Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

-A A +A

প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে এ ধরনের নোংরামী কোন অবস্থাতেই গ্রহনযোগ্য হতে পারেনা

আমি হাসিনার এই মন্তব্য কে ধিক্কার জানিয়ে প্রতিবাদি কন্ঠে বলছি": শেখ হাসিনা রাজনিতি সমাধান দিতে গিয়ে,দুই শতআদিক মাকে সন্তান হারা করেছে,করেছে অনেক বোনকে বিধবা,ফেরেশতার ন্যায় শিশুদের করেছে পিতা হারা?স্বাধিন বাংলাকে করেছে নিরাপত্তাহিন,আরো করেছে বাংলার জন গনকে| মূলহোতাদের আমরা জানতে আর চিনতে চাই।অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তদন্তের রিপোর্ট চলে এসেছে, এবং তিনি জানেন কারা জড়িত ছিল বিডিআর হত্যাকান্ডে। উল্লেখিত মন্তব্য তারাই অংশ। জনাবা প্রধানমন্ত্রী, নাম জানা থাকলে এদের ধরুন এবং বিচারের মুখোমুখি করুন। আর যদি প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে ঘায়েল করার লক্ষ্যে এমন মন্তব্য করে থাকেন তা হলে বিদায় নিন মিথ্যাচারের জন্যে। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে এ ধরনের নোংরামী কোন অবস্থাতেই গ্রহনযোগ্য হতে পারেনা।শেখ হাসিনা যদি রাজনিতি সির্ধান্ত না নিয়ে সেনা বাহিনির হাতে দায়িত্ব দিতেন,তা হলে এতোগুলি অফিসার কে প্রান দিতে হতো না"সেনাবাহিনি সরকারের তরফ থেকে অনুমতি পেলেই তাদের ট্রেনিংমত সেই ব্যবস্তা অব্শই নিতেন,কেননা এরা ট্রেনিং পাপ্ত সৈনিক হাসিনার মতো সন্রাসী বুদ্দি নিয়ে চলেনা এই সেনারা?শেখ হাসিনা বলছেন,সেনাদের হাতে দায়িত্ব দিলে ওরা যখন এ্যাকসনে যাইতো তখন-চট্রগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশে,সেনাবাহিনী ও বি,ডি,আর,যুদ্বে জড়িত হয়ে পড়তে পারতো"বাংলার মানুষ তার কথার সাথে একমত পোষন করাকে নিজের ভাইকে খুন করার সামিল মনে করে?কেননা বাংলাদেশের সব BDR- জোয়ানরা বিদ্রহি চিলনা"সুতরাং সারা বাংলাদেশে সংঘস্য বাঝার প্রশ্নই উঠেনা? শেখ হাসিনার কথা মোতাবেগ যদি সারা বাংলাদেশে সেনাওBDRসংঘস্য গটতো,তার পরেও এতো গুলী সেনা অফিসার প্রান দিতে হতোনা?শেখ হাসিনায় চেয়েছে রাজনিতি সমাধান দিতে গিয়ে তার দলের মন্রীরা বিদ্রহি সাথে জড়িত আওয়ামীলীগের সন্রাসীদের বাচাতে সাহায্য করতে পারবে বলেই তিনি রাজনিতি সমাধানে যায়? শেখ হাসিনা বলেছেন,পিল খানার ঘটনায় রাজনিতি সমাধান নেওয়াটা ভালো সির্ধান্ত চিল? যে রাজনিতি সমাধানের সন্রাসী সাহায্যের পরিচয় আওয়ামীলীগের নেতা ওয়ার্ড কমিশনার শীর্ষ সন্রাসি তোরাব আলী-ও তার সন্তান লেদার লিটন?প্যাচের রাজনীতির মাঝেই নিহিত মহা রাজনৈতিক প্যাচ। রাজনীতিবিদদের মুখে এইসব প্যাচমার্কা কথা শুনতে শুনতে আমরা টায়ার্ড। নিজামীরা ঘটিয়েছে, ভারত ঘটি্যেছে,নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিএনপি ঘটিয়েছে আবার কেউ বলে সরকার নিজেই ঘটিয়েছে। এইসব প্যাচের বলয়ে সেনাবাহিনী ও বিডিআরের ভবিষ্যত ও পুনর্গঠনের ক্ষতি হবে বৈ আর কিছু না।
অর্ধশতাধিক আর্মি অফিসারের রক্ত দিয়ে গোসল করে বেগম সাহেবান এতদিন খোশ মেজাজেই ছিলেন।থলের বিড়াল যখন বেড়িয়ে আসতে শুরু করেছে বেগম সাহেবান পেটের মধ্যেই হেগে দিয়েছেন।উনার মন্ত্রী পরিষদ এবং উনি জেনেশুনেই অফিসারদের রক্ষায় ধীরে চল নিতি অবলম্বন করেছিলেন।এখন সময়ের পালা।সময়ই বলে দিবে উনি অফিসারদের রক্ষায় কতটুকু আন্তরিক ছিলেন।যিনি দেশের একটি বিদ্রোহ দমন করতে ব্যর্থ হন,যিনি দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারেন না,যিনি নিজের জীবন নিয়ে শংকিত,আবার এইসবের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কামনা করেন অযোগ্য এই উনি কি করতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।শুধুই কি গদির লোভে?নাকি শেখ পরিবারের ভিখারিগুলিকে কোটিপতি বানানোর জন্যে?সময়ই তার উত্তর বলে দিবে।
তাহলে আওয়ামীলীগের আটক নেতা তোরাব আলীরা সরকারের পতন ঘটাতে চায়,বিএনপি নয়।তাহলে কি আওয়ামীলিগই আওয়ামিলীগের দুশমন?েখন পর্যনত তদনতকারিরা জংগি ও বিএনপির কনো কানেকশন পায় নাই।এ কয়েকদিন ধরে হাসিনাসহ আওয়ামীলগের নেতা ও চাটুকাররা পেরেশান হয়ে আবোলতাবোল বকা শুরু করছে।নতুন কিছু দেখতেন যদি তোরাব আলী বিএনপি কিম্বা জামাতের কেউ হতো। অবশ্য তোরাব আলী যদি দল নিরপেক্ষ কেউ হত তাহলেও আমাদের প্রগতিশীল মিডিয়া তাকে বিএনপি জামাত বানিয়ে ফেলত। সমস্যা হয়ে গেছে তোরাব আলি মার্কা মারা আওয়ামীলীগ। কাজেই আমাদের প্রগতিশীল মিডিয়া এব্যাপারে কিছু লেখার শক্তি পাচ্ছেন না । এমন কি তোরাব আলী যে আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতা প্রথম আলোর মত প্রগতিশীল পত্রিকাগুলোও লিখতে শরম করতেছে |২৮শে ডিসেম্বর সন্দ্ব্যায় পিলখানা দরবার হলের মাঠে গোপন মিটিংয়ে অংশগ্রহন করা সেই বহিরাগত কে? কে সেই নাটের গুরূকে নির্বাচনে জিতানো জন্য কেন বিদ্রোহী সিপাহীরা কাজ করেছিলো? কাকে বাচানোর জন্য কে এবং কেন সাধারন আদালতে বিচার করতে চাচ্ছে?ছবিই বলে দেয় যে ঘটনায় সময়মত যথাযত একশন নেয়া হলে অনেক অফিসারকে বাচানো যেত।কিনতু হাসিনা ও প্রভাবশালিরা এটা না করে বেশি মরণ ও ধর্ষনের ও কিলারদের পলায়নের সুযোগ দেওয়া হয়।এখন ছোট বিডিআরদের না ধরে সরকারে প্রভাবশালি যারা জড়িত তাদের চিনহিত করে ফাসি দিতে হবে।
ছোট বিরোধী দলের পিছনে ষড়যনত্র খুজেন কেন?ওরা তো এখন আর দলীয়করন করতেছে না,ওরা তো সেনা-বিডিআর মারতেছেনা,ওরাতো লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ মারছে না।শুধু মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদ করতেছে নিউ বাকশালীদের অন্যায়,অত্যাচার,দখল,সনত্রাস,হামলা,মামলা,খুনের।আর এতেই গাবড়ে গেলেন ২৬৮ আসনের ষড়যনত্রের সরকার ও তার চাটুকাররা।
আজ BDR ধ্বংশ করে ভারত জানিয়ে দিল খুব অল্প সময়েই তারা আরো সুশৃঙ্খল বাহিনী ধ্বংশ করবে বাংলাদেশে।দেখুন এত বড় বির্পযয় NSI,DGFI,Army Intelligence আরও গোয়ান্দা সংস্হা সবাই ব্যর্থ কিন্তূ কেউ তাদেরকে পূর্নবিনাশের কথা বললছে না,কারন আগামিতে ভারতের পরিকল্পনা সুষ্ঠভাবে সম্পন করা যায়। ভারতিয় দৃষটিতে ও তাদের নির্দেশে যেভাবে হেনডল করা হয়েছে তাতে একদিকে যেমন অনেক অফিসার মারা গেল, অন্য দিকে আনেক আসল কিলারদের পলায়নের সুযোগ দেওয়া হল।আর এটাই ভারতিয়রা চাইছিলো এবং হাসিনা তাদের কতামত কাজ করে।েখন যখন আসল ঘটনাগুলো বেরিয়া আসছে তাতে ভারতিয়দের মটিভ ও ইনভলব আরো জোরালো হছেছ।ভারতিয় রাজাকারদের দিয়েই এটা গটাইছে তাই সত্য।ভারত পরাশক্তি হতে যাচ্ছে একথা শুনেই অনেকে ভাবে তারা আমেরিকা হয়ে গেছে। তারা রামসফেল্ডের ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন। তারা ভুলে যান যে তাদের দেশে আধা বিলিয়নের বেশি মানুষ অনাহারে থাকে, হাজার হাজার মানুষ দাঙ্গায় মারা যায়, নিজের দেশে ক্রিকেট খেলার নিরাপত্তা দিতে পারেন না। এধরনের বক্তব্য এবং রাজনীতির পরিনাম তারা আফগানিস্তান-ইরাক দেখে শেখেননি। ভুলে যাবেন না এদেশ শুধূ আওয়ামী আর জাতিয়তাবাদী, হাসিনা-খালেদাপন্থিদের না, ১৫ কোটি মানুষের। এই দুদল নিজেদের মধ্যে যত গালাগালি-মারামারি করুক, অন্য দেশের বিষয় সামনে এলে এক পরিচয়ে সামনে দাড়াবে। পরিনাম দির্ঘস্থায়ী এক অস্থিরতা।ভারতের এই আষ্ফালন দেখে আমার শংকা জাগে, এদের দাপটে অথন্ড ভারত কি থাকবে, না কি ডজনখানেক খন্ড রাষ্ট্রে পরিনত হবে ?

Comments

Post new comment

CAPTCHA
Required to prevent spam.
Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla