Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

ম্যাসেজ ইন এ বটল্‌

Bangladesh Election 2014

মাঠের তামাশা শেষ হলেও ভোটের সামগ্রিক তামাশা এখনো শেষ হয়নি। মিথ্যা দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে এর দ্বিতীয় পর্ব। ’সুষ্ঠু’ ’অবাধ’ ও ’ব্যাপক’ অংশগ্রহনের নির্বাচনের জন্য অভিনন্দনের জোয়ার আসবে উজান হতে। গোয়েবলসীয় সূত্রে সে জোয়ার এক সময় সত্য হয়ে দলীয় ইতিহাসের পাতা আলোকিত করবে। ভার্চুয়াল দুনিয়ার কিছু ছাগলের ৩নং বাচ্চা এ নিয়ে উচ্ছাস করবে। মঙ্গল প্রদীপ জ্বালানো সুশীলদের কলম হতে বের হবে এমন সব শব্দ আর অর্থ খুজতে আমাদের ধর্না দিতে হবে ডাক্তারের কাছে। এটাই বাংলাদেশ। এখানে সূর্যকে চাঁদ বললে সেটাও সত্য প্রমানে লোকের অভাব হয়না। ভোটের ‘সাফল্য’ও বাদ যাবেনা এ তালিকা হতে। হরেক রকমের তেনা পেচানো হবে। কবিতায়, গানে, সভায়, সেমিনারে গাওয়া হবে নির্বাচনের স্তুতি। ভাটির দেশের মানুষ হিসাবে আমাদের গিলতে হবে উজানের এ জোয়ার। তাহলে সাড়াদিন ধরে ভোট নামের যে তামাশা আমরা উপভোগ করলাম তা কি চাপা পরে যাবে গোয়েবলসদের চাপার তলে? ক্ষতি কি এমনটা হলে! আমাদের তো হারানোর তেমন কিছু বাকি নেই। তা হলে আর ভয় কেন?

আমার এ লেখাটা হার ম্যাজেষ্টি দ্যা কুইন অব বাংলাদেশের জন্য নয়। কারণ তিনি এখন আন্ধা, কালা, বোবা, বয়রা, নির্লজ্জ, বেহায়া। এক কথায় জীবন্ত উপকথা। লেখাটা বরং উনার মায়ের পেটের খালাত বোন বেগম জিয়ার জন্য। ভোট নামের তামাশা এ জাতি বর্জন করেছে আপনার ডাকে অথবা সমর্থনে ভেবে থাকলে ভুল করবেন। বরং তা ছিল রাজনীতিবিদ্‌দের প্রতি জনগণের বার্তা। ভোট ও ভাত নিয়ে ছিনিমিনি খেললে এ দেশের মানুষ কাউকে কোনদিন ক্ষমা করেনি। অতীতে আইয়ুব, ইয়াহিয়াদের যেমন করেনি এ যাত্রায় শেখ হাসিনাও বাদ যাননি। জনাবা জিয়া, ক্ষমতার রঙ্গিন মসনদ আপনাকে হাতছানি দিচ্ছে। নতুন দিনের এ উষালগ্নে আপনার কাছে একটাই প্রশ্ন, কিছু কি শিক্ষা নিচ্ছেন এ অধ্যায় হতে? আমরা যারা ভার্চুয়াল দুনিয়ার সৈনিক এবং নীরবিচ্ছিন্ন ভাবে শেখ হাসিনার অবৈধ কর্মকান্ডের সমালোচনা করে যাচ্ছি তারা কিন্তু পিছু হটবেনা। যেদিন হতে আপনি শেখ হাসিনার জুতায় পা রাখবেন আমাদের তরবারী ঘুরে যাবে এবং ধাওয়া করবে আপনাকে।

ভার্চুয়াল জগৎ হতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। এ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল, মার্কা অথবা প্রার্থীর জয় হয়নি, জয় হয়েছে আপনাদের।

Comments

ডস্ক রিপোর্ট : মহাজোট সরকারের

ডস্ক রিপোর্ট : মহাজোট সরকারের পাঁচ বছরে সারা দেশে ২২ হাজার মানুষ খুন হয়েছেন। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ১২ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারের শেষ বছর ২০১৩ সালে খুনের ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। এ বছর খুন হন চার হাজার ৪২৮ জন। গত বছর এবং চলতি বছরের শুরুতে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে রাজনৈতিক হত্যাকা-। গত ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত রাজনৈতিক হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে প্রায় ১৫০। এত খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ সদর দফতর এবং বিভিন্ন মানবাধিকার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সূত্র অনুযায়ী, সরকারের শেষ বছর ২০১৩ সালে দেশে খুনের ঘটনা ঘটে চার হাজার ৪২৮টি। ২০১২ সালে চার হাজার ৪১২ জন খুন হয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০৯ সালে সারা দেশে খুন হয়েছেন চার হাজার ২১৯ জন। ২০১০ সালে তিন হাজার ৯৮৮ জন খুন হয়েছেন এবং ২০১১ সালে খুন হয়েছেন তিন হাজার ৯৭০ জন। সব মিলিয়ে গত পাঁচ বছরে ২২ হাজার মানুষ খুন হয়েছেন। এ সময় অন্তত ২০ জন সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ও বিজিবি সদস্যসহ বেশ কিছু হত্যাকা- ঘটেছে এই সময়ে। সূত্র জানায়, বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা ঘটেছে গত পাঁচ বছরে। বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় বিদ্রোহের নামে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ৫৭ সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে। সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকা-, যুবলীগনেতা ইব্রাহীম, পল্টনে সাংবাদিক ফরহাদ খাঁ দম্পতি, গুলশানে স্বামী-স্ত্রী, নরসিংদীর মেয়র লোকমান হোসেন, পুরান ঢাকায় পুলিশ কর্মকর্তা গৌতম, যুবলীগনেতা মিল্কী, রামপুরায় ফটো সাংবাদিক আফতাব আহমেদ, পুলিশের সাবেক এডিশনাল এসপি ফজলুর রহমান, চামেলীবাগে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এবং তার স্ত্রী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জুবায়ের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু বকর, পুরান ঢাকায় ছাত্রলীগের হাতে বিশ্বজিৎ, নারায়ণগঞ্জে ত্বকি, ব্লগার রাজিব হত্যাকা-সহ বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা ঘটেছে। সন্তানের হাতে বাবা-মা খুন, বাবা বা মায়ের হাতে সন্তান, স্বামীর হাতে স্ত্রী, স্ত্রীর হাতে স্বামী, ভাইয়ের হাতে ভাই, বন্ধুর হাতে বন্ধুখুনসহ নানাভাবে এসব খুনের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ রাজধানীর গোপীবাগ এলাকায় এক বাড়িতে ছয় খুনের ঘটনা বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর প্রতিটি ঘটনায়ই মামলা হয়। কিন্তু চাঞ্চল্যকর বেশির ভাগ মামলার কোনো কূলকিনারা হচ্ছে না। বেশ কিছু খুন হয়েছে রাজনৈতিক সহিংসতায়। গত পাঁচ বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রায় ১৩ শ’ মানুষ নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সালে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ২৫১ জন, ২০১০ সালে ২২০, ২০১১ সালে ১৩৫, ২০১২ সালে ১৮৪ জন এবং ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন চার শতাধিক মানুষ।

গত পাঁচ বছরে আইনশৃক্সখলা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন প্রায় ৭০০ মানুষ। তার মধ্যে গত বছরেই ঘটেছে সবচেয়ে বেশি হত্যাকা-। চলতি বছরের শুরুতেও বেশ কয়েকটি হত্যাকা- ঘটেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০৯ সালে আইনশৃক্সখলা বাহিনীর হাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের, ২০১০ সালে ১২৭, ২০১১ সালে ৮৪, ২০১২ সালে ৯৪ এবং ২০১৩ সালে তিন শতাধিক মানুষ আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে নিহত হন। এর মধ্যে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষসহ অনেক শ্রেণী-পেশার মানুষ রয়েছেন। গত পাঁচ বছরে সাত শতাধিক মানুষ গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এসব হত্যাকা-ের শিকার হয়েছেন অনেক নিরপরাধ মানুষও। সাভারের আমিনবাজারে ছয় শিার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা স্মরণ করে এখনো আঁতকে ওঠেন অনেকে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৯ সালে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ১২৭, ২০১০ সালে ১৭৪, ২০১১ সালে ১৬১, ২০১২ সালে ১২৬ এবং ২০১৩ সালে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ১২৮ জন। নয়া দিগন্ত
http://www.amadershomoy.com/

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla