Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

যথাক্রমে নতুন আবুলের সন্ধানে বিশ্বব্যাংক ও ইউনূসের খোঁজে বাংলাদেশ সরকার

Bangladeshi Corruptions
উন্নত বিশ্ব হলে এ নিয়ে হৈ চৈ পরে যেত। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার শিরোনাম হয়ে রাষ্ট্রের ভীত কাঁপিয়ে দিত। কিন্তু সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশে আমরা উলটা পথে হাটতে অভ্যস্ত । যা নিয়ে কথা না বললেই নয় তা ঠেলে দেই শেষ পৃষ্ঠায়। তাই এ নিয়ে কোথাও কোন উচ্চবাচ্য হবে আশা করছিনা। ভিটামিন ’এ’ ক্যাপসুল নিয়ে তুঘলকি কারবারের খবরটা কোন পৃষ্ঠায়ই ঠাঁই পেতনা যদিনা বিশ্বব্যাংক বাগড়া দিত। একই ব্যাংকের অর্থায়নে আড়াই কোটি শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। নিয়মমাফিক টেন্ডার হয়েছিল এবং দেশীয় টেন্ডারের সব শর্ত পূরণের মাধ্যমে ভারতীয় কোম্পানী অলিভ হেলথ কেয়ারের প্রডাক্টকে নির্বাচিত করেছিল বাছাই কমিটি। কথায় বলে ন্যাড়া একবারই বেলতলা যায়। কিন্তু কোম্পানী যদি হয় বিশ্বব্যাংক বোধহয় বার বার যেতে আপত্তি করেনা। কারণ ন্যাড়া হলেও তাদের মাথার খুলি অসম্ভব শক্ত। এক পদ্মাসেতু দিয়ে তাদের কাবু করা গেছে এমনটা যারা ভেবেছিলেন তারা নড়েচড়ে বসতে পারেন। বাংলাদেশের কোন প্রকল্পই যে বিশ্বব্যাংকের ব্লাইন্ড চেক পেতে যাচ্ছেনা তার প্রমাণ এই ক্যাপসুল প্রকল্পে। আয়োজন শেষে তারিখ পর্যন্ত ঘোষনা করেছিল মন্ত্রনালয়। কথা ছিল ৫ই জানুয়ারী শুভ উদ্ধোধন হবে। হয়ত প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েই ফিতা কাটা হত প্রচারণার ঢোল। কিন্তু হায়, অর্থ ছাড় করার আগে বিশ্বব্যাংক বলল, নট সো ফাষ্ট! নির্বাচিত ক্যাপসুলের সেম্পল নিজ উদ্যোগে ল্যাবে পাঠায় এবং বের করে আনে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কালো বিড়াল। বের হয়ে আসে অলিভ হেলথ কেয়ারের ক্যাপসুল কেবল নিম্ন মানেরই নয়, তা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের বিড়াল রেলের বিড়ালের মতই তাগড়া এবং দেখতে কালো। আমরা স্বদেশীরা না চিনলেও আর্ন্তজাতিক সংস্থা গুলো ধীরে ধীরে চিনতে শুরু করেছে বাংলাদেশি বিড়ালের আসল চেহারা। পদ্মা সেতুর মতই ভারতীয় কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দিতে মন্ত্রনালয়ের কতিপয় ব্যক্তি উঠে পড়ে লেগেছিলেন। এমনকি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সনদপ্রাপ্ত পরীক্ষাগার ভারতীয় এসজিএস প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে প্রভাবিত করেছিলেন ক্যাপসুলের মানের পক্ষে প্রত্যায়ন পত্র লিখতে। কিন্তু সবাইকে ফাঁকি দেয়া সম্ভব হলেও সম্ভব হয়নি বিশ্বব্যাংককে। জাতি হিসাবে আমদের বোধহয় কৃতজ্ঞ থাকা উচিৎ দুই আবুল, উপদেষ্টা মশিউর আর কানাডায় বাসরত অদেখা কালো বিড়ালদের কাছে। এরা পদ্মার পানি ঘোলা না করলে একদল লুটেরা রাষ্ট্রীয় খাজাঞ্জিখানা লুটের পাশাপাশি আড়াই কোটি শিশুর মুখে তুলে দিত স্লো পয়েজনিং মৃত্যু।

একটা সমাজ কতটা কলুষিত হলে তার আড়াই কোটি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে জুয়া খেলতে পারে? জাতীয় চরিত্রের এই পশুত্বকে কি আমরা স্বাভাবিক জীবন হিসাবে মেনে নিয়েছি? কতিপয় দুর্নীতিপরায়ন ব্যক্তিতে দায়ী করে দায়মুক্তির রাস্তা খোঁজা কি যথেষ্ট হয়নি? এরা কি আসলেই কতিপয় ব্যক্তি মাত্র? পদ্মাসেতু, সোনালী ব্যাংক, ডেসটিনি উপাখ্যান, শেয়ার বাজার সুনামী, কুইক রেন্টাল স্ক্যাম, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রতারণা কি প্রমাণ করেনা কতিপয় ব্যক্তি নয়, বরং রাষ্ট্রের উদ্যোগে সুপরিকল্পিত ভাবে আয়োজন করা হয় এসব লুটপাট? এক বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সংসদ নির্বাচন। হাজার হাজার কোটি টাকা হাত বদল হবে এই নির্বাচনে। সংসদ প্রার্থীরা বিনিয়োগ করবেন এমন সব অংক যার জরায়ুতে জন্ম নেবে হত্যা, খুন, গুম আর দানবীয় শক্তির অদেখা পশুত্ব। একটা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া আমাদের জন্য জরুরি, কেন এই বিনিয়োগ? হয়ত সুশীলদের উত্তর হবে জনসেবা, রাজনীতিবিদরা বলবেন গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা। জনসেবার জন্য সাংসদ হওয়াটা কি একান্ত বাধ্যতামূলক? দেশকে ভালবাসতে চাইলে ক্ষমতা কি খুবই জরুরি? এসব প্রশ্নের উত্তরই হয়ত উন্মোচন করতে পারে ক্যাপসুল কলঙ্কের আসল অধ্যায়। আমরা বছরের পর বছর ধরে দেখছি ক্ষমতা দেশীয় রাজনীতিবিদদের হাতে তুলে দেয় রাষ্ট্রীয় খানাজাঞ্জিখানার সিসিম ফাঁক মন্ত্র। এ মন্ত্র বলেই তেনারা খুলে থাকেন আলীবাবা চল্লিশ চোরের গুহা। এর পরের ইতিহাস আমাদের সবার জানা। এসব গুহাতেই জন্ম নেয় পদ্মাসেতু, হলমার্ক, ডেসটিনি, স্টক মার্কেট, কুইক রেন্টাল, ব্যাংক, বীমা, মিডিয়া, টেন্ডার, খুন, গুম, ক্রসফায়ার, লীগ, দল, শিবির এবং অবশ্যই ভিটামিন ‘এ‘ ক্যাপসুল প্রকল্প। সব একসূত্রে গাথা। গঙ্গালুটের মহাপরিকল্পনা। এক আবুল, তানভীর আর মশিউরকে শাস্তি দিয়ে জাতির শরীর হতে এসব ক্যান্সার দূর করা যাবে এমনটা যারা ভাবেন তারা বোধহয় দলীয় ব্রান্ডের দুধকলা খেয়ে পিতা অথবা স্বামীর রাজ্যে বাসবাস করছেন।

পদ্মা সেতুর মলমূত্র নিষ্কাশনে ইউনূস ড্রেন স্থানীয় পর্যায়ে বেশ ভাল কাজ দিয়েছিল। সরকার প্রধান এ কাজে বেশ নিপুণতা দেখিয়েছিলেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে গোটা বাংলাদেশকে ড্রেন বানালেও সরকারের আবর্জনা দূর করার জন্য যথেষ্ট হবেনা। অন্তত যতদিন বিশ্বব্যাংকের চোখ খোলা থাকবে।

Comments

ড. ইউনূস ও ওয়ারেন বাফেটকে

ড. ইউনূস ও ওয়ারেন বাফেটকে ফোর্বস ম্যাগাজিনের সম্মাননা
ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
87
পরের সংবাদ»

বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দু’শতাধিক ব্যক্তির এক সম্মেলনে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ধনকুবের ওয়ারেন বাফেটকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
গত বুধবার জাতিসংঘ ভবনে তাদের সম্মাননা দেয়া হয়। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এ সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্বখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন। এ সময় সম্মেলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিরা সমবেতভাবে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে প্রফেসর ইউনূস এবং ওয়ারেন বাফেটকে অভিন্দন জানান।
সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন উপস্থিত সম্মানিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে দারিদ্র্যনিরসন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও পরিবেশের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোতে ভূমিকা রাখতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের সর্বোচ্চ বিত্তশালী ব্যক্তিদের সামাজিক ব্যবসায় অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
তিনি প্রস্তাব করেন, এ ফিলানথ্রোপি সম্মেলনে যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের দানের অর্থের ১০ শতাংশ প্রতি বছর তারা যেন সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। ফোর্বস ম্যাগাজিনের চেয়ারম্যান স্টিভ ফোর্বস বলেন, ‘এ সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্পদের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক ট্রিলিয়ন ডলার।’
ওয়ারেন বাফেট ছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটস, বিল অ্যাকমেন, বোনো, রে চেম্বারস, পল টিউডর জোন্স, পিটার জি পিটারসন, সোয়ার্স ম্যান, জেফ স্কল প্রমুখ।
রবিনহুডের প্রতিষ্ঠাতা পল টিউডর জোন্স ও ই-বে’র প্রতিষ্ঠাতা জেফ স্কল ও প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পেল্গনারি সেশনে বক্তব্য রাখেন।
সন্ধ্যায় ড. ইউনূস ও ওয়ারেন বাফেটের সম্মানে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদানের আগে স্টিভ ফোর্বস মুহাম্মদ ইউনূস ও তার কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘ইউনূস দারিদ্র্যনিরসনে একজন অসাধারণ অনুঘটক, একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব যিনি মানুষের প্রকৃতির শুভ দিকটির সংজ্ঞায়নে অনেক অবদান রেখেছেন।’
ওয়ারেন বাফেটকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদানের আগে রক সঙ্গীতের গুরু বোনো তাকে পরিচয় করিয়ে দেন। ইউনূস সম্পর্কে স্টিভ ফোর্বসের ঘোষণাকে টেনে এনে ওয়ারেন বাফেট তার বক্তব্যে রসিকতা করে বলেন ‘আগামীকাল বার্কশিয়ার হ্যাথঅ্যাওয়ের শেয়ার আকাশচুম্বী হবে। কেননা স্টিভ ফোর্বস মুহাম্মদ ইউনূসকে সিইও হিসেবে আমার উত্তরসূরি ঘোষণা করেছেন। এমনকি বিল গেটস, যিনি আমার পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য, তিনি এ তথ্যটি এখনও জানেন না।’
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/06/09/203592#.UbSQc_lJN9s

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন ড. ইউনূস

শুক্রবার, ০৮ মার্চ ২০১৩

মানবজমিন ডেস্ক: আগামী ১৭ই এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেলে’ ভূষিত করা হবে ক্ষুদ্র ঋণের প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। ক্যাপিটল ভবনের রুটান্ডায় তাকে এ মেডেলটি পরিয়ে দেয়া হবে। মার্কিন পার্লামেন্টের স্পিকার জন বেনার এবং সিনেটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতাদের এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ২০১০ সালের ৫ই অক্টোবর ড. ইউনূসকে কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল দেয়ার বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। বৈশ্বিক দারিদ্র্য নিরসনের লড়াইয়ে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নয়নশীল বাংলাদেশের দারিদ্র্য দূরীকরণে অন্যতম ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিশ্বের বহু দেশে ইউনূসের দারিদ্র্য দূরীকরণের ক্ষুদ্র ঋণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। সারা বিশ্বে গ্রহণযোগ্যতা পায় তার এ মডেল। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডমও অর্জন করেছেন তিনি।
http://www.mzamin.com/details.php?nid=NDU1Nzk=&ty=MA==&s=MTg=&c=MQ==

স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি, জানতে চায় বিশ্বব্যাংক

স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা জানতে চেয়ে সচিবকে চিঠি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। মন্ত্রণালয় ও দাতাদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের চিঠি পাওয়ার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যখন তদন্ত শুরু করেছে, তখন সরকারের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরো প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনকে নাকচ করে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন ছাপাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এর অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এভাবে নিজেদের দুর্নীতি ধামাপাচা দিতে সরকারি অর্থ খরচ করছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. হুমায়ুন কবির বিশ্বব্যাংকের চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-02-24/news/331606

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসই ব্যাংকটিকে ধ্বংস করবেন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সচিবালয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকটাকে ধ্বংস করার সব ব্যবস্থা উনি (ইউনূস) করে রেখেছেন। যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনিই এটাকে ধ্বংস করে যাবেন।’
মন্ত্রীর এ মন্তব্যের সময় গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘শুরুর দিকে মোজাম্মেল হক গ্রামীণ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ছিলেন। ১৯৮২ সালে যখন এটি একটি প্রকল্প ছিল মাত্র। ২০০৩ সালে তিনি অবসরে যান। এই ফাঁকে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করান। মোজাম্মেল হক এসেছিলেন মূলত এ নিয়ে কথা বলতে।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাঁকে বললাম, আরও আগে কেন আসেননি? তাহলে ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক হিসেবে গড়ে তুলে দিয়ে যেতে পারতাম।’
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস তা আটকে রেখেছেন। মামলা করে বন্ধ করে রেখেছেন।’

ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক দখল করে বসে আছেন বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘উনি এটাকে নিয়ে কোনো কাজ করতে দেবেন না।’
একপর্যায়ে কিছুটা ক্ষুব্ধ কণ্ঠে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকটাকে ধ্বংস করার সব ব্যবস্থা উনি করে রেখেছেন। যিনি ব্যাংকটা প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনিই এটাকে ধ্বংস করে যাবেন।’
অর্থমন্ত্রীর কথা শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক। তিনি কিছু নতুন তথ্য জানান। চেয়ারম্যান বলেন, গ্রামীণফোনের লভ্যাংশ হিসেবে গ্রামীণ টেলিকমের ৩০ হাজার কোটি টাকার হদিস নেই। এ টাকা গ্রামীণ ব্যাংকের থাকার কথা ছিল। এ টাকার সুবিধাভোগী হওয়ার কথা গ্রামীণ ব্যাংক সদস্যদের।
মোজাম্মেল হক প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এ টাকা কোথায় গেল? শোনা যাচ্ছে, গ্রামীণ টেলিকম আরেকটি সংস্থা করেছে। সেটি হচ্ছে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট। এ টাকা হয়তো সেখানেই রয়েছে।’
তবে বিষয়টি গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন খতিয়ে দেখছে বলে জানান মোজাম্মেল হক।
গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ব্যাংকের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। এর দুই হাজার ৫৬৭টি শাখা, ২৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ অবস্থা টালমাটাল হয়নি। কারও মধ্যে কোনো অস্থিরতা নেই। ২০১১ সালে মুনাফা ছিল ৮৫ কোটি টাকা। আর এবার হয়েছে ১৪০ কোটি টাকা।
মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়ের বিষয়টি উল্লেখ করে মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের যখন ৩০ বছর, তখন স্যার চলে গেছেন। তিনি একটি কাঠামো তৈরি করে রেখে গেছেন। এখন তা ধরে রাখতে পারলেই হলো।’
http://www.prothom-alo.com/detail/news/323836

ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় জামিন

ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় জামিন পেয়ে সেই শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা

রাজবাড়ীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় জামিন পাওয়া তরুণ একই শিশুকে গতকাল রোববার ধর্ষণ ও হত্যা করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় রইচ শেখ নামের ওই তরুণকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। সদর উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে গতকাল রোববার সকালে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি ঘটে। মেয়েটি (৫) স্থানীয় একটি ব্র্যাক স্কুলের শিশু শ্রেণীর ছাত্রী।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি সকাল ১০টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় গ্রামের মৃত আশরাফ আলী শেখের ছেলে রইচ শেখ (১৮) তাকে পাশের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এর আগে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় রইচ শেখকে গত বছরের ১৫ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই শিশুর বাবা আফজাল মৃধা বাদী হয়ে রইচের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় মামলা করেন। ওই মামলা বিচারাধীন অবস্থায় তিনি হাজতবাস করেন। গত ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি জামিন পান।

পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় রইচ শেখ মেয়েটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওর (মেয়েটির) জন্য আমি ছয় মাস জেল খাটছি। এ সময়ে আমার বাবাও মারা গেছে। আমি ওকে বাঁশবাগানে ডেকে নিয়ে পেটে লাথি মেরে হত্যা করেছি...
[link|http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-14/news/321202|http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-14/news/321202]

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla