Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

হে নাগরিকত্ব, তোমাকে ত্যাজ্য করলাম

Bangladeshi Citizenship

নেশা জাতীয় কিছু খাইয়ে কাউকে ধর্ষন করা খুব সহজ। বেহুসদের হুস থাকেনা। তাদের গায়ে হাত দেয়া যেমন সহজ তেমনি সহজ পরনের কাপড় সরিয়ে ঝটপট জৈব লালসা মিটিয়ে নেয়া। ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন ছিল লালসা মেটানোর তেমনি একটা উৎসব। ৩০ লাখ এবং ২ লাখ, মোট ৩২ লাখ। সংখ্যাটার ভৌতিক, যৌগিক ও রাসায়নিক নীরিক্ষার পর ফিনিশড প্রোডাক্ট হিসাবে বাজারে যা ছাড়া হয়েছে তার নাম দেয়া হয়েছে, চেতনা'৭১...ফেন্সি ও ইয়াবার মত চেতনা'৭১ও নেশা ধরায়। মারাত্মক নেশা। আওয়ামী লীগ এ মুহূর্তে জাতিকে চেতনা'৭১ খাইয়ে গনধর্ষণ করছে। জনাবা শেখ হাসিনা নিজের জৈব ক্ষুধা মেটাতে ৫ তারিখ আয়োজন করেছিলেন গ্যাং ব্যাং গনধর্ষণের আসর।

জানুয়ারীর ৫ তারিখ হতে বাংলাদেশে কোন বৈধ সরকার নেই। এ সরকারের সবকিছু এখন অবৈধ। পাসপোর্টও এর বাইরে নয়। একটা অবৈধ সরকারের পাসপোর্ট পকেটে নিয়ে ঘুড়ে বেড়ানোও এক ধরণের অপরাধ। এক অর্থে জারজ সরকারকে স্বীকৃতি দেয়া। নিজের খেয়ে পরের অপরাধের অংশিদার হওয়ার কোন ইচ্ছ নেই আমার। তাই তালাক দিচ্ছি সরকারকে। সাথে সাময়িক বিদায় জানাচ্ছি আমার নাগরিকত্বকে। একটা সূস্থ স্বাভাবিক সরকার ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত আমার বাংলাদেশি পাসপোর্টকেও আমি নির্বাসনে পাঠাচ্ছি। নো ম্যানস্‌ ল্যান্ডে সমাহিত করছি প্রিয় মাতৃভূমি।

Comments

চট্টগ্রামে দুই যুবককে উঠিয়ে

চট্টগ্রামে দুই যুবককে উঠিয়ে নিয়ে গুলি করে মেরেছে পুলিশ; ‘বন্দুকযুদ্ধের’ গল্প নিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তার দু’রকম বক্তব্য, পরিবারের দাবি পরিকল্পিতভাবে খুন

চট্টগ্রামে পুলিশের গুলিতে দু’যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত ভোর রাতে নগরীর হালিশহরের বন্দর টোল রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনায় সিএমপি দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা দুই রকম বক্তব্য দিয়েছেন। অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) এসএম তানভীর আরাফাত দাবি করেন, জেলা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের নায়েক ফরিদুল আলম হত্যার আসামি ধরার জন্য পুলিশের একটি টিম গতকাল ভোরে নগরীর হালিশহর বন্দর টোল রোড এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ‘সন্ত্রাসীরা’ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে পুলিশের পাল্টা গুলিতে দুই ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়।
অপরদিকে সিএমপির ডবলমুরিং জোনের সহকারী কমিশনার হাসানুজ্জামান পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় দুই ‘ছিনতাইকারী’ নিহত হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান। তবে নিহতদের পরিবার পুলিশের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, রাজিব আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকায় একটি তেলের দোকানের মালিক ও নাছির ট্রাক ড্রাইভার। তাদের বিরুদ্ধে কোনো থানায় কোনো মামলা এমনকি জিডি’ও নেই।
নিহতরা হলেন, আগ্রাবাদ হাজীপাড়া এলাকার ইসমাইল হোসেন রাজিব (২৫) ও একই এলাকার মো. নাছির উদ্দিন (২৬)।

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) এসএম তানভীর আরাফাত জানান, জেলা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের নায়েক ফরিদুল আলম হত্যার আসামি ধরার জন্য পুলিশের একটি দল ভোরে নগরীর হালিশহর বন্দর টোল রোড এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ‘সন্ত্রাসীরা’ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে দুই ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়। অন্য ‘সন্ত্রাসীরা’ টিকতে না পেরে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, একটি এলজি ও দুটি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, সিএমপির ডবলমুরিং জোনের সহকারী কমিশনার হাসানুজ্জামান পুলিশের সঙ্গে ‘গুলি বিনিময়ের’ ঘটনায় দুই ‘ছিনতাইকারী’ নিহত হয়েছে দাবি করে বলেন, পুলিশের নায়েক ফরিদুল আলমের হত্যাকারী আসামিদের ধরতে গেলে ‘ছিনতাইকারীরা’ পুলিশের ওপর হামলা চালালে পুলিশ গুলি চালায়। এতে দুজন নিহত হয়েছে। তাদের লাশ মর্গে নেয়া হয়েছে।

নিহত ইসমাইল হোসেন রাজিবের ছোট ভাই মফিজুল ইসলাম অপু জানান, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকায় ‘মায়ের দোয়া’ নামক তাদের একটি খোলা তেলের দোকান রয়েছে। রাজিব ওই দোকানে বসত। ভোর সোয়া ৬টার দিকে পার্শ্ববর্তী গ্যারেজের সিকিউরিটি গার্ড কামাল ও মোখলেস তাদের ফোন করে জানান যে, রাজিবকে পুলিশ দোকানের সামনে থেকে ধরে নিয়ে গেছে। এ খবর পেয়ে তারা প্রথমে থানা ও পরে লালদীঘির পাড়ের সিএমপি কার্যালয়ে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে রাজিবের কোনো হদিস পাননি। পরে টেলিভিশনের মাধ্যমে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হওয়ার খবর দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে তারা ঘটনাস্থল ও মর্গে ছুটে যান। অপু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ভাই কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি ব্যবসা করতেন। দোকানের সামনে থেকে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। এরপর বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজানো হয়েছে। নিহত নাছির উদ্দিনের বড় ভাই মো. আকরাম জানান, তার ভাই মাঝিরঘাট এলাকায় ট্রাক চালাতেন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকায় গাউছিয়া ট্রেডার্স নামের তাদের একটি তেলের দোকান রয়েছে। নাছির সেখানে মাঝেমধ্যে বসতেন। বুধবার ভোরে দোকানের সামনে থেকে নাছির ও রাজিবকে একসঙ্গে পুলিশ ধরে প্রথমে একটি টেম্পোতে তোলে ও পরে একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যায় বলে একটি ওই এলাকার সিকিউরিটি গার্ড তাদের ফোন করে খবর দেন। পরে তারা জানতে পারেন পুলিশের গুলিতে নাছির ও রাজিব মারা গেছে।

আকরাম বলেন, আমার ভাই নিরপরাধ। তার বিরুদ্ধে থানায় একটি জিডি পর্যন্ত নেই। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে তাকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ এলাকায় স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্সের নায়েক ফরিদুল আলম খুন হয়। কে বা করা তাকে হত্যার পর লাশ ফেলে যায়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিত্সকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla