধার

বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জে শুক্রবার এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ হয়েছেন। ফরিদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল হক মিয়ার কাছে শুক্রবার রাতে মোবাইল ফোনে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলা হয়েছে, না দিলে নারায়ণগঞ্জের মত ঘটনা ঘটানো হবে। গতকাল শনিবার সাভারের আশুলিয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে। শুক্রবার আখাউড়ায় হোটেল কক্ষে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। দাগনভুঁইয়ায় অপহরণকারীর কবল থেকে এক যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মহানগরের খানপুর তল্লা বড় মসজিদ এলাকার শহীদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দিনগত রাত ১টায় তার স্ত্রী সুমি ফতুল্লা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। নিখোঁজ শহীদুল ইসলাম তল্লা রেললাইন সরদারপাড়া এলাকায় মুরগির ব্যবসা করেন। ফতুল্লা মডেল থানার এসআই বিল্লাল জিডির বরাত দিয়ে জানান, শহীদুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ।...
http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDVfMTFfMTRfMV8xXzFfMTI5NTg3

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla