Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

হাইতির ভূমিকম্প আমাদের জন্যে ওয়েক-আপ কল হয়ে থাক...

7.0 Earthquake in Haiti in 2010
হাইতির ভূমিকম্প কতটা ভয়াবহ ছিল তার তথ্যাদি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বদৌলতে বিশ্ব এখন জানতে শুরু করেছে। ইদানিংকালে ৭.০ ম্যাগনিচ্যুডের ভূমিকম্প বিশ্বে এই প্রথম নয়, ২০০৭ সালে ৮.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে। ৫১৯ জন পেরুভিয়ানের মৃত্যুর পাশাপাশি দেশটার দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চল তচনচ করে দিয়েছিল এই প্রাকৃতিক র্দুযোগ। তুলনামূলক কম মাত্রার হলেও হাইতির ভূমিকম্প যে আরও ধ্বংসাত্মক ছিল তা বিশ্বাষ করার যথেষ্ট কারণ আছে। রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের ১০ মাইলের মধ্যেই ছিল এর এপিসেন্টার, যার কারণে ধ্বংসের তান্ডব অতীতের অনেক রেকর্ডই ভাংগতে যাচ্ছে। আর্ন্তজাতিক সংস্থাগুলো প্রস্তাব করছে ৯ মিলিয়ন জনসংখ্যার এই দেশটাকে দ্রুত ও সঠিকভাবে পুনগঠন করতে চাইলে পুরো দেশটাকেই সাময়িকভাবে প্রতিবেশী এস্পানিওয়ালা অথবা ডমিনিকান রিপাবলিক দ্বীপে সড়িয়ে নিতে হবে। অবস্থা কতটা ভয়াবহ হলে এমন একটা প্রস্তাব আসতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। একদিকে প্রাকৃতিক র্দুযোগ সাথে সীমাহীন র্দুনীতি দেশটাকে পশ্চিম গোলার্ধের সবচাইতে গরীব দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। হাইতির মোট জনসংখ্যরা শতকরা আশি ভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বাস করে। দেশটায় প্রতি বছর আঘাত হানে ক্যারাবিয়ান সমুদ্রের হারিকেন। হাইতির এই র্দুদিনে বিশ্ব সম্প্রদায় যে ভাবে এগিয়ে আসছে আমরা ধরে নিতে পারি এর জনগণ কাটিয়ে উঠবে এ র্দুযোগ।

হাইতির সাথে বাংলাদেশের বেশ কতগুলো বিষয়ে আর্শ্চয্য রকম মিল আছে, যার মধ্যে অন্যতম র্দুনীতি। বিশ্ব র্দুনীতির চ্যাম্পিয়নশীপে এ দুটি দেশ অনেকদিন ধরে একে অপরের প্রতিদন্ধি। কি হবে যদি বাংলাদেশের ঢাকা শহর অথবা অন্য কোন জনবহুল শহরে ৭.০ ম্যাগনিচুডের ভূমিকম্প আঘাত হানে? এ লাইনের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৭.০ দরকার হবেনা, কাছাকাছি এপিসেন্টার সহ ৫-৬ মাত্রার ভুমিকম্পই বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিনত করতে যথেষ্ট। প্রাণহানীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে হিসাব করা হচ্ছে। এমন একটা ভয়াবহ চিত্র আজকের দিনে বাংলাদেশের জন্যে অবিশ্বাষ্য কোন কল্পনা নয়। ঢাকা সহ বাংলাদেশের অনেক শহরেই ছোটখাট ভূমিকম্প এখন নিত্যদিনের সংগী। পন্ডিতরা বলছেন, বাংলাদেশের একটা বিশাল এলাকা বড় ধরনের ভূমিকা জোনে অবস্থান করছে। এবং এসব এলাকায় বড় মাপের ভূমিকম্প আঘাত হানলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান যা দাঁড়াবে তা হবে সভ্যতার ইতিহাসে সব চাইতে ভয়াবহ, লৌমহর্ষক এবং হ্রদয় বিদারক।

ভূমিকম্প মোকাবেলার কার্য্যকরী প্রযুক্তি এখন পর্য্যন্ত আবিস্কৃত হয়নি, নিকট ভবিষতে তা হতে যাচ্ছে তাও মনে হয়না। কিন্তূ এর ধ্বংসলীলা কমিয়ে আনার সচেতনতা বাড়ছে পৃথিবী জুড়ে। এ উদ্দেশ্যে দেশে দেশে আরোপিত হচ্ছে চাহিদা পরিপূরক নির্মান কোড। নিশ্চিত করা হচ্ছে আপদকালীন সময়ে বিভিন্ন সংস্থার সমন্নয়, জন্ম নিচ্ছে সোস্যাল নেটওয়ার্ক। অতিরঞ্জিত হবেনা যদি বলা হয় বাংলাদেশ এ দৌড়ে অনেকটা পিছিয়ে আছে। জনসংখ্যার ভয়াবহ বিষ্ফোরন দেশটার আবাসন সমস্যায় এনে দিয়েছে এমন এক মাত্রা, যার সাথে আধূনিক বিশ্বের বিশেষ কোন পরিচয় আছে বলে মনে হয়না। হাইতির ভূমিকম্প এ দিক হতে আমাদের জন্যে ওয়েক-আপ কল হিসাবে কাজ করতে পারে।

সচেতনতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অভাবে ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ কতটা ভয়াবহ হতে পারে হাইতির সাম্প্রতিক ভূমিকম্প তার জ্বলজ্যান্ত উদাহরন। শিক্ষা নিতে চাইলে হাইতি ট্রাজেডি আমাদের জন্যে ভাল উদাহরন হিসাবে কাজ করতে পারে।

Comments

হাইতির চারদিকে লাশ আর লাশ ...

যুগান্তর ডেস্ক
Photobucket
হাইতির চারদিকে এখন শুধু লাশ আর লাশ। পচা লাশের দুর্গন্ধে দেশটির বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। ৪০ থেকে ৫০ হাজার লোকের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে হাজার হাজার লোক। হাসপাতালে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে বহু মানুষ। ভূমিকম্প বিধ্বস্ত হাইতিতে এখন ত্রাণের জন্য চলছে হাহাকার। প্রয়োজনীয় ত্রাণের অভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠছে সেখানকার গৃহহীন মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা উপস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণ করতে হচ্ছে। সাহায্যকর্মীরা তাদের ওপর হামলার আশংকা করছেন। বৃহস্পতিবার দ্রুত ত্রাণ সরবরাহের দাবিতে মৃতদেহ দিয়ে রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করে তারা। মঙ্গলবারের ভয়াবহ এ ভূমিকম্পে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাওয়ারা বিমানবন্দরে বিদেশী ত্রাণ আসা শুরুর পরও বিভিন্ন রাস্তায় বিক্ষোভ করে। সাহায্য কর্মীরা বলছেন, খুব দ্রুত সেখানে খাদ্যপানীয় ও ওষুধ পৌঁছাতে না পারলে বড় রকমের মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে হাজার হাজার লোক। ভূমিকম্পের ৪৮ ঘণ্টা পরও লাখ লাখ মানুষ খাবার ও পানির অভাব নিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে ধ্বংসস্তূপ থেকে নিখোঁজ স্বজনদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। ভারি যন্ত্রপাতি ও সাহায্য কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে সেখানে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় চলছে লেজেগোবরে অবস্থা।

টাইম ম্যাগাজিনের আলোকচিত্রী শল সোয়াজ জানান, দুটি বিক্ষোভ দেখেছেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা মৃতদেহগুলো দিয়ে রাস্তায় বাধা তৈরি করছে। মানুষ এখনও কোন ধরনের সাহায্য না পেয়ে বিক্ষুব্ধ। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, হাইতিতে ভূমিকম্পের ফলে ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। হাইতিতে ভূমিকম্পের পর এখনও ১০০ ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের ৩০টি দেশ হাইতিতে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতায় সাহায্য করছে। হাইতিতে ১০ কোটি ডলারের ত্রাণ সাহায্য দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে কানাডা হাইতির দাতা সম্মেলনে যোগ দেবে। ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত হাইতির সাহায্যে হলিউড তারকারাও পিছিয়ে নেই। হলিউডের তারকা দম্পতি অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এবং ব্রাডপিট তাদের ফাউন্ডেশন ডক্টরস উইথআউট বোর্ডারস এর নামে ১০ লাখ ডলার সাহায্য দিয়েছে। ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত অভিনেত্রী তালিশা মিলানো, অভিনেতা জর্জ ক্লোনী ও গায়িকা শাকিরা অপরাহ উইফ্রে ভক্তদের প্রতি হাইতিবাসীকে সাহায্য করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আগে থেকেই রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীলতার শিকার হাইতির জনগণ এখন খাবার, পানি ও চিকিৎসা সেবার সন্ধানে পোর্ট অব প্রিন্সের পথে পথে ঘুরছে। অতিসত্বর ত্রাণ সরবরাহ না পেলে ভাঙা হাড়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য গুরুতর অবস্থার অনেক রোগী মারা যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে শহরটিতে পৌঁছে যাওয়া ত্রাণকর্মীরা। হাইতিতে একটি অনাথ আশ্রম চালান মার্কিন কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা পল কর্মিয়ার। তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত কঠিন সময়। এর মধ্যেই পোর্ট অব প্রিন্সের দেলমাস এলাকার ভেঙেপড়া বিভিন্ন বড় বিপণি বিতানগুলোর সামনে ভিড় জমাচ্ছে লুটেরার দল। কোন ধরনের বাধা ছাড়াই তারা চুরি করে নিচ্ছে ইলেক্ট্রনিক পণ্য ও চালের ব্যাগ। কেউ কেউ নলের সাহায্যে পেট্রল চুরি করছে পাম্পগুলো থেকে। ব্যবসায়ী মানুয়েল ডিহচ বলেন, পুলিশ সদস্যরা নিজেদের স্বজনদের খুঁজে বের করতে ও সমাহিত করতে ব্যস্ত। রাস্তায় টহল দেয়ার সময় তাদের এখন নেই। যুক্তরাষ্ট্র হাইতিতে সাড়ে ৩ হাজার সৈন্য, তিনশ’ চিকিৎসাকর্মী, বেশ কয়েকটি জাহাজ পাঠাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১৯টি হেলিকপ্টার, বেশকিছু উদ্ধার সরঞ্জামসহ একটি মার্কিন জাহাজ হাইতিতে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার নাগাদ ভারি উদ্ধার সরঞ্জামসহ ২ হাজার ২শ’ মেরিন সেনা হাইতিতে পৌঁছবে। মার্কিন সেনারা বর্তমানে রাস্তাঘাট থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোকে গুরুত্ব দিয়েছেন যাতে সবখানে সাহায্য পৌঁছানো যায়। উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে নিয়োজিত ৬ হাজার মার্কিন নাগরিকও হাইতি যাচ্ছে। কানাডা থেকে পাঁচশ’ সেনাসদস্য নিয়ে জাহাজ পথে রয়েছে এবং ইতিমধ্যেই একদল কর্মী এসে পৌঁছেছে। বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ী শিবির গড়ে উঠেছে এবং সেখানে খাবার পানির জন্য হাহাকার চলছে। এ শহরটির সবখানে এখন মৃতদেহের ছড়াছড়ি। মানুষ নাকে কাপড় চাপা দিয়ে গন্ধ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছে। পিকআপ ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থান থেকে মৃতদেহ এনে পোর্ট অব প্রিন্সের হাসপাতালের সামনে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে।

পশ্চিম গোলার্ধ্বের দরিদ্র এ দেশটির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্সে মঙ্গলবার রাতে ৭ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় সব ভবনই ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আটকে আছে অসংখ্য মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভূমিকম্প বিধ্বস্ত হাইতির জনগণের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তাদের জন্য ১০ কোটি ডলারের জরুরি ত্রাণ সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন। সাহায্যের পরিমাণ আগামীতে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হাইতির পুনর্গঠন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কানাডা অংশগ্রহণ করবে। প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বৃহস্পতিবার একথা জানান। ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজি এর আগে সাবেক ফরাসি উপনিবেশ হাইতিকে সাহায্য করার জন্য দাতাদের সম্মেলনের প্রস্তাব করেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পারের মুখপাত্র দিমিত্রি সুডাস বলেছেন, কানাডা এ ধরনের সম্মেলনে অংশ নেবে।

ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আমেরিকা অঞ্চলের প্রধান জাভিয়ের কাসটেলানোস বলেছেন, হাইতি সরকারের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে।’ তিনি বলেন, এই ভূমিকম্পের তীব্রতা অনুযায়ী প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেশি হবে এবং সরকার যে সংখ্যা জানিয়েছে তা সঠিক মনে হয়। তিনি বলেন, জনসংখ্যার তিনভাগের একভাগ অর্থাৎ কমপক্ষে ৩০ লাখ লোক এ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এএফপি, বিবিসি, রয়টার্স, এবিসি নিউজ।
http://jugantor.info/enews/issue/2010/01/16/news0699.php

Struggle to get aid to Haitians as looters roam

PORT-AU-PRINCE, Haiti – Hundreds of U.S. troops touched down in shattered Port-au-Prince overnight as U.N. and other aid organizations struggled Friday to get food and water to stricken millions. Fears spread of unrest among the Haitian people in their fourth day of desperation.

Looters roamed downtown streets, young men and boys with machetes. "They are scavenging everything. What can you do?" said Michel Legros, 53, as he waited for help to search for seven relatives buried in his collapsed house.

Hard-pressed government workers, meanwhile, were burying thousands of bodies in mass graves. The Red Cross estimates 45,000 to 50,000 people were killed in Tuesday's cataclysmic earthquake.

More and more, the focus fell on the daunting challenge of getting aid to survivors. United Nations peacekeepers patrolling the capital said people's anger was rising that aid hasn't been distributed quickly, and warned aid convoys to add security to guard against looting.

On Friday morning, no sign was seen of foreign assistance entering the downtown area, other than a U.S. Navy helicopter flying overhead.

Ordinary Haitians sensed the potential for an explosion of lawlessness. "We're worried that people will get a little uneasy," said attendant Jean Reynol, 37, explaining his gas station was ready to close immediately if violence breaks out.

"People who have not been eating or drinking for almost 50 hours and are already in a very poor situation," U.N. humanitarian spokeswoman Elisabeth Byrs said in Geneva. "If they see a truck with something, or if they see a supermarket which has collapsed, they just rush to get something to eat."

The quake's destruction of Port-au-Prince's main prison complicated the security situation. International Red Cross spokesman Marcal Izard said some 4,000 prisoners had escaped and were freely roaming the streets.

"They obviously took advantage of this disaster," Izard said.

But Byrs said peacekeepers were maintaining security despite the challenges. "It's tense but they can cope," she said.

The U.N. World Food Program said post-quake looting of its food supplies long stored in Port-au-Prince appears to have been limited, contrary to an earlier report Friday. It said it would start handing out 6,000 tons of food aid recovered from a damaged warehouse in the city's Cite Soleil slum.

A spokeswoman for the Rome-based agency, Emilia Casella, said the WFP was preparing shipments of enough ready-to-eat meals to feed 2 million Haitians for a month. She noted that regular food stores in the city had been emptied by looters.

More than 100 paratroopers of the U.S. 82nd Airborne Division arrived at the Port au Prince airport overnight, boosting the U.S. military presence to several hundred on the ground here, and others have arrived off Port-au-Prince harbor on the aircraft carrier USS Carl Vinson.

Helicopters have been ferrying water and other relief supplies off the Vinson into the airport, U.S. military officials said.

"We have much more support on the way. Our priority is getting relief out to the needy people," Lt. Gen. Ken Keen, deputy commander of the U.S. Southern Command, told ABC's "Good Morning America."

The command said other paratroopers and Marines would raise the U.S. presence to 8,000 troops in the coming days. Their efforts will include providing security, White House spokesman Robert Gibbs said.

Hundreds of bodies were stacked outside the city morgue, and limbs of the dead protruded from the rubble of crushed schools and homes. A few workers were able to free people who had been trapped under the rubble for days, including a New Jersey woman, Sarla Chand, 65, of Teaneck, freed by French firefighters Thursday from the collapsed Montana Hotel. But others attended to the grim task of using bulldozers to transport loads of bodies.

Driving a yellow backhoe through downtown Friday morning, Norde Pierre Rico said his government crew had cleared one house and found four people alive. But "there's no plan, no dispatch plan," he said, another sign of a lack of coordination and leadership in the rescue and aid efforts in these early days of the crisis.

Experts say people trapped by Tuesday's quake would begin to succumb if they go without water for three or four days.

Haitian President Rene Preval told The Miami Herald that over a 20-hour period, government crews had removed 7,000 corpses from the streets and morgues and buried them in mass graves.

For the long-suffering people of Haiti, the Western Hemisphere's poorest nation, shock was giving way to despair.

"We need food. The people are suffering. My neighbors and friends are suffering," said Sylvain Angerlotte, 22. "We don't have money. We don't have nothing to eat. We need pure water."

From Europe, Asia and the Americas, more than 20 governments, the U.N. and private aid groups were sending planeloads of high-energy biscuits and other food, tons of water, tents, blankets, water-purification gear, heavy equipment for removing debris, helicopters and other transport. Hundreds of search-and-rescue, medical and other specialists also headed to Haiti.

The WFP began organizing distribution centers for food and water Thursday, said Kim Bolduc, acting chief of the large U.N. mission in Haiti. She said that "the risk of having social unrest very soon" made it important to move quickly.

Governments and government agencies have pledged about $400 million worth of aid, including $100 million from the United States.

But the global helping hand was slowed by a damaged seaport and an airport that turned away civilian aid planes for eight hours Thursday because of a lack of space and fuel.

At Toussaint L'Ouverture International Airport, a stream of U.S. military cargo planes was landing Friday, but they had to circle for an hour before getting clearance to land because the quake destroyed the control tower and radar control, and the U.S. military was using emergency procedures.

Aid workers have been blocked by debris on inadequate roads and by survivors gathered in the open out of fear of aftershocks from the 7.0-magnitude quake and re-entering unstable buildings.

"The physical destruction is so great that physically getting from point A to B with the supplies is not an easy task," Casella, the WFP spokeswoman in Geneva, said at a news conference.

Across the sprawling, hilly city, people milled about in open areas, hopeful for help, sometimes setting up camps amid piles of salvaged goods, including food scavenged from the rubble.

Small groups could be seen burying dead by roadsides. Other dust-covered bodies were dragged down streets, toward hospitals where relatives hoped to leave them. Countless dead remained unburied. Outside one pharmacy, the body of a woman was covered by a sheet, a small bundle atop her, a tiny foot poking from its covering.

Aid worker Fevil Dubien said some people were almost fighting over the water he distributed from a truck in a northern Port-au-Prince neighborhood.

Elsewhere, about 50 Haitians yearning for food and water rushed toward two employees wearing "Food For The Poor" T-shirts as they entered the international agency's damaged building.

"We heard a commotion at the door, knocking at it, trying to get in," said project manager Liony Batista. "'What's going on? Are you giving us some food?' We said, 'Uh-oh.' You never know when people are going over the edge."

Batista said he and others tried to calm the crowd, which eventually dispersed after being told food hadn't yet arrived.

"We're not trying to run away from what we do," Batista said, adding that coordinating aid has been a challenge. "People looked desperate, people looked hungry, people looked lost."

Engineers from the U.N. mission have begun clearing some main roads, and law-and-order duties have fallen completely to its 3,000 international troops and police.

David Wimhurst, spokesman for the U.N. peacekeeping mission, said Haitian police "are not visible at all," no doubt because many had to deal with lost homes and family members. The first U.S. military units to arrive took on a coordinating role at the airport.

Batista, the Food For The Poor project manager, went back to the Dominican Republic late Thursday and awaited the arrival of 100 shipping containers loaded with rice, canned goods and building supplies.

"I don't think that a word has been invented for what is happening in Haiti," he said. "It is total disaster."
http://news.yahoo.com/s/ap/cb_haiti_earthquake

Haiti Earthquake Science: What Caused the Disaster

The major earthquake that struck Haiti Tuesday may have shocked a region unaccustomed to such temblors, but the devastating quake was not unusual in that it was caused by the same forces that generate earthquakes the world over. In this case, the shaking was triggered by much the same mechanism that shakes cities along California's San Andreas fault.

The 7.0-magnitude Haiti earthquake would be a strong, potentially destructive earthquake anywhere, but it is an unusually strong event for Haiti, with even more potential destructive impact because of the weak infrastructure of the impoverished nation.

While reports from the ground on the effects of the quake are spotty because of downed communication lines, geologists can use worldwide measurements of the event as well as their general knowledge of how earthquakes work to piece together a picture of what happened in Haiti.

Sliding plates

Earthquakes typically occur along the jigsaw-puzzle pieces of Earth's crust, called plates, which move relative to one another, most of the time at an imperceptibly slow pace. In the case of the Haiti quake, the Caribbean and North American plates slide past one another in an east-west direction. This is known as a strike-slip boundary.

Stress builds up in points along the boundary and along its faults where parts of the crust stick; eventually that stress is released in a sudden, strong movement that causes the two sides of the fault to move and generate an earthquake. The fault system that ruptured to cause this quake is called the Enriquillo-Plantain Garden fault system.

Major earthquakes are rare in this part of the world in part because the Caribbean is a minor plate, with a fault system that isn't as long as, say, the San Andreas, which is at the boundary between two of the world's largest plates - the Pacific and North American plates.

The unusually high magnitude of Tuesday's quake for this region is part of the reason it has likely caused enormous damage to Haiti.

Intensity and infrastructure

Another factor in the damage that a quake can cause is it intensity. While magnitude is a measurement of how much energy is released by an earthquake, intensity is "simply an estimate or a measure of how strongly that earthquake was felt," said Don Blakeman, an earthquake analyst with the United States Geological Survey.

One factor that influences earthquake intensity is the distance to the epicenter of those who feel the earthquake's effects. In the case of the Haiti quake, the epicenter of the quake was only 10 miles (15 km) southwest of the capital Port-au-Prince and just 6.2 miles (10 km) below the Earth's surface, "which for earthquakes is very shallow," Blakeman told LiveScience.

"So everyone in Port-au-Prince is basically within 30 to 40 km [18 to 25 miles] of the earthquake," he added.

"The depth of this earthquake in Haiti was very shallow meaning that the energy that was released is very close to the surface," said Carrieann Bedwell of the USGS and NEIC.

In contrast, areas like the Fiji Islands in the South Pacific can experience earthquakes that originate hundreds of miles down in the Earth's crust, which would already put them hundreds of miles away from the earthquake, Blakeman explained. Earthquakes are much deeper in this the South Pacific because instead of two plates sliding past one another, one is descending deep into the Earth below the other, allowing earthquakes to originate much farther down below the surface. This is called a subduction zone.

Another unfortunate factor in the intensity equation for Haiti is the infrastructure involved.

The 1989 Loma Prieta earthquake that struck San Francisco just before Game 3 of the 1989 World Series was also about a 7.0-magnitude quake. While it killed scores of people and caused billions of dollars in property damage, the relatively high construction standards in the city kept the devastation much lower than what will likely be the case in Haiti.

Haiti is a poor country with lax building standards and high population density, which makes buildings more likely to crumble, according to Blakeman. "Unfortunately that's going to be a lot of the factor here," he said.

Experts have estimated that the death toll will likely reach into the thousands, with untold numbers homeless.

Another problem is the relative rareness of major earthquakes in the area coupled with poor public communication and education, which likely means that most Haitians were not prepared for such a disaster, as many Californians might be.

Waiting for answers

Information from the earthquake will help scientists better understand the future quake threat that exists for Haiti and the rest of the Caribbean by providing information that isn't available from the previously known major quakes in the region, which occurred in the 18th and 19th centuries.

Just how bad the destruction from the quake will be remains to be seen and likely will not be known fully for days, as reports trickle in from the crippled island nation. The United Nation and Red Cross have both mobilized emergency efforts.

"There is no doubt that we are facing a major humanitarian emergency and that a major relief effort will be required," said United Nations Secretary-General Ban Ki-moon.

Compounding the problems of the quake aftermath will likely be the numerous aftershocks that accompany any major earthquake. Though aftershocks are typically several orders of magnitude below the original temblor, they can still cause further damage, especially with the precarious building situation in Haiti.

The USGS has already measured more than 40 aftershocks above a 4.0 magnitude (including a 5.9 and 5.5 magnitude) and many more below that, Bedwell said. More aftershocks are anticipated in the coming days and weeks as the restive fault continues to react to the jolt that set it off in the first place.

"We like to think they are more repositioning of the faults in the area because of the larger earthquake," Bedwell said.
http://news.yahoo.com/s/livescience/haitiearthquakesciencewhatcausedthed...

Haiti: Where will all the money go?

WASHINGTON – Haiti has received billions of dollars in taxpayer and private aid from the United States and others, yet is so poor that few homes had safe drinking water, sewage disposal or electricity even before the earthquake. With sympathetic donors around the world sending money, making sure that aid is spent properly will be a challenge.

Corruption, theft and other crime and Haiti's sheer shortage of fundamentals — reliable roads, telephone and power lines and a sound financial system — add to the difficulty as foreign governments and charities try not only to help Haiti recover from the disaster but pull itself out of abject poverty.

It is one of the poorest places on Earth. Most basic public services are lacking, people typically live on less than $2 a day, nearly half the population is illiterate and the government has a history of instability. The public has little opportunity to be sure that aid to the government is used honestly and well. Nor is following the money easy for donors, including the United States, 700 miles away and one of the country's biggest helpers.

"It has been a challenge and I think it really is one of the things we have to look at when the country has had such long-standing problems that it seems as though we have made little dent there," said Rep. Russ Carnahan, D-Mo., chairman of the House Foreign Affairs Committee's subcommittee on international organizations, human rights and oversight.

The immediate focus is search and rescue and addressing immediate public health needs. But after that, "I think there's going to be a number of questions that arise," Carnahan said.

Just last month, a private group, the Heritage Foundation for Haiti, urged Haiti's government to complete an audit of a $197 million emergency disaster program to respond to corruption allegations over how the money was handled. Haiti's senate cited the allegations when it removed Prime Minister Michele Pierre-Louis in November and replaced her with Jean-Max Bellerive.

President Barack Obama promised at least $100 million in earthquake aid. That comes on top of substantial spending by the United States in Haiti in recent years for economic development, such as the country's textile industry, humanitarian assistance, environmental programs, and law enforcement, including trying to stop the use of Haiti as a pass-through point for narcotics en route to the United States.

Apart from earthquake relief, senators working on the next annual foreign assistance budget have proposed at least $282 million for Haiti; the House proposal would provide at least $165 million.

Much of the U.S. government's aid to Haiti comes through the U.S. Agency for International Development, which has provided at least $800 million from budget years 2004 through 2008, agency figures show.

At least $700 million more was pledged for Haiti by governments, international givers and charities at an April 2009 donors conference. Former President Bill Clinton, a United Nations special envoy to the country, told the U.N. Security Council in September that he was "100 percent committed to delivering tangible results to the U.N. and most importantly the people of Haiti."

The Haitian government relies on foreign aid to keep itself and its economy operating.

In a December 2008 Gallup survey, 60 percent of Haitians interviewed said there had been times that year when they didn't have enough money to buy food, and 51 percent said there were times they couldn't afford shelter.

Statistics about Haiti, as gathered by the U.S. government, chronicle a grim standard of living. According to the CIA and State Department, 1 in 8 children in Haiti dies before age 5. The life expectancy is 59 to 62 years. Malaria, typhoid and dengue fevers and other life-threatening illnesses long ago wiped out in the industrialized world still plague Haiti.

For government and private relief organizations, simply communicating and moving money and supplies around in the country were difficult absent a natural disaster like this one.

As of 2008, Haiti had 108,000 main telephone lines in use, putting it 142nd among countries in land-line phone use, but ranked better on cellular access. There were 3.2 million cellular phones in use in 2008, making it 105th worldwide by that measure, the U.S. government said.

"Attention on Haiti is often focused in times of disaster but not necessarily in the long-term," said Rich Thorsten, director of international programs for Water.org, a charity working to provide safe drinking water and sewage treatment to Haitians. "Funding that has been available does not necessarily go toward basic infrastructure like water and sanitation."

The Haitian government doesn't use its own resources for sanitation, and instead depends on charities, Thorsten said. In addition, international groups often do not coordinate, and there are also problems with security, corruption and political stability, he said.

"It is very important to keep track of the spending, and so when we work with partner organizations we make sure they have detailed accounting systems," he said. Supplies must be guarded, he added.
http://news.yahoo.com/s/ap/us_haiti_following_the_money

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla