Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

১০ টাকা কেজির চাল চাইনা, আপনি 'কুত্তা' সামলান

Awami League
চালের দর ১০ টাকা। কেজি অথবা সের যে কোন হিসাবেই হোক না কেন, স্তিমিত হয়ে গেছে এ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা। প্রথমত, বাংলাদেশের কথা বাদ দিলেও এমন একটা দামে চাল বিক্রির অবস্থায় নেই সমাসাময়িক বিশ্ব। তেল, গ্যাস, পানি আর গতর খাটুনি এক পাল্লায় দাঁড় করিয়ে কোন ভাবেই ১০ টাকার বাটখারা দিয়ে সমান করা যাবে না হিসাবের দাঁড়িপাল্লা। এমন একটা সমীকরণ শুধু অসম্ভবই নয়, এ অলিক ও অবাস্তব। দ্বিতীয়ত, ১০ টাকায় এক কেজি চাল না হলেও না খেয়ে মরবে না এ দেশের মানুষ। মানুষ এখনো টোটাল হার মানেনি অসত্যের কাছে। মিথ্যা, ধাপ্পাবাজি আর ছলচাতুরীর ফাঁদে বার বার ধরা খেয়ে কিছুটা হলেও তারা বুঝতে শিখেছে সত্য মিথ্যার পার্থক্য। ২৫০ টাকা গো মাংসের বাজারে ১০ টাকা সের চাল, এ শুধু চাল নিয়ে চালবাজি নয়, বরং চাল উৎপাদনে জড়িত খেটে খাওয়া মানুষের জন্যে মৃত্যু ঘোষনার শামিল। শেখ হাসিনা এমন একটা ঘোষনা দিয়েই ভোট বানিজ্যে লাভবান হয়েছিলেন। নেত্রীর আগাম ঘোষনায় যারা বিশ্বাস করেছিলেন হয় তারা উনার গৃহপালিত ভৃত্য, নয়তো ভিন গ্রহে হতে উড়ে আসা এলিয়ান। হাজারা চেষ্টা করেও নেত্রী চালের দর ওয়াদাবদ্ধ দরের কাছাকাছি আনতে পারবেন এমনটা মনে করার বিশেষ কোন কারণ নেই। অর্থনীতি চলে তার নিজস্ব নিয়মে। তার সাথে যদি যোগ হয় পলিটিক্যাল ক্রাইম এর নিয়ন্ত্রণ শেখ হাসিনা অথবা খালেদা জিয়ার মত অল্প ও স্বশিক্ষিত গৃহবধূদের পক্ষে সম্ভব হওয়ার কথা নয়। তাই চালের বর্তমান দর ১০ টাকা নেই বলে দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে আদালতে দাঁড় করায়নি, অথবা মিথ্যা বলার অভিযোগে আন্দোলনে নামেনি। রাজনীতিতে মিথ্যাচারিতা সর্বস্বীকৃত অপরাধ, এ হতে কেউ মুক্ত নয়। তবে চালের দর নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব না হলেও শেখ হাসিনার পক্ষে যে জিনিসটা নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব ছিল তা হল, উনার ’কুত্তা’দের উন্মাদনা।

মালিকানা প্রকারভেদে বাংলাদেশে দুই প্রকার কুত্তার দেখা পাওয়া যায়। এক, রাস্তাঘাটের বেওয়ারিশ, দুই, গৃহপালিত। ছাত্রলীগ নামের কুত্তালীগকে উইকিপিডিয়ার কোন সংজ্ঞাতেও বেওয়ারিশ বলা যাবে না, কারণ এর মালিক জীবিত আছেন এবং তিনি আছেন বেশ বহাল তবিয়তে। কুত্তাদের নির্দিষ্ট একটা মাস থাকে যে সময়টায় তারা উন্মাদ হয়ে যায় পাশবিক ইচ্ছা চরিতার্থের লালসায়। প্রধানমন্ত্রীর কুত্তার কাফেলাও তেমনি একটা সময় পার করছে এ মুহুর্তে। তাদের লালসা কার্তিক মাসের লালসাকেও হার মানিয়ে এমন একটা উচ্চতায় ঠাঁই নিয়েছে যেখান হতে চাইলেই তারা ৫টনের সমগ্র বাংলাদেশকে যখন খুশি ধর্ষণ করতে পারে, দলিত মথিত করতে পারে, ফুটবল খেলতে পারে। এবং তারা তা করছে অতীতের সব রেকর্ড ভংগ করে। কুত্তালীগের মালিক যদিও বলছেন এ দল বেওয়ারিশ দল, কিন্তু ভুক্তভোগি মাত্রই জানে গৃহপালিত এসব কুত্তাদের উন্মাদনার শক্তি কোথায়।

তারেক আর খাম্বা মামুনদের কারণে না হয় বিদ্যুৎ খাতে উলাওডা বিবির রাজত্ব চলছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজ দলের ’কুত্তা’দের বৈশাখ মাসে কাতি মাসের রাজত্বের জন্যে দায়ি করবেন কাকে, ককো, ফালু, বাবর অথবা হারিছ চৌধুরীদের? বিদ্যুতের অভাবে ধান উৎপাদন ব্যহত হয়, যার প্রভাবে প্রতিশ্রুত ১০ টাকা কেজি চাল সরবারহেও আসে বাধা। এ মুহূর্তে জাতি ১০ টাকা কেজি চাল না পেয়ে যতটা না কষ্টে আছে তার চেয়ে ঢেড় কষ্টে আছে প্রধানমন্ত্রীর ’কুত্তা’দের যন্ত্রণায়। জনাবা প্রধানমন্ত্রী, আমরা ১০ টাকা কেজির চাল চাইনা, আপনি ’কুত্তা’ সামলান।

টাইটেল প্রথম আলো ব্লগের ব্লগার সাইদুর রহমানের লেখা হতে নেয়া।

Comments

ছাত্রলীগ সভাপতির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের জের

9th of May, 2010
খুলনার বিএল কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতির সঙ্গে পরিবহনের ড্রাইভার ও সুপার ভাইজারের অসদাচরণের অভিযোগে রোববার সকালে প্রায় দেড় ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে বিএল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুজ্জামান মুকুল ঈগল পরিবহনের বাসে ঢাকায় যান। ঢাকায় পৌঁছালে তাকে কাঙ্খিত গন্তব্যে না নামিয়ে অন্যস্থানে নামাতে চাইলে বাসের সুপার ভাইজারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডতা হয়। বিষয়টি তিনি বিএল কলেজের ছাত্রলীগ নেতাদের জানালে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী বাসস্ট্যান্ডে যেয়ে কাউন্টার বন্ধ করে খুলনা থেকে ঢাকাগামী অর্ধশতাধিক বাস আটকে রাখে। খবর পেয়ে কেএমপির সহকারী কমিশনার আনিসুর রহমান, দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিপুল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

এ বিষয়ে সাইফুজ্জামান মুকুল জানান, ঈগলের ড্রাইভার ও সুপার ভাইজার আমার পরিচিত এক যাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় আমি প্রতিবাদ করি। তবে আমার দলের কোনো ছেলে বাস চলাচলে বাধা দেয়নি। অন্য কেউ এ কাজ করতে পারে।
http://ittefaq.com.bd/content/2010/05/11/news0407.htm

জবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে আহত ২০

9th of May, 2010
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক শিক্ষিকা ও ছয় ছাত্রীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। দফায় দফায় এ সংঘর্ষে ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা দিগি¦দিক ছোটাছুটি করে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যায়। নির্ধারিত সময়ের পূর্বে ছেড়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস। আহতদের স্থানীয় সুমনা ও মেঘনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানা পুুলিশ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫-এর ২৭(৪)ধারা সংশোধনের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসাবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশের উদ্দেশ্যে বিশ্ব বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে জড়ো হতে থাকে। পরে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তারা তাদের দাবি মানা না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন। এসময় ছাত্রলীগের উচ্ছৃংখল কিছু কর্মী ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের ১১৩ নম্বর কক্ষে গিয়ে ঐ ক্লাসের শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বের করে আনার চেষ্টা করে। তখন সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী মিলনের সাথে সভাপতি গ্রুপের কর্মী জালালের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের জালালের নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী মিলনকে প্রহার করা হয়। উভয় গ্রুপের সংঘর্ষে ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষিকা সৈয়দা ইসরাত নাজিয়া ও ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী সীমা, রিনা , সুরাইয়া, সায়লা, তনুশ্রি, ঝুমু, তন্নি, অঞ্জু, শফিক ও তুহিনসহ দশজন আহত হয়। মিলন তার সহকর্মীদের ফোনে এ ঘটনা জানালে পুরো ক্যাম্পাসে দুই গ্রুপের সংঘর্ষটি ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল বিনিময় হয়। এতে পুরো ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দুই ঘন্টাব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশ ও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাইদসহ সিনিয়র নেতা-কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোতয়ালী থানা পুলিশ গণিত বিভাগের ৫ম সেমিষ্টারের বাবুল, পরিসংখ্যান বিভাগের ৫ম সেমিষ্টারের মামুনকে আটক করলেও পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাঈদ বলেন, “শিক্ষার্থীদের আন্দোলনটি ছিলো যৌক্তিক; কিন্তু আন্দোলনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী এ অনাকাঙিক্ষত ঘটনাটি ঘটিয়েছে। যদি ছাত্রলীগের কোন কর্মী এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অশোক কুমার সাহা বলেন,“ এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার করা হবে।
http://ittefaq.com.bd/content/2010/05/11/news0407.htm

জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের সংঘর্ষ

তারিখ: ০৯-০৫-২০১০

ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দেওয়ার সময় কথাকাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষে আহত হন অন্তত ১০ জন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিক্ষুব্ধ কর্মীরা চারটি দোকান ও একটি বাসভবন ভাঙচুর করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন সুবর্ণা জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপক রমাকান্ত (৪০), মনিহার জুয়েলার্সের উজ্জ্বল (২৪), জয় দুর্গা জুয়েলার্সের শর্মা (২০) এবং যুবলীগের কর্মী মোহন (১৮) ও মানিক (২৫)।

আহত ব্যক্তিদের লালমনিরহাট সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা থানা রোডে অবস্থিত সুবর্ণা জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপক রমাকান্ত আজ রোববার বেলা ১১টায় ডিপিএসের টাকা জমা দেওয়ার জন্য স্থানীয় উত্তরা ব্যাংকে যান। সেখানে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে যুবলীগের কর্মী মানিকের সঙ্গে রমাকান্তের কথাকাটাকাটি হয় এবং রমাকান্ত টাকা জমা দিয়ে জুয়েলারি দোকানে ফিরে আসে।

এ ঘটনার সূত্র ধরে দুপুর সাড়ে ১২টায় মানিকের নেতৃত্বে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অর্ধশতাধিক কর্মী লাঠিসোটা নিয়ে স্বর্ণকারপট্টিতে আসেন। তাঁরা সুবর্ণা জুয়েলার্সে প্রবেশ করে রমাকান্তকে দোকান থেকে টেনে বাইরে নিয়ে মারধর করেন। এ সময় জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও কর্মচারী এবং অন্য ব্যবসায়ীরা একসঙ্গে ঘটনা প্রতিহত করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়।
এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষের খবর মুহূর্তের মধ্যে পুরো শহরে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে থানা রোড স্বর্ণকারপট্টি থেকে গোশালা বাজার পাটোয়ারী মার্কেট পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ নেন যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা।

খবর পেয়ে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ ও ব্যবসায়ী নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমানের নির্দেশে পুলিশ হামলাকারীদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ঘটনার জন্য স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতারা এক অপরের উসকানিমূলক আচরণ ও বক্তব্যকে দায়ী করেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) ফয়জুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছন।

সূত্র: প্রথম আলো

কুত্তা সামলান!!!

480 385

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্তৃক এএসআই প্রহৃত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এএসআই প্রহৃত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদকজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতার গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় সূত্রাপুর থানার এএসআই সাইফুর রহমানকে পেটাল ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। গতকাল বেলা দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাঁর কক্ষ থেকে বের করে দেন।

জানা যায়, গতকাল বাহাদুর শাহ পার্কের পাশে সূত্রাপুর থানা পুলিশের একটি দল অবৈধ গাড়ি ধরতে চেকপোস্ট বসায়। বেলা দেড়টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাসুদ রানা মোটরসাইকেল নিয়ে ওই চেকপোস্টের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ তাঁর গতি রোধ করে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চায়। এ সময় মাসুদ রানা নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, 'ছাত্রলীগের নেতাদের গাড়ি চালাতে কাগজপত্র লাগে না।' এ কথা বলে চলে যেতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে ওই নেতার কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা ফোনে ক্যাম্পাসে খবর দিলে ছাত্রলীগের শতাধিক কর্মী ঘটনাস্থলে যায়। ছাত্রলীগ কর্মীরা এএসআই সাইফুর রহমানকে মারতে শুরু করে। মারধর করতে করতেই এএসআই সাইফুর রহমানকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাসের প্রধান গেটের কাছে নিয়ে আসা হয়। তাঁকে গেটের সঙ্গে অবস্থিত পুলিশ বক্সের ভেতরে ঢুকিয়ে দ্বিতীয় দফায় মারধর করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তিনি এএসআই সাইফুরকে উদ্ধার করে তাঁর কক্ষে নিয়ে আসেন। এদিকে খবর পেয়ে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকরা সে সময় প্রক্টরের কক্ষে উপস্থিত হন। এতে প্রক্টর সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে জোর করে তাঁর কক্ষ থেকে বের করে দেন।
হামলায় আহত এএসআই সাইফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, "সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ওই চেকপোস্টে আমার দায়িত্ব ছিল। মাসুদ রানা নামে এক ব্যক্তি চেকপোস্টের সামনে দিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। তখন পুলিশের কনস্টেবল শাহজাহান ও ফারুক তাঁর গাড়ির গতি রোধ করেন। আমি তাঁর গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাই। তিনি তখন দুর্ব্যবহার করে বলেন, 'তুই জানস না ছাত্রলীগের নেতাদের গাড়ি চালাতে কাগজপত্র লাগে না।' ওই সময় তিনি একটি ফোন করেন। এরপর আমার ওপর হামলা চালানো হয়।'
http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=single&pub_no=154&cat...

বেসামাল ছাত্রলীগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার সংঘর্ষ

মুহসীন হলের চারতলা থেকে ফেলে দেওয়া মুনির হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক : আহত ১৩, বহিষ্কার ৫ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদকআধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত সোমবার শেষরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনকে মারধর করে চারতলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় আটক হয়েছেন দুই ছাত্রলীগকর্মী। এ ঘটনায় পাঁচজনকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ। এ ছাড়া হল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে।
http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=single&pub_no=154&cat...

বেপরোয়া ছাত্রলীগ, দুই পক্ষের হামলায় অশান্ত বরিশাল পলিটেকনিক

Photobucket
বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগের দুই পক্ষে গতকাল পাল্টাপাল্টি হামলার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষকে এভাবে দা দিয়ে কোপানো হয়।

বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গতকাল মঙ্গলবার ছাত্রলীগের দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ইনস্টিটিউট শাখার সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীরা হলেন চতুর্থ বর্ষের ছাত্র নজরুল ও হিমেল, প্রথম বর্ষের সুবীর ও রিয়াজ এবং তৃতীয় বর্ষের সবুজ।
ইনস্টিটিউটের ক্যাম্পাস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে আবদুর রাজ্জাক তাঁর সহযোগীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলে ছাত্রলীগ ইনস্টিটিউট শাখার ম্যাগাজিনবিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে তাঁর সহযোগী কর্মীরা ধাওয়া করেন। এ সময় রাজ্জাকের পক্ষের নজরুলকে তাঁরা কুপিয়ে আহত করেন। রাজ্জাকসহ অন্যরা কলেজ থেকে বের হয়ে যান। দুপুর দেড়টার দিকে বহিরাগতদের নিয়ে রাজ্জাক ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। এ সময় তাঁরা ইমরান ও তাঁর সমর্থকদের ধাওয়া করেন। রাজ্জাকের সহযোগীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমরানের পক্ষের সুবীর, রিয়াজ, সবুজ ও হিমেল আহত হন।

ঘটনার ব্যাপারে ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাজ্জাক ক্যাম্পাসের নতুন ও পুরোনো ছাত্রাবাসের ছাত্রদের জিম্মি করে রেখেছেন। এ নিয়ে তাঁদের ক্ষোভ রয়েছে। বেলা ১১টার দিকে রাজ্জাক তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলে সাধারণ ছাত্ররা তাঁদের বাধা দেন। এতে তাঁরা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান। দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রলীগ বি এম কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মইন, তুষার, শেখর, জসিমসহ অন্যদের নিয়ে রাজ্জাক ক্যাম্পাসে ফিরে এসে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আমার সমর্থক কর্মীদের আহত করেন।’ আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমার সমর্থক কর্মীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলে ইমরান, সবুজ, অনু ও মিশুর নেতৃত্বে অন্যরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় নজরুলকে তারা কুপিয়ে জখম করে। দুপুরে আমরা ক্যাম্পাসে আবার ঢুকতে গেলে ওরা বাধা দেয়। সেখানে আমার নেতৃত্বে কোনো কোপাকুপির ঘটনা ঘটেনি।’ ইনস্টিটিউটের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, রাজ্জাকের ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেলেও তিনি আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ইমরানও তাঁর আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় রয়েছেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছে।

ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মীর মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে এ সংঘর্ষ ঘটে। ইমরান সব সময় রাজ্জাককে তাদের নেতা হিসেবে মেনে আসছিল। হঠাৎ এমন হওয়ার আর কোনো কারণ দেখছি না। সংঘর্ষের বিষয়টি আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। পরে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাধারণ ছাত্ররা লিখিত অভিযোগ করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার এ এফ এম আনোয়ার হোসাইন বলেন, ‘শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।’
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-05-05/news/61015

পাবনা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে ফের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে দফায় দফায় হামলা

পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে গতকাল ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। অন্য দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি বাসে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ২০ জনকে আহত করেছে ছাত্রলীগ। পাবনা সংবাদদাতা জানান, কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে গতকাল আবারো পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে ১৩ জন পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, গত রোববার ছাত্রলীগের জেলা ও এডওয়ার্ড কলেজ শাখা কমিটির নাম ঘোষণা হয়। এ কমিটিতে স্খান না পাওয়া নেতাকর্মীরা গতকাল এডওয়ার্ড কলেজে সমাবেশ করছিল। খবর পেয়ে নতুন জেলা কমিটির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে আসে। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরিস্খিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় ১৩ জন পুলিশসহ ২৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর তিনজন পুলিশকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন­ পাবনা থানার এসআই শহিদুল ইসলাম, এএসআই বিজয় কুমার সরকার ও কনস্টেবল আব্দুল খালেক। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের উভয় গ্রুপের ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন­ এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সজিব, ওলিউল্লাহ, ছোট বিদ্যুৎ, বিপুল, রানা, জাকারিয়া ও সুরুজ। তাদের মধ্যে দু’জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

পাবনার বìধন কমিউনিটি সেন্টারে গত রোববার জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্খিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পাবনা সদর আসনের এমপি গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন ও মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী লোটন ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সম্মেলন শেষে নেতৃবৃন্দ কমিটির নাম ঘোষণা না করেই পাবনা সার্কিট হাউজে চলে যান। পরে সìধ্যায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্খিতিতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে আহমেদ শরীফ ডাবলু ও সাধারণ সম্পাদক পদে রফিকুল ইসলাম রুমন এবং এওয়ার্ড কলেজ শাখার সভাপতি পদে এম এ সজিব ও সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম ঘোষণা করা হয়। নাম ঘোষণার পরপরই বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা লাঠিসোঠা নিয়ে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। বিক্ষুব্ধরা প্রথমে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্খার সাধারণ সম্পাদক আবু ইসহাক শামীমের মালিকানাধীন প্যরাডাইস সুইটমিট, মিউচুয়াল ব্যাংকের এটিএম বুথ, বাটারফ্লাই শোরুম ভাঙচুর করে। এ ছাড়া শহরের বাটারফ্লাই-শোরুম, বাইপাস মোড় ও বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রায় অর্ধশত বাস, কোচ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, ব্যাটারিচালিত অটোবাইক, মিশুক, সিএনজি, ট্রাক, টেম্পো, মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ১০ জন আহত হয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। উল্লেখ্য, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে আহমেদ শরীফ ডাবলু, মামুন হায়দার রনি ও আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক পদে সাইফুল আরা বিদ্যুৎ, ওসমান গনি, রফিকুল ইসলাম রুমন, মামুন আজিজ খান তুষার ও মিঠু আহমেদসহ বিভিন্ন পদে অন্তত ৫০ জন ছাত্রনেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ দিকে রোববার পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্খার সাধারণ সম্পাদক আবু ইসহাক শামীমের মালিকানাধীন প্যারাডাইস সুইটমিট ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্খানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

চবি সংবাদদাতা জানান, দুই দিন যেতে না যেতেই আবারো অস্খির হয়ে উঠছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত ছাত্রলীগ গতকাল নগরীর বিভিন্ন স্খানে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয় ত্বরী বাস ভাঙচুর করে। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। ছাত্রলীগের হামলার পরও বাস ও ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল। গতকালও বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শাটল ট্রেনে কড়া পুলিশ পাহারা থাকায় সেখানে সুবিধা করতে না পেরে এখন বিশ্ববিদ্যালয় বাস ভাঙচুরে নেমে পড়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল তারা বিশ্ববিদ্যালয়গামী ছয়টি ত্বরী বাস ভাঙচুর করে। ত্বরী মালিক সমিতি ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল আনুমানিক ১০টা নাগাদ প্রায় একই সময়ের ব্যবধানে নগরীর বিবিরহাট রেললাইনের সামনে তিনটি, শিক্ষা বোর্ডের সামনে একটি ও মুরাদপুরে দু’টি বাসে হামলা চালায় ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা। এ সময় তারা কিরিচ, রামদা, হকিস্টিক ও ইট দিয়ে বাসগুলোতে হামলা চালাতে থাকে। পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। ছাত্রলীগের উপর্যুপরি হামলায় বাসে অবস্খানরত শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হামলায় আহতদের স্খানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের হামলা শেষ হওয়ার পর পুলিশ এসে ত্বরীর মালিক ও ত্বরী মালিক সমিতির নেতাদের গ্রেফতার করলেও পাশে অবস্খানরত ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের গ্রেফতার করেনি। পরে অবশ্য ত্বরী মালিক সমিতির নেতাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে ত্বরী বাসে হামলা করায় দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পাঁচলাইশ থানা। গ্রেফতারকৃতরা হলো চিহ্নিত ছাত্রলীগ ক্যাডার শহিদুল ইসলাম (পরিসংখ্যান তৃতীয় বর্ষ) ও কাউসার ফেরদৌস (সমাজবিজ্ঞান প্রথম বর্ষ)। ত্বরী মালিক সমিতির নেতাদের বক্তব্য : ত্বরী মালিক সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, ১৯ দিন ধরে চলা অবরোধে তাদের প্রায় ১৫টি বাস ভাঙচুর করে অবরোধকারীরা। কিন্তু পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতার করে না। তারা অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা চিহ্নিত ও গুটি কয়েক। তারাই বারবার ত্বরী বাস ভাঙচুর করছে। তাদের পরিচয় পুলিশকে জানানোর পরও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না।

এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ আলম জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাভাবিক আছে, আজো বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বাসে হামলার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, হামলাকারীরা চিহ্নিত, তাদের স্খান বিশ্ববিদ্যালয়ে না হওয়ায় তারা এখন শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি ব্যবস্খা নিতে।’

আলাওল হলে সংঘর্ষ : এ দিকে গতকাল টিভি দেখাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আলাওল হলের দুই দল ছাত্রের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আব্দুল মোমিন (অর্থনীতি মাস্টার্স) নামে এক ছাত্র গুরুতর আহত হন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। হলের আবাসিক শিক্ষক কাজী মো: বরকত আলী সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র: দৈনিক নয়া দিগন্ত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
তারিখ: মে ০৪, ২০১০

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পাঁচ নেতা কর্মীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ এর ১৯৭৬ এর ৮ ধারা মোতাবেক গতকাল সোমবার তাদের তিন মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদেরকে তিন মাসের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন সৈয়দ নাজমুল হোসাইন, এম ফরহাদুর রহমান, ওয়াজিদ হোসেন বাপ্পি, (পদার্থ বিজ্ঞান), জহিরুল ইসলাম ও রেজাউল করীম রেজা (গণিত বিভাগ)।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

ছাত্র ও যুবলীগ কর্মীদের সংঘর্ষ, প্রতিমন্ত্রীর সভামঞ্চ ভাঙচুর

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে ছাত্র ও যুবলীগের কর্মীরা। গত শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার জয়াগ কলেজ মাঠে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রতিমন্ত্রীর। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ভাঙচুর চলাকালে কলেজের জীববিদ্যা বিভাগের শিক্ষক জাকির হোসেন (৪৪) আহত হন। তাঁকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে জয়াগ কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি মো. পলাশকে আটক করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিমন্ত্রী শিরিন শারমিন চৌধুরী জয়াগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে শনিবার দুপুর ১২টায় জয়াগ কলেজের মাঠে এক মতবিনিময় সভা করার কথা। সে জন্য আগে থেকে কলেজের মাঠে একটি মঞ্চ তৈরি করা হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষও প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নেয়। সকালে মঞ্চের পাশে ছাত্রলীগ কলেজ শাখার সভাপতি পলাশ প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর ছবিসংবলিত একটি ব্যানার টানান। এতে স্থানীয় যুবলীগের নাছিরসহ কয়েকজন অসন্তুষ্ট হয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলেন। এ খবর শোনে পলাশ ক্ষিপ্ত হয়ে দলবল নিয়ে দুপুর ১২টায় সেখানে হাজির হন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং সভামঞ্চ ভাঙচুর হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী বিকেলে কলেজে এসে শুধু তাঁদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে ফিরে যান।

কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশীদ জানান, দুপুর ১২টার দিকে দুই দল যুবক তাঁদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে সেখানে মারামারিতে লিপ্ত হয়। এ সময় তাঁরা মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করে। সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল। শনিবার রাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla