Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Theory of সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিং...

Bangladesh
’সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিং’, উইকএন্ড সকালটা এমন একটা চমৎকার বানী দিয়ে শুরু হবে ভাবতে পারিনি। নব বর্ষের শুরু হতে একটার পর একটা ভাল খবর পাচ্ছি। মন মেজাজ এমনিতেই ছিল ফুরফুরে। তার উপর এমন একটা চমৎকার বানী, এ যেন অঝোর বর্ষন শেসে সূর্যের উঁকিঝুঁকি। হতে পারে অনেকের জন্যে বানী, কিন্তু আমার বেলায় তা গোটা জীবনের প্রতিচ্ছবি, আয়নায় দেখা নিজের জীবন। যাপিত জীবনের সবটাই বোধহয় কাটিয়ে দিয়েছি এমন একটা স্বপ্নকে সেন্টার অব গ্রাভিটি বানিয়ে, ’ছেড়া কাঁথায় বাস কর এবং স্বপ্ন দেখ লাখ টাকার’। সারাদিনের হাড়ভাঙ্গা খাটুনি শেষে দিনান্তে ঘরে ফিরে জীর্ণ আর মলিন বিছানাটায় শুয়ে কতই না অসম্ভব স্বপ্ন দেখেছি। অথচ বিছানার কয়েক ক্রোশ দূরেই ইটের উপর ইট গেথে দৈত্যের মত দাড়িয়ে থাকে বিশাল সব অট্টালিকা। সন্ধ্যা নামতে ওখানটায় জমে উঠে আলোর মেলা, মুখরিত হয় স্বল্পবসনা রমণী আর রঙ্গিন পানির ঝলকানিতে। রাতের পর রাত কল্পনা করেছি বিত্ত বৈভবের ঝলকানিতে আমিও আলোকিত করছি এসব এলাকা। কিন্তু সিম্পল লিভিংয়ের সংজ্ঞায় বাস করতে গিয়ে হাই থিংকিং হিসাবেই থেকে গেছে এসব চাওয়া পাওয়া।

গেলবার দেশে গিয়ে পুরানো এক বন্ধুর সাথে দেখা। পল্টন লাইনের আজাদ প্রডাক্টের সামনে বন্ধুকে দেখে চিনতে পারিনি প্রথমে। শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, চোখ ঢুকে গেছে কোটরে। ইদানিং কি করা হয় জিজ্ঞেস করতে উত্তর দিল নতুন একটা এয়ারলাইনস খোলার ধান্ধায় আছে। বিস্তারিত জানাতে গিয়ে যা বলল তাতে ইমপ্রেসড না হয়ে পারিনি। তার সহজ কথা, ছেড়া কাঁথায় শুয়ে যদি স্বপ্নই দেখতে হয় তাহলে লাখ টাকা কেন, কোটি টাকার স্বপ্ন দেখতে ক্ষতি কি! ইদানিং বন্ধুর ভুতই হয়ত আমার উপর ভর করেছে। কাছাকাছি একটা শহরে বৃটিশ বিলিয়নার স্যার রিচার্ড ব্রানসন মহাশূন্য যাত্রার কমার্শিয়াল ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছেন। স্বপ্নই যদি সিম্পল লিভিংয়ের একমাত্র উপাদান হয়ে তাহলে টাকা দিয়ে মহাশূন্যে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে অসুবিধা কোথায়? সে জন্যেই বোধহয় স্বপ্ন দেখি মহাশূন্যে ঘুরে বেড়াচ্ছি এবং শত শত মাইল উপর হতে অবজ্ঞা ভরে দেখছি নিজের বিবর্ণ জীবন। এক কথায় সিম্পল লিভিং বাট হাই থিংকিং।

শনিবার সকালটা আমার সাথে শেয়ার করার জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। ছেড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা এতদিন ছিল একান্তই নিজস্ব কিছু, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেটা প্রকাশ্যে এনে বৈধতা দিলেন । ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গণভবনে আয়োজিত শুভেচ্ছা সভায় আমার গোপন কথাটাই যেন প্রধানমন্ত্রী ফাঁস করে দিলেন। তিনি বললেন, ‘ধন-সম্পদ-টাকা-পয়সা-জৌলুস কিছু দিতে পারেনা, আর ওদিকে নজর দিলে জাতিকেও কিছু দেয়া যায়না। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিং মাথায় রেখে চলতে হবে।’ উনি বলছিলেন খাল কেটে কুমির আনার প্রসঙ্গ নিয়ে। রাজনীতির জটিল ভাষার সহজ বাংলা করলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সারমর্ম দাড়াবে, তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা খাল, আর এ সরকারের সাথে জড়িতরা কুমির। তিনি প্রতিপক্ষ রাজনীতিবিদদের সে প্রশ্নই করছিলেন, খাল কেটে কেন কুমির আনা? তত্ববাধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন নয়, প্রতিপক্ষ রাজনীতিবিদদের এমন ’গোয়ার্তুমি’ দাবির জবাব দিতে গিয়ে তিনি বললেন, ’তত্ত্ববধায়ক সরকারের প্রয়োজন কি? খালা কেটে কুমির আনার দরকারটা কি? তত্ত্ববধায়ক এলেই যে তাদের চ্যাংদোলা করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে তা নয়, বরং আবারো জেলের ভাত খেতে হতে পারে’। তত্ত্ববধায়ক আমলের এই জেল জেল খেলাটা যে তিনি ভুলতে পারেননি সহজেই বোঝা যায়। ভোলার কথাও নয়। ক্ষমতার বিপদজনক কাছ হতে সোজা জেলখানা, এমন বাস্তবতা ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির রাঘব বোয়ালদের কারও পক্ষেই মেনে নেয়ার কথা নয়। রাজনীতির এসব জটিল সমীকরণ নিয়ে মাথা ঘামানোর মত উন্নত মস্তিষ্ক আমার নেই, তাই এ নিয়ে গভীরে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করছি না। সময় হলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরাই এর উপর এফিটাফ লিখবেন। তবে আমার মত আমজনতার সহজ সরল হিসাব নিকাস হতে যা বেরিয়ে আসে তা হল, সম্ভাব্য জেলের ভাত হতে দুরে থাকার ভয়ই তত্ত্বাবধায়ক নামক উদ্ভট সরকারকে নির্বাসনে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে বর্তমান সরকার। যদি তাই হয় তাহলে সামনের সাধারণ নির্বাচন যারা চিন্তিত তারা চাইলে হাফ ছাড়তে পারেন। কারণ জেল হাজতের ভয় কেবল এক পক্ষের নয়, এ ভয় হতে দেশের কোন পক্ষই মুক্ত নয়। দেশ নিয়ে আমরা যারা চিন্তিত তারা আশা করব এমন একটা সময় আসবে যখন জেলের ভয় বিবাদমান পক্ষ গুলোকে এক হতে বাধ্য করবে। কোন এক সুন্দর সকালে আমরা যদি জানতে পারি আলোচনার টেবিলে হাসিনা খালেদা দেশ নামক পারিবারিক সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন এবং রাজী হয়েছেন পাঁচ বছর পর পর ক্ষমতার পালাবদলে তাহলে নিশ্চিন্ত হতে পারব দেশের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে। হতে পারে এমন ভাবনা সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিংয়ের ফসল।

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিংয়ের আহ্বান শুনে আমার কেন জানি মৌলানা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর কথা মনে পরে গেল। সুযোগের ভরা যৌবনে ৭১’এর খুনি এই ধর্ম ব্যবসায়ী দেশের পথে প্রান্তে তফসির করে বেড়াতেন, বলতেন ধর্মের কথা, শোনাতেন ন্যায় অন্যায়ের কথা। ছাত্রলীগের আসরে শেখ হাসিনার সিম্পল লিভিংয়ের কথা কেন জানি সাইদীর তফসীরের কথাই মনে করিয়ে দিল। ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসী দলের প্রতি সদস্যের হাতে রক্ত, তাদের হাতে জিম্মি দেশের অর্থনীতি, বিপর্যস্ত দেশের সমাজ ব্যবস্থা। এমন একদল ভয়ংকর সন্ত্রাসীর সামনে দাড়িয়ে সিম্পল লিভিংয়ের কথা বলা আর ৭১’এর খুনিদের নিয়ে ধর্মের কথা বলা একই রকম শোনায়, অন্তত আমার কানে। এ কথা চিরন্তন সত্য সাধু হোক আর সন্ত্রাসী হোক ছাত্রলীগে জড়িত তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা ছাড়া বাংলাদেশে নির্বাচন জেতা খুব একটা সহজ নয়। শেখ হাসিনার নির্বাচনও এর বাইরে নয়। তাই না চাইলেও ছাত্রলীগের তাবৎ কর্মকান্ডের দায়িত্ব নিতে হবে খোদ শেখ হাসিনাকেই। রাজনীতির মাঠে সন্ত্রাসী লেলিয়ে প্রতিপক্ষ ঘায়েল করার কৌশল বাংলাদেশে অত্যন্ত পুরানো ও পরীক্ষিত কৌশল। ছাত্রলীগ, ছাত্রদল আর ছাত্রশিবির এ কৌশলের ট্রেনিংপ্রাপ্ত ভেটারান। এই এরাই শেখ হাসিনার মত নেত্রীদের ক্ষমতায়নের মসলা যোগায়, চুনসুরকিতে পাঁকা করে হাই লিভিং এন্ড সিম্পল থিংকিংয়ের সিঁড়ি। জাতিকে সিম্পল লিভিংয়ের মাসি পিসির গান শুনিয়ে নিজেরা হাই লিভিংয়ের আরব্য উপন্যাস রচনা করবেন এমনটাই বোধহয় আমাদের রাজনীতি। সে রাজনীতির বাস্তবতাই নতুন করে মনে করিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর চমকপ্রদ তত্ত্ব।

Comments

কোটি কোটি রুহুল আমিন কী চায়?

নোবেল বিজয়ী ইউনুসের প্রতি হাসিনা সরকারের আচরণ নিয়ে সারা বিশ্বে আমরা কতটা নিচু হয়েছি তা আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, তার মোসাহেবী বুদ্ধিজীবীর দল ও দলীয় সমর্থকগণ কোনভাবেই বোঝেন না। মোসাহেবী বুদ্ধিজীবীর দল আবার আরেক কাঠি সরেস। তারা এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিভিন্ন রকম আর্টিক্যাল লেখালেখি শুরু করে দিলেন। লিখতে তাদের হবেই কারণ অনেক আগেই কাজী নজরুল এইসব মোসাহেবীদের জন্য লিখে গিয়েছেন,

সাহেব কহেন, “চমৎকার! সে চমৎকার!”
মোসাহেব বলে, “চমৎকার সে হতেই হবে যে!
হুজুরের মতে অমত কার?”

তাই তো ! প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অমত কার? অমত হলেই সমস্যা। কী সমস্যা সেটা সুরঞ্জিত বাবুর মুখেই শোনা গিয়েছে -
"বাঘে ধরলে বাঘে ছাড়ে, কিন্তু শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়ে না"।
তাই হাসিনা সরকার ছেড়ে দেয়নি নোবেল বিজয়ী ইউনুসকে। এবারের শিকার, প্রভাষক রুহুল আমিন।

কিছুদিন আগে জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবাল তার একটি লেখায় লিখেছিলেন,
"প্রকাশ্যে থুথু ফেলা অশোভন কাজ। যদি ফেলতেই হয়, তাহলে নিচের দিকে ফেলতে হয়। কখনোই ওপরের দিকে কাউকে লক্ষ্য করে থুথু ফেলতে হয় না। তাহলে অবধারিতভাবে সেই থুথু নিজের মুখের ওপর এসে পড়ে। এই সরকার কি জানে, তারা মুখ ওপরের দিকে করে থুথু ফেলছে?"
নাহ, এই সরকার জানে না তারা কোথায় থু থু ফেলছে। কিংবা জানলেও পরোয়া করে না। পরোয়া করে লাভ কী? গদি তো তাদের আছেই। পারিবারিকভাবে তারা এই গদি দখল করে আছে। মোসাহেবের দল এই গদিকে তাদের জন্য পোক্ত করে দিয়েছে।

রুহুল আমিনের অপরাধ কী? রুহুল আমিনের অপরাধ, সে গত ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান সম্পাদক মিশুক মুনীরসহ পাঁচ জনের মৃত্যু মেনে নিতে পারে নি। সে মেনে নিতে পারেনি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার অনিয়মকে। এই মৃত্য তাকে বিচলিত করেছে, এই অনিয়ম তার মনে জ্বালা ধরিয়েছে। কাউকে না কাউকে তো মুখ খুলতেই হবে। তাই সে ফেসবুকে স্ট্যাটাস মেসেজ লিখেছিল, 'পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার ফল তারেক ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫: সবাই মরে, হাসিনা মরে না কেন?'
এটাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাঘের চেয়ে ভয়ংকর বস্তর স্বীকার এবার সে। মোসাহেবের দল আবার শুরু করে দিল তাদের নেত্রী পূজা যেমন করে করেছিল নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বেলায়। এগিয়ে এলো বাংলাদেশের মহামান্য আদালত হাই কোর্ট।

বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে তাদের দেওয়া রুলে জানতে চেয়েছিল, রুহুলের বিরুদ্ধে কেন ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না। তলব করা হল রুহুল আমীনকে হাইকোর্টে। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তির এই খণ্ডকালীন প্রভাষক রুহুল তো শিক্ষা ছুটিতে অস্ট্রেলিয়ায়। সে এলো না। হয়তবা সুরঞ্জিত বাবুর উক্তি মনে করেই আসেনি। কিন্তু এত সহজেই কি বেচারা ছাড়া পাবে? আবার এগিয়ে এলো হাইকোর্ট। এবার কড়া নির্দেশ। আদালত অবমাননার দোষ। হাইকোর্টের কথা, "তিনি আদালতে আসেননি। আদালতের আদেশের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাননি। এটা মারাত্মক ধরনের আদালত অবমাননা। আমরা এ ধরনের ঔদ্ধত্য ছেড়ে দিতে পারি না। আমরা এখানে বসেছি, আদালতের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সংবিধান ও আইনের শাসন রক্ষার জন্য। তিনি যা করেছেন তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।" (মানবজমিন)

রুহুল আমিনকে দেওয়া হল ৬ মাসের কারাদণ্ড। শুধু কি তাই, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত এই শিক্ষককে দেশে ফেরাতে এবং তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে মহামান্য আদালত। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ও আদালতের রায়ের আলোকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুরঞ্জিত বাবু মিথ্যা বলেননি।

ব্যস! প্রতিটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়ে গেল এই খবর। আমরা আরো একবার লজ্জায় মুখ লুকালাম। একদিকে বাংলাদেশের আধুনিক তরুণ সম্প্রদায় বাংলাদেশকে সারা বিশ্বে চেনানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে, যেমন - "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে গুগলের লোগোতে যেন আমাদের ভাষা শহীদ আর ভাষার বিষয়টি থাকে, সে লক্ষ্যে অনলাইনে প্রচারণা চালাচ্ছেন বাংলাদেশী কিছু তরুণ। তাদের উদ্দেশ্য মাতৃভাষা দিবসে একটি বিশেষ গুগল ডুডল সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করা এবং মাতৃভাষা দিবসে ডুডল পরিবর্তনের প্রস্তাবনা পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করা", অন্যদিকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস মেসেজের দরুন প্রভাষকের ৬ মাসের কারাদণ্ডের সংবাদ। আমরা আর কতকাল আর সহ্য করব এই স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদের দলকে?

আমাদের দেশের ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকা এই দলগুলি কত রুহুল আমিনকে শাস্তি দিবে? তারা কী জানে যে, রুহুল আমিন একজন নয়। বাংলাদেশের কোটি কোটি রুহুল আমিন আজ এই দুই পরিবার, এরশাদ-জামায়াত থেকে মুক্তি চায়। তারা চায় নূতন একজন দিক-নির্দেশক, নূতন একটি দিক-নির্দেশনা।

আমিও

আমিও ওনার মৃত্যু কামনা করছি।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla