JUST VIEWED
Last viewed:
- গদি ও নাই বাঁশ ও নাই।
- Akbor Ali Khan
- News Links
- এন্ডিস পর্বতমালার বাকে বাকে - ৩য় পর্ব
- Join Ami Bangladeshi
- History of American Sign Language
- 'বেদের মেয়ে জোৎস্না আমায় কথা দিয়েছে..."
- সাকা চৌধুরী গ্রেফতার, চাঁদের অন্য পীঠ
- একজন দেশপশারিনী এবং সমসাময়িক দুবাই সংকট...
- সার, বিদ্যুৎ আর চালের সমীকরণ। বুঝি কম!
- ওয়াচডগের রাজনৈতিক গল্প, "আন্দাজের গোলা গোলান্দাজ" - ২য় পর্ব
- উচ্ছেদ, দেশিয় রাজনীতির নতুন মাত্রা
- ইউরোপের পথে প্রান্তে - ১ম পর্ব
- এক মাঘে শীত যায়না জনাবা...শীত যায়না!
- সীমান্তের প্রান্তসীমায়
Latest Blogs
- মফিজের ১৩ হাজার ও একজন বিভাস চন্দ্রের মৃত্যু...টাকার বস্তা পাহাড় বাইয়্যা যায়!
- ম্যাথিউ, হেরাল্ড ও আমি, এবং আমাদের ঘরে ফেরা
- একজন দরবেশ বাবার কেচ্ছা
- স্বপ্নের কালো বিড়াল ও একজন প্রবাসীর দেশে ফেরা
- একজন মূখ্যমন্ত্রী ও একজন চোরের কাল্পনিক সাক্ষাৎকারঃ
- সুরঞ্জিত বাবুর বীচি ও আমার চাওয়া পাওয়া
- মোহন ও আরিফের জন্যে জিল্লুর প্রেসিডেন্ট আছেন। ভয় নেই 'আমাদের'।
- ক্রসফায়ারই যদি একমাত্র সমাধান তাহলে কেন তাদের নয়?
- আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন জনাবা প্রধানমন্ত্রী
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও হিন্দু দেবতাদের রক্ত পিয়াস...
Recent Comments
- ইলিয়াস আলীর দাফন হয়েছে পদ্মায়! -ফজলুল বারী
2 weeks 4 days ago - ড্রাইভার আজম কোথায় ...
2 weeks 4 days ago - সেনগুপ্ত টেলিকমের নামে আইসিএক্স লাইসেন্স :
4 weeks 4 days ago - দিরাইয়ে আলিশান সেন মার্কেট উদ্বোধন : সমালোচনার ঝড়
4 weeks 4 days ago - শ্রীলংকার পত্রিকা এসব কি লিখছে!
4 weeks 6 days ago - বাণী চিরন্তনী | তারিখ: ০৯-০৪-২০১২
4 weeks 6 days ago - প্রধানমন্ত্রীর বদান্যতা বাংলাদেশের জন্য নয়
5 weeks 1 hour ago - খুলনায় আটককৃত র্যাব সদস্য
5 weeks 2 days ago - ইতিহাসই বিচার করবে এই মহিলার
5 weeks 5 days ago - আবাল প্রধানমন্ত্রী।
5 weeks 5 days ago






আব্বাজানের চিঠির জবাব ১
(নভেম্বর ১ ২০০৮)
শ্রদ্ধেয় আব্বাজানপ্রিতিবরেষু---
দ্বীতীয়বার আপনার পত্রখানি পাইয়া স্থির থাকিতে পারিলাম না।আপনি যে পুতুলকেলি সেলে থাকিয়া ও আমাদের কথা স্মরন করিতেছেন সেই কথা মনে করিয়া বড়ই চমৎকার হইলাম।তবে বিষয়বস্তু ঠিক রাখিয়া চিঠিখানির কলেবর কিছুটা বাড়াইতে পারিতেন এবং কিছু শংশোধনী আনিতে পারিতেন।যাই হউক আপনার কথার জবাব দেওয়ার আগে আমি প্রাসংগিক ক্রমে বলিয়া নিতে চাহিতেছি যে আমি এখন আর চম্পাকলি সেলে বাস করিতেছি না।ইহা অনেকটা অতীত হইয়া গিয়াছে।হাবিয়ার গরমে আপনার কাছে এই খবর মনে হয় এখন ও পৌছায় নাই।আমার মেরুদন্ডের হাড় ভাংগার কথা আপনি শুনিয়া চিন্তিত হইয়াছেন ভাল কথা কিন্তু আমি এই ব্যাপারে আপনাকে কিছুটা বেকুব না ভাবিয়া পারিলাম না, কেননা আপনার এই ব্যাপারে কোন নলেজ আছে বলিয়া মনে করিতেছি না।আসলে আপনি তো সারাজীবন ডান্ডা ঘোরাইয়া গিয়াছেন,চিকন বুদ্ধির কখন ও ধার ধারেন নাই।
আপনি জানেন যে এই পারে আমার বহু চামচা আছে,এইগুলিকে আমি লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়া পালিয়াছি।আমি যখন চম্পাকলিতে ছিলাম এইসব চামচাড়াই আমাকে বাতলাইয়া দিয়াছে কি করিলে আমি বাংলার সাধারন জনগনের সহানুভুতি পাইব।চামচাদের তালিকায় ডাঃ দোলন নামের একজন ছিল যে নাকি আমার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সর্বক্ষন উদবিগ্ন থাকিয়া,প্রেস রিলিজ করিয়া সরকার মহোদয়কে সর্বদা তটস্থ রাখিয়াছে।এই বলিয়া ভয় দেখাইয়াছে যে আমাকে যদি অবিলম্বে ভাল চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানো না হয় তাহা হইলে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারিবেন না।একদিন আমি এইটার রিহার্সাল ও দিলাম।বাথরুমে পড়িয়া কল্লা ফাটাইবার ভান করিলাম,মুর্তের মধ্যে মোবাইলে খবর পাঠাইয়া দিলাম।এর পরের খবর আপনি জানেন কি না জানিনা।একজন খতম হইল,কয়েকখান বাসে আগুন লাগিয়া গেল,মানুষ ছোটাছোটি শুরু করিয়া দিল।আর আমি দেখিলাম রিহার্সালে কাজ হইয়াছে।আমার যারা নুন নিমুক খাইয়াছিল তাহারা কেহই আমার সাথে বেঈমানী করে নাই।আসলে তো আমার মাথা ও ঘোরে নাই বা কল্লা ফাটে ও নাই।এটা আমার নিমুকখোর ডাঃ দোলনেরই ইশারা ছিল।আল্লাহ পাক তার মংগল করিবেন যদি আমি আবার লাইনে আসিতে পারি।
এইবার আসি আমার মেরুদন্ডের হাড়ের কথা নিয়া।আপনি এই ব্যাপারে চিন্তিত জানিয়া সুখী হইলাম কেন না মাঝখানে শুনিয়াছিলাম আমি যে আপনার পুত্র ইহা নিয়া ও গোলমাল আছে।আমি মনে করি ব্যাপার যাই থাকুক সবাই জানে আমরা বাপ ব্যাটা।এই ব্যাপারটা নিয়া আর ঘাটাঘাটি করিয়া লাভ কি?আসল কথা হইল আমার মেরুদন্ডের হাড় ভাংগে নাই।আমি এমন ভান করিলাম যে কেহই বুঝিতে পারিল না আসলে আমার কি হইয়াছে।এই ব্যাপারে আমার আইনজীবি আর দোলন সমস্ত প্লান আমাকে দিয়াছিল।আমি সেই ভাবে কাজ করিয়া বড়ই সফল হইয়াছি।এখন আমি চিকিৎসার নাম করিয়া সিংগাপুরে সুখে শান্তিতে দি্ন কাটাইতেছি।ভাবিতেছি এই কয়মাসে আমার জীবনে যা ঘটিয়াছে তাহা পুংখানো পুংখভাবে আপনাকে জানাইব।
এই পত্রের পরবর্তি অংশ নিয়া খুবই তাড়াতাড়ি হাজির হইতেছি।আপনার বৌমা আবার বেশি রাত পর্যন্ত্য আমাকে সজাগ থাকিতে দিতেছে না।শত হইলে ও অনেকদিন পরে কাছে পাইয়াছে তো--পিয়ার করিয়া শেষ করিতে পারিতেছে না।আপনি আবার এই কথা ডোন্ট মাইন্ড করিবেন।আমার জন্য দোয়া করিবেন,আমি মাশাল্লাহ অনেক খেলা শিখিয়াছি।দুনিয়ার এই খেলায় আমাকে হারাইবার মত লোক কমই আছে।চিন্তা করিয়া পুতলকেলির সুখ নষ্ট করিবেন না।
এই পথের যে আংকেলরা আপনার সাথে রহিয়াছেন তিনাদের নিকট আমার শতলক্ষ কদবম বুছি পৌছাইবেন।পরবর্তী অংশে আম্মাহুজুর সম্বন্ধে কিছু লিখিয়া আপনাকে জানাইবার খায়েশ পোষন করিতেছি।আপনার পুতুল কেলির সুখ দীর্ঘস্থায়ী হউক।ভাল থাকিবেন।
ইতি আপনারই অতি আদরের বড় মিয়া।
তারেক