Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা...বেশ্যা বাজারের গোপাল ভাড়!

Bangladesh - Justice System

১৯৯৫সালের ১৯শে এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশেষ একটা দিন। ঐ দিন ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের ওকলাহোমা শহরে ঘটে এমন এক ঘটনা যা পরবর্তীতে বদলে দেয় আমেরিকানদের জীবন। টিমোথি ম্যাকভেই নামের এক স্বদেশি বোমা মেরে উড়িয়ে দেয় শহরের আলফ্রেড মিউরাহ ফেডারেল বিলডিং। শক্তিশালী ঐ বিস্ফোরণ কেড়ে নেয় ১৬৮টি জীবন। হৃদয়বিদারক ঐ ঘটনা কাঁপিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ভীত। যে ঘটনা মার্কিনিরা খবরের কাগজ ও টিভির পর্দায় দেখতে অভ্যস্ত এমন ঘটনা তাদের চোখের সামনে ঘটবে কেউ কল্পনা করতে পারেনি। স্বভাবতই ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয় ঘটনার নায়ক ম্যাকভেইকে ঘিরে। বলাই বাহুল্য ঘটনার প্রথম প্রহরে অনেকেই ধরে নিয়েছিল কাজটা ইসলামী জঙ্গিদের। এমন তত্ত্ব হালে পানি না পেতে খুব একটা সময় লাগেনি। খুব অল্প সময়ের ভেতর পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় টিমথি ও তার সহযোগীকে। ওরা দুজন মিলে বদলা নিচ্ছিলো ১৯৯৩ সালে টেক্সার অঙ্গরাজ্যের ওয়াকোতে ঘটে যাওয়া অন্য একটা ম্যাসাকারের। কালট লীডার ডেভিড কোরেশ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে টোবাকো, এলকোহল ও ফায়ার আর্মস সহ হরেক রকম অভিযোগ ছিল ফেডারেল প্রশাসনের। এবং এক সময় এ্যাকশনে যেতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় পুলিশ। অবরোধ করে আটকে ফেলে কোরেশ সহ তার আশ্রমের বাকি সবাইকে। ব্যাপক রক্তপাতের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে এই অধ্যায়ের। ভেভিড কোরেশ সহ সেক্টের বাকি সবাই আগুনে পুড়ে মারা যায়। সরকারী ভাষ্য ভেভিড নিজের দেয়া আগুনেই আত্মাহুতি দিয়েছিল এবং বাকিদেরও বাধ্য করেছিল সহমণে। মোট ৭৫ জনের মৃত্যু হয় এ ঘটনায়। উগ্রপন্থী মিলিশিয়া ও আমেরিকার প্রথম গলফ যুদ্ধের সৈনিক টিমোথি ম্যাকভেই মেনে নিতে পারেনি ফেডারেল সরকারের কার্যক্রম। প্রতিশোধ হিসাবে ট্রাক ভর্তি বোমা মেরে উড়িয়ে দেয় ওকলাহোমা শহরের সরকারী দালান।

সবেমাত্র অষ্ট্রেলিয়া পাট চুকিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছি। থাকি ডালাসে। হাতে অফুরন্ত অবসর। এক টিভি দেখা ছাড়া করার মত তেমন কোন কাজ নেই। চাকরি খোজা কোথা হতে শুরু করব তারও হদিস করতে পারিনি। টিমোথি বিচার পর্বের শেষ অধ্যায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে তখন। এক সময় বেঁচে থাকার সব কটা দরজা বন্ধ হয়েছে টিমোথির জন্য। শরীরে লিথাল ইঞ্জেকশন ঢুকিয়ে কার্যকর করা হয় তার মৃত্যুদ¨। কেবল ইঞ্জেকশন পর্বটা বাদে ফাঁসি পর্বের বাকি সবকিছু সরাসরি সম্প্রচার করে স্থানীয় মিডিয়া। ১৬৮ জনের খুনি একজন অপরাধীর এহেন শাস্তি সমাজে স্বস্তি সহ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়িয়ে দেয়ার কথা। বাস্তবেও ঘটেছিল তাই। কিন্তু ব্যক্তি আমি কিছুক্ষণের জন্য হলেও থমকে গেলাম। একজন জ্বলজ্যান্ত মানুষকে সরকারী আয়োজনে হত্যা করার যৌক্তিকতা খুঁজে পেতে কষ্ট হল। খুনির প্রতি এতদিনের ঘৃণা হঠাৎ করে কেন জানি সহানুভূতিতে রূপ নিল। মনে মনে অলৌকিক এমন কিছু আশা করছিলাম যা বদলে দেবে টিমোথি ম্যাকভেইয়ের ভাগ্য। কিন্তু তেমন কিছু ঘটেনি। সুস্থ সবল টিমোথিকে মরণ চেয়ারে বসিয়ে শরীরে বিষ ঢুকিয়ে লাশ বানানো হয়। কিছুক্ষণ পর তার লাশ ফিরিয়ে দেয়া হয় নিকট আত্মীয়দের কাছে।

উপরের ছবি দুটো বাংলাদেশের। চট্টগ্রামের এই দুই যুবককে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গুলি করে মেরে ফেলেছে। কারণ গুলো আমাদের সবার পরিচিত। গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে ওতপেতে থাকা সহযোগীরা পুলিশকে আক্রমন করে। আসামী দ্বয় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি করতে বাধ্য হয়। এবং তাতেই মৃত্যু হয় তাদের। পুলিশেরও একজন আহত হয় এই ’যুদ্ধে’। বাস্তব ঘটনার সাথে পুলিশি বক্তব্যের তফাৎ বাংলাদেশের কুকুর বেড়ালেরও বুঝতে অসুবিধা হয়না। যে কারও ইশারায় পুলিশ এই দুজনকে উঠিয়ে নিয়ে খুন করেছে। হয়ত বিনিময়ে কারও কাছ হতে পেয়েছে বিশাল অংকের টাকা। পুলিশ বলছে ওরা সন্ত্রাসী, সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী। সরাসরি না বললেও আমাদের বুঝে নিতে হয় এভাবে কাউকে মারার ভেতর অন্যায় কিছু নেই। কতটা অন্যায় করেছিল এই দুই ’আসামী‘? অপরাধ কি সাবেক পুলিশ কমিশনার নুরমোহম্মদের চাইতেও বেশি? উল্লেখ্য, এই কমিশনার চাকরিকালীন সময়ে ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ বানিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিলেন। নুরার আসল চেহারা সমাজে প্রকাশ পাওয়ার আগে তাকে রাষ্ট্রদূত বানিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেয় আগের বৈধ ও বর্তমানের জারজ সরকার। কথিত রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত বাবু কেবল এক রাতেই সত্তর লাখ কামাতে গিয়েছিলেন। কতটা বৈধ ছিল সে আয়? সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ও ডেসটিনি নামক বুবিট্রাপের হোতা জেনারেল হারুনের চাইতেও কি বেশি ছিল এই দুই স্বদেশির অপরাধ? চাইলে এ তালিকা লম্বা করা যায়। ল্যাজ ধরে টান দিলে হয়ত মাথা চলে আসবে। সে মাথায় এক জোড়া চোখ, কান, নাক আর কিছু চুল বসালে এমন কিছু চেহারা বেরিয়ে আসবে যা হজম করার মত উদর বাংলাদেশ এখন নাই বললেই চলে। পুলিশ ও র‌্যাব ঘরণায় ক্রসফায়ার ব্যবসা এখন রমরমা ব্যবসা। বস্তা ভর্তি টাকা নিয়ে যে কেউ ধর্ণা দিতে পারে এই দুই বাহিনীর দুয়ারে। চট্রগ্রামের এই দুই হতভাগার ছবিই বলে দেবে বাকি ইতিহাস।

জরুরি কাজে নারায়ণগঞ্জ যাচ্ছিলাম। পথে ফতুল্লায় বিশাল ট্রাফিক জ্যাম দেখে থমকে গেলাম। কারণটা বের করতে একটু সময় লেগে গেল। রাস্তা আটকে স্থানীয় লোকজন আনন্দ করছে। আনন্দের অতিসয্যে কেউ কেউ রং খেলছে। বাসযাত্রীরাও রেহাই পাচ্ছেনা এ অযাচিত আনন্দ হতে। বাজারের ভেতর নাকি মিষ্টি বিতরনের ফোয়ারা বইছে যা আমরা বাসযাত্রীরা মিস করছি। এ আনন্দের কারণ? আছে একটা নিশ্চয়। এবং তা ভয়াবহ। এলাকার দুই ’সন্ত্রাসী’ র‌্যাবের গুলিতে নিহত হয়েছে। আর তাতেই আমজনতা জেগে উঠেছে এবং সমস্যা সমাধানের আনন্দে নাচতে শুরু করেছে। আমার মনে হল নো ম্যানস ল্যান্ডে আছি আমি। এই ল্যান্ড এমন একটা দেশের ল্যান্ড যেখানে জন্ম-মৃত্যু, বেঁচে থাকা, মরে যাওয়ায় কোন স্বরলিপি নেই। চাহিদা নেই। তাগাদা নেই। অথচ বিচার ব্যবস্থার নামে এখানে লোয়ার কোর্ট, আপার কোর্ট সহ হাতি ঘোড়া, বাঘ ভল্লুক সবই আছে। এ নিয়ে আমাদের গর্বেরও অন্ত নেই। কারণ এসব কোর্টের হাত ধরেই দেশ তত্ত্বাবধায়ক নামের ’কুমির’ হতে মুক্তি পেয়েছিল।

টিমোথি ম্যাকভেইকে বিচার প্রক্রিয়ার সবকটা রাস্তা মারিয়ে ফাঁসির মঞ্চে নেয়া হয়েছিল। চট্টগ্রামের এই দুই বাঙ্গালি কি বেচে থাকার সামান্যতম অধিকার নিয়ে জন্ম নেয়নি?

Comments

‘চাইছি ৫০ হাজার দিলেন ১০ হাজার, আসামি ছাড়ি কেমনে’

‘টাকা চাইছি ৫০ হাজার, দিলেন হইল ১০ হাজার; আসামি ছাড়ি কেমনে বলেন। ২০-২৫ হাজার হইলেই তো ছাইড়া দিতাম। এই টাকাটাই দিতে রাজি হন নাই মিয়া।’ গাঁজা বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার আনোয়ারুল ইসলামের (৩২) স্ত্রী ও স্বজনদের সঙ্গে এভাবেই কথা বলছিলেন গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাকির হোসেন। গত রোববার রাতে আনোয়ারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এএসআই জাকিরের দাবি, এ সময় আনোয়ারুলের কাছে দুই পুরিয়া গাঁজা পাওয়া যায়। চাহিদামতো ঘুষ না দেওয়ায় আনোয়ারুল এখন কারাবাস করছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, কালিয়াকৈরের সুরিচালা এলাকায় সপরিবারে বসবাস করেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার কালিন্দা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারুল। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই এলাকার নাসির গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন তিনি। গত রোববার রাতে কাজ শেষে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কালিয়াকৈরের মাটিকাটা এলাকায় এএসআই জাকির ও দুই কনস্টেবল তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর কাছে থাকা ৮৮৫ টাকা ও মুঠোফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়। পরে আনোয়ারুলের স্ত্রীসহ কয়েকজন আত্মীয়কে ফোন করেন এএসআই।
আনোয়ারুলের বড় ভাই মনিরুল রাতেই থানায় গিয়ে এএসআই জাকিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় জাকির বলেন, ‘আসামিকে কোর্টে চালান করে দেব। পাঁচ-সাত বছরের জেল হয়ে যাবে। ৫০ হাজার টাকা যদি নিয়ে আসেন, তাহলে তাকে ছেড়ে দেব।’

ঘুষের টাকা নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় আনোয়ারুলকে আদালতে চালান দেওয়ার প্রস্তুতি নেন এএসআই এবং মনিরুলকে বলেন, ‘হাজার দশেক টাকা নিয়া আসেন, তাহলে কেস হালকা করে পাঠিয়ে দেব। তা না হলে দুই কেজি গাঁজার মামলা দিয়ে দেব।’ একপর্যায়ে এএসআইকে সাত হাজার টাকা দেন মনিরুল। পরে পুলিশ আসামির কাছে ২০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে মামলা লিখে আনোয়ারুলকে আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর জেলাহাজতে পাঠায়। পরের দিন দুপুরে আনোয়ারুলের বড় ভাই মনিরুল ও স্ত্রী শারমীন জাহান তাঁদের এক আত্মীয়কে নিয়ে এএসআই জাকিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি আরও টাকা চাইলে আনোয়ারুলের স্ত্রী তিন হাজার টাকা দেন। এই টাকা দেওয়ার দৃশ্য এবং তাঁদের মধ্যে কথোপকথন কৌশলে মুঠোফোনে ধারণ করা হয়।
আসামির আত্মীয়: ভাই, ওনার কাছে কী পরিমাণ গাঁজা পেয়েছিলেন?
এএসআই: পরিমাণ তো ফ্যাক্টর না। পরিমাণ বাড়ানোও যাবে কমানোও যাবে।
আসামির আত্মীয়: তাকে তো আপনি চালান দিয়েছেন। এখন তাহলে আমরা কী করব?
এএসআই: কোর্টে গিয়ে উকিল ধরেন।
আসামির আত্মীয়: সহজভাবে এটিকে ফাইনাল করার ব্যবস্থা কী?
এএসআই: থানায় এলে টাকাপয়সা কমবেশি সব জায়গায় লাগে। তো বাঁচতে গেলে কিছু ডোনেশন তো দিতেই হইব। স্যার (ওসি) বলছিল, এক কেজি গাঁজাসহ চালান দিতে। আমি পরিমাণটা কমাইয়া দিছি।
আসামির আত্মীয়: এখন তাহলে আমাদের কী করণীয়, পরামর্শ দেন।
এএসআই: সেটা করা যাবে। বাদী তো আমিই। সাক্ষ্য তো আমাকেই দিতে হবে। এইটা কালিয়াকৈর থানা। এটা কি অন্যান্য ডিস্ট্রিক্ট? গাজীপুর ডিস্ট্রিক্ট! সবাই মনে করেন দুই লাখ-আড়াই লাখ টাকা দিয়ে পোস্টিংয়ে আসে। ১০ হাজার টাকা দিয়ে আপনি আসামি ছাড়াতে পারবেন? কীভাবে ১০ হাজার টাকা সাধেন আপনে? ২০-২৫ হাজার টাকা হলেই আমি ছেড়ে দিতাম। এই টাকাটাই দিতে রাজি হন নাই মিয়া।
আসামির আত্মীয়: আপনি ২০-২৫ হাজার টাকা চাইছেন, তারপর ওরা কী বলেছে?
এএসআই: না, আমি তো টাকা চাইছিলাম ৫০ হাজার। হাজার পঞ্চাশেক তো চাইবই। ১০ হাজার টাকা আপনি কারে দিবেন? কেউ কি মানব? ওসি দশের নিচে নেব? এই সাধারণ সেন্সটা একটা মানুষের থাকা দরকার।
আসামির আত্মীয়: আপনারা যে রাস্তা থেকে লোক ধরে নিয়ে আসেন এবং মাদকদ্রব্যসহ চালান দেন, সেগুলো কোথায় পান?
এএসআই: আরে ভাই আপনি কোন দেশে আছেন? কয়েক দিন আগে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ একজনকে ধরলাম। পরে ৪০ কেজি গাঁজাসহ তাঁকে কোর্টে চালান দিলাম। রাস্তা থেকে লোক ধরে এনে টাকা চাই। দিলে ছাইড়া দিই, না দিলে এক কেজি দুই কেজি কইরা গাঁজাসহ চালান দিয়া দিই। ইয়াবা বড়িও ধরে এনে কিছুটা রেখে দিই এই সব কাজের জন্য।
এএসআই: টাকাপয়সা কিছু খরচ করেন, তাহলে চার্জশিট ফাইনাল কইরা দিব।
কথোপকথনের একপর্যায়ে আনোয়ারুলের স্ত্রী এএসআইকে তিন হাজার টাকা দেন। টাকা নিয়ে এএসআই বললেন, ‘বাকি টাকা কাল সকালে এই আপাকে দিয়ে পাঠিয়ে দেবেন। আমি সব ঠিক কইরা দিব।’
আনোয়ারুলকে গ্রেপ্তার ও ঘুষ নিয়ে দেনদরবারের বিষয়টি প্রথম আলোর প্রতিনিধি জেনে এএসআই জাকিরকে ফোন দিলে তিনি বলেন, ‘থানায় আসেন আপনার সঙ্গে পরে কথা বলব।’
এদিকে আনোয়ারুলের স্ত্রী জানান, গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এএসআই জাকির তাঁকে ফোন করে থানায় যেতে বলেন। বিকেলের দিকে তিনি (শারমীন) থানায় গেলে এএসআই তাঁকে চেয়ার এগিয়ে দেন এবং বসতে বলেন। পরে তাঁকে ৮৮৫ টাকা, আনোয়ারুলের মুঠোফোন ও পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দেন। বাকি পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে দুই হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং তিন হাজার টাকা দালাল সবুজ সরকার নিয়েছেন বলে জাকির জানান।
শারমীন জাহান দাবি করেন, তাঁর স্বামী গাঁজা সেবন করেন না, গাঁজার ব্যবসাও করেন না।
এএসআই জাকির গতকাল বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এমন কাজ করা ঠিক হয়নি, এরপর এমন কাজ করব না। নিউজটা করলে আমার চাকুরিতেও সমস্যা হবে, ইজ্জতও যাবে। তাই দয়া করে নিউজটা করবেন না।’
জানতে চাইলে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ‘ওই এএসআইয়ের লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি এমন অবৈধ লেনদেন বা ঘুষ নিয়ে থাকে তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/124924/%E2%80%98%E0%A6%9A%...

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla