JUST VIEWED
Last viewed:
- সীমান্তের এপার ওপার - পর্ব ১
- কাছ হতে দেখা একজন লেসবিয়ান
- বানানা রিপাবলিক...
- আজ ৫ই জুলাই, ২০০৯
- একজন দেশপশারিনী এবং সমসাময়িক দুবাই সংকট...
- Student Politics
- A warm welcome to Robinhood
- গদি ও নাই বাঁশ ও নাই।
- Akbor Ali Khan
- News Links
- এন্ডিস পর্বতমালার বাকে বাকে - ৩য় পর্ব
- Join Ami Bangladeshi
- History of American Sign Language
- 'বেদের মেয়ে জোৎস্না আমায় কথা দিয়েছে..."
- সাকা চৌধুরী গ্রেফতার, চাঁদের অন্য পীঠ
Latest Blogs
- মফিজের ১৩ হাজার ও একজন বিভাস চন্দ্রের মৃত্যু...টাকার বস্তা পাহাড় বাইয়্যা যায়!
- ম্যাথিউ, হেরাল্ড ও আমি, এবং আমাদের ঘরে ফেরা
- একজন দরবেশ বাবার কেচ্ছা
- স্বপ্নের কালো বিড়াল ও একজন প্রবাসীর দেশে ফেরা
- একজন মূখ্যমন্ত্রী ও একজন চোরের কাল্পনিক সাক্ষাৎকারঃ
- সুরঞ্জিত বাবুর বীচি ও আমার চাওয়া পাওয়া
- মোহন ও আরিফের জন্যে জিল্লুর প্রেসিডেন্ট আছেন। ভয় নেই 'আমাদের'।
- ক্রসফায়ারই যদি একমাত্র সমাধান তাহলে কেন তাদের নয়?
- আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন জনাবা প্রধানমন্ত্রী
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও হিন্দু দেবতাদের রক্ত পিয়াস...
Recent Comments
- ইলিয়াস আলীর দাফন হয়েছে পদ্মায়! -ফজলুল বারী
2 weeks 4 days ago - ড্রাইভার আজম কোথায় ...
2 weeks 4 days ago - সেনগুপ্ত টেলিকমের নামে আইসিএক্স লাইসেন্স :
4 weeks 4 days ago - দিরাইয়ে আলিশান সেন মার্কেট উদ্বোধন : সমালোচনার ঝড়
4 weeks 4 days ago - শ্রীলংকার পত্রিকা এসব কি লিখছে!
4 weeks 6 days ago - বাণী চিরন্তনী | তারিখ: ০৯-০৪-২০১২
4 weeks 6 days ago - প্রধানমন্ত্রীর বদান্যতা বাংলাদেশের জন্য নয়
5 weeks 1 hour ago - খুলনায় আটককৃত র্যাব সদস্য
5 weeks 2 days ago - ইতিহাসই বিচার করবে এই মহিলার
5 weeks 5 days ago - আবাল প্রধানমন্ত্রী।
5 weeks 5 days ago






চিটিংয়ের সাথে ফেডারেশন কর্তারা জড়িত
০ খুলনা অফিস
সাইক্লিং ইভেন্টে খারাপ ফলাফল ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনকে দায়ী করেছেন দলের সদস্যরা। দলের কয়েকজন সদস্য প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফেডারেশনের শীর্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত দেশের ভাবমূর্তির চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির ধান্দায় ব্যস্ত থাকেন। ফলে এসএ গেমসে ফলাফল যা হবার তা-ই হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ টিমের কয়েকজন সদস্য সাইক্লিং ফেডারেশনের কর্মকর্তা এবং কোচ কিম বে’র ব্যাপারে মারাত্মক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। দলের মহিলা সদস্য আকাশী সুলতানা ও ফারহানা সুলতানা শীলা বলেন, আমাদের সর্বনাশের জন্য কোরিয়ান কোচ কিম বে দায়ী। মাত্র ১৫/২০ দিনের জন্য কোরিয়ান কোচের প্রয়োজন ছিল না। আমাদের আগের কোচ কুদ্দুসের সময়ই যা উন্নতি হবার হয়েছে। কোচ সাইদুরের অধীনে আমাদের মেয়েদের ৩০ কিলোমিটার রোড টিম টাইম ট্রায়ালে টাইমিং ছিল ৫৮ মিনিট। কোচ কুদ্দুসের অধীনে মাত্র দুই সপ্তাহে তা কমে হয় ৫২ মিনিট। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফেডারেশনের চোর কর্মকর্তারা তাদের চুরি জায়েজ করতে হঠাৎ কোরিয়া থেকে কোচ এনেছেন। তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ওর (কোচ) চামড়া তুলে ফেলা উচিত। মহিলা সাইক্লিস্টরা কোচের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ চলাকালে তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতনেরও অভিযোগ করেন।
শীলা জানান, প্রশিক্ষণ চলাকালে তার কানে ঘুষি মারেন কোচ কিম বে। এ কারণে তার চার দিন চিকিৎসা নিতে হয়। কোচের অনেক নির্যাতন যৌন হয়রানির পর্যায়ে পড়ে বলেও আকাশী ও শীলা অভিযোগ করেন। সাইক্লিস্টরা বলেন, সোমবারের চিটিং ঘটনার সাথে ফেডারেশনের কর্মকর্তারা জড়িত। এতে আমাদের কোন দোষ নেই। মোটর সাইকেল থেকে পুশ করে তারা দেশের মান-সম্মান ক্ষুণœ করার সাথে সাথে মারমা ফাতেমারও সর্বনাশ করেছে। ওকে পুশ না করলে ফাতেমা এমনিতেই রৌপ্য বা ব্রোঞ্জ পদকের যে কোন একটি পেত। কারণ ও এমনিতেই খুব ভাল সাইকেল চালায়।
ফেডারেশন কর্মকর্তাদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে তারা বলেন, আমাদের ২৫/৩০ হাজার টাকা দামের খুব নিম্নমানের সাইকেল দেয়া হয়েছে। সেগুলোও গেমস শুরুর মাত্র কয়েকদিন আগে দেয়া হয়। প্রাকটিসের সময় আরও নিম্নমানের সাইকেল ছিল আমাদের। তারা বলেন, প্রতিযোগিতায় আমাদের যে সাইকেল দেয়া হয়েছে তার দাম ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। ওজনও ৮ থেকে ১০ কেজি। অপরদিকে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কানরা যে সাইকেল ব্যবহার করে সেগুলো ৪/৫ লাখ টাকা দামের এবং ওজন মাত্র সাড়ে ৩ থেকে ৪ কেজি। সাইকেলের ওজনের পার্থক্যও প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলে। সাইক্লিস্টরা প্রশিক্ষণ চলাকালে তাদের দেয়া খাবারের মান নিয়েও বিস্তর অভিযোগ তোলেন। শীলা বলেন, বিজেএমসি’র অভ্যন্তরীণ ক্রীড়ার সময়ও আমরা এর চেয়ে অনেক ভাল খাবার পেয়ে থাকি। তাদের যে পোশাক দেয়া হয়েছে তাও নিম্নমানের। মহিলা সদস্যরা জানান, তাদের যেসব টাওয়েলস দেয়া হয়, তা যেমন নিম্নমানের, তা-ও সময়মত দেয়া হয় না। ফাতেমার টাওয়েলস ছিড়ে যাওয়ার পর সেটার পরিবর্তন করে দেয়া হয়নি। এজন্য সে রবিবার কান্নাকাটি করে পরদিন সাইকেল চালাবে না পর্যন্ত বলেছিল। তারপরও দেশের দিকে তাকিয়ে আমরা রেসে অংশ নিয়েছি।
বাংলাদেশ দলের সদস্যরা আক্ষেপ করে বলেন, এতদিন দেশের হয়ে খেলছি। রৌপ্য, ব্রোঞ্জ পদক তো পেয়েছিই। সোনা না হয় পাইনি। কিন্তু তার সামান্যতম মূল্যায়ন কোনদিন করা হয়নি। এমনকি হাজার তিনেক টাকা দামের একটা ব্লেজারও আমাদের দেয়া হয় না। এবারেও আমাদের জন্য বানানো হয়েছে শুনেছি। আমরা না পেলেও কর্মকর্তারা তা ঠিকই পেয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে পুরুষ সদস্যরা কোন প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। কিন্তু তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা সুখকর মনে হয়নি।
এদিকে গত সোমবার বাংলাদেশের মারমা ফাতেমা চিংবাইকে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে রেসে এগিয়ে দেয়ার ঘটনা সম্পর্কে সাইক্লিং ফেডারেশনের সেক্রেটারি পারভেজ হাসান বলেন, আমি শুনেছি অলিম্পিক এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তবে এ টিমের সদস্যদের নাম আমার জানা নেই। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবং দলের ম্যানেজার জোবেরা রহমান লিনু ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।
সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক