Reply to comment
Zia family and their honeymoon in jail
বেগম জিয়া শুধু তাঁর দুই ছেলের মুক্তি চাওয়ায় বিএনপিতে ক্ষোভ
June 18, 2008 - 11:16am BDT
প্রথমআলো:
কিছুদিন ধরে আদালতে হাজির হলেই বেগম খালেদা জিয়া তাঁর দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর মুক্তি দাবি করছেন। অবিলম্বে তাঁদের বিদেশে পাঠানোর দাবি করছেন। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে দলের অনেকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। অসন্তুষ্ট নেতারা ব্যক্তিগত আলোচনায় বলছেন, ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পরিবারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন। আর এখন দলের দুঃসময়েও সবার আগে ভাবছেন পরিবারের কথা। তবে কি পরিবারতন্ত্রই বিএনপির শেষ কথা? এমন প্রশ্নও তুলেছেন কেউ কেউ। বেগম জিয়ার বক্তব্য খালেদাপন্থীদের মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি করছে। দলের ত্যাগী নেতারা খালেদা জিয়ার বক্তব্যে হতাশা বোধ করছেন। কেউ কেউ তো ক্ষোভ নিজের মধ্যে রাখতে না পেরে প্রকাশ্যেই বলা শুরু করেছেন।
গত সোমবার বিশেষ জজ আদালতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী বেগম জিয়ার আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, আমরা কি তাঁর ছেলের জন্য রাজনীতি করছি? তাঁর ছেলের মুক্তি চাইব কেন?’ সাকা চৌধুরীর এসব উক্তিই এখন বিএনপির অনেক নেতার মনের কথা। বেগম জিয়া তাঁর গ্রেপ্তারের আগে তারেক রহমানের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। বলেছেন, ‘তারেক কোনো দুর্নীতি করেনি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জিয়া পরিবারকে হেয় করা হচ্ছে।’ বেগম জিয়া যখন এ কথা বলেছিলেন, তখনো বিএনপির অনেক সাবেক মন্ত্রী-সাংসদ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের জন্য তিনি কোনো দাবি করেননি। আবার এখন যখন তারেক-কোকোর মুক্তির জন্য বেগম জিয়া কথা বলছেন, তখন উপেক্ষিতই থাকছেন দলের নেতারা। আর এসব নেতা এবং দলে তাঁদের ঘনিষ্ঠজনদের ক্ষোভ এখানেই। এই নেতারা বলেন, ক্ষমতায় থাকতে তাঁরা যেসব অপকর্ম করেছেন, তার অনেক কিছুই বেগম জিয়া আর তারেক রহমানকে খুশি করার জন্য। কিন্তু তাঁদের যখন বিপদ, তখন চুপ থেকে আগের মতো পরিবারকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন বেগম জিয়া। ক্ষুব্ধ নেতারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বেগম জিয়া ধীরে ধীরে দলে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তারেক রহমান ২০০২ সালে একলাফে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হয়েছেন। ভাই সাঈদ এস্কান্দারকে দলের বিশেষ সম্পাদক করেছেন। এর আগে তাঁকে উপনির্বাচনের মাধ্যমে সাংসদ হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। বড় বোন প্রয়াত খুরশিদ জাহান হককে মন্ত্রী করেছিলেন, দলের সহসভাপতির পদ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। নিজের ব্যক্তিগত সচিব পদে বসিয়েছিলেন ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউককে। আরেক ভাগ্নে শাহরিন ইসলাম তুহিনকে দেওয়া হয়েছিল নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতির পদ। ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর বেগম জিয়ার এপিএস করা হয়েছিল ভাগ্নে তাহসিন আখতার ডেলকে। এভাবেই দলকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সাবেক একজন সাংসদ এসব বিষয়ে বলেন, খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা হিসেবে নিশ্চয়ই তারেক ও কোকোর কথা বলতে পারেন। কিন্তু তাঁকে মনে রাখতে হবে, তিনি একটি দলের প্রধান। দলের নেতা-কর্মীদের জন্য তাঁর দায়দায়িত্ব আছে। এখন এসব এড়িয়ে যদি কেবল ছেলেদের বিষয়কেই গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে তা হবে অন্যায়। কিন্তু দুঃখজনক হলো, বরাবরের মতো এবারও বেগম জিয়া ছেলেদের বিষয়কেই প্রাধান্য দিচ্ছেন, যা দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের জন্য অসম্মানজক।
Reply
JUST VIEWED
Last viewed:
- গদি ও নাই বাঁশ ও নাই।
- Akbor Ali Khan
- News Links
- এন্ডিস পর্বতমালার বাকে বাকে - ৩য় পর্ব
- Join Ami Bangladeshi
- History of American Sign Language
- 'বেদের মেয়ে জোৎস্না আমায় কথা দিয়েছে..."
- সাকা চৌধুরী গ্রেফতার, চাঁদের অন্য পীঠ
- একজন দেশপশারিনী এবং সমসাময়িক দুবাই সংকট...
- সার, বিদ্যুৎ আর চালের সমীকরণ। বুঝি কম!
- ওয়াচডগের রাজনৈতিক গল্প, "আন্দাজের গোলা গোলান্দাজ" - ২য় পর্ব
- উচ্ছেদ, দেশিয় রাজনীতির নতুন মাত্রা
- ইউরোপের পথে প্রান্তে - ১ম পর্ব
- এক মাঘে শীত যায়না জনাবা...শীত যায়না!
- সীমান্তের প্রান্তসীমায়
Latest Blogs
- মফিজের ১৩ হাজার ও একজন বিভাস চন্দ্রের মৃত্যু...টাকার বস্তা পাহাড় বাইয়্যা যায়!
- ম্যাথিউ, হেরাল্ড ও আমি, এবং আমাদের ঘরে ফেরা
- একজন দরবেশ বাবার কেচ্ছা
- স্বপ্নের কালো বিড়াল ও একজন প্রবাসীর দেশে ফেরা
- একজন মূখ্যমন্ত্রী ও একজন চোরের কাল্পনিক সাক্ষাৎকারঃ
- সুরঞ্জিত বাবুর বীচি ও আমার চাওয়া পাওয়া
- মোহন ও আরিফের জন্যে জিল্লুর প্রেসিডেন্ট আছেন। ভয় নেই 'আমাদের'।
- ক্রসফায়ারই যদি একমাত্র সমাধান তাহলে কেন তাদের নয়?
- আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন জনাবা প্রধানমন্ত্রী
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও হিন্দু দেবতাদের রক্ত পিয়াস...






Recent Comments
2 weeks 4 days ago
2 weeks 4 days ago
4 weeks 4 days ago
4 weeks 4 days ago
4 weeks 6 days ago
4 weeks 6 days ago
5 weeks 1 hour ago
5 weeks 2 days ago
5 weeks 5 days ago
5 weeks 5 days ago