JUST VIEWED
Last viewed:
- Join Ami Bangladeshi
- History of American Sign Language
- 'বেদের মেয়ে জোৎস্না আমায় কথা দিয়েছে..."
- সাকা চৌধুরী গ্রেফতার, চাঁদের অন্য পীঠ
- একজন দেশপশারিনী এবং সমসাময়িক দুবাই সংকট...
- সার, বিদ্যুৎ আর চালের সমীকরণ। বুঝি কম!
- ওয়াচডগের রাজনৈতিক গল্প, "আন্দাজের গোলা গোলান্দাজ" - ২য় পর্ব
- উচ্ছেদ, দেশিয় রাজনীতির নতুন মাত্রা
- ইউরোপের পথে প্রান্তে - ১ম পর্ব
- এক মাঘে শীত যায়না জনাবা...শীত যায়না!
- সীমান্তের প্রান্তসীমায়
- 'মহামান্য' আদালতের কেনিয়ান ম্যারাথন...
- একটি রাস্তার ইতিকথা
- মিথ্যা কি আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা?
- রাজনীতির ইফতার বনাম ইফতার রাজনীতি।
Latest Blogs
- মফিজের ১৩ হাজার ও একজন বিভাস চন্দ্রের মৃত্যু...টাকার বস্তা পাহাড় বাইয়্যা যায়!
- ম্যাথিউ, হেরাল্ড ও আমি, এবং আমাদের ঘরে ফেরা
- একজন দরবেশ বাবার কেচ্ছা
- স্বপ্নের কালো বিড়াল ও একজন প্রবাসীর দেশে ফেরা
- একজন মূখ্যমন্ত্রী ও একজন চোরের কাল্পনিক সাক্ষাৎকারঃ
- সুরঞ্জিত বাবুর বীচি ও আমার চাওয়া পাওয়া
- মোহন ও আরিফের জন্যে জিল্লুর প্রেসিডেন্ট আছেন। ভয় নেই 'আমাদের'।
- ক্রসফায়ারই যদি একমাত্র সমাধান তাহলে কেন তাদের নয়?
- আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন জনাবা প্রধানমন্ত্রী
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও হিন্দু দেবতাদের রক্ত পিয়াস...
Recent Comments
- ইলিয়াস আলীর দাফন হয়েছে পদ্মায়! -ফজলুল বারী
2 weeks 4 days ago - ড্রাইভার আজম কোথায় ...
2 weeks 4 days ago - সেনগুপ্ত টেলিকমের নামে আইসিএক্স লাইসেন্স :
4 weeks 4 days ago - দিরাইয়ে আলিশান সেন মার্কেট উদ্বোধন : সমালোচনার ঝড়
4 weeks 4 days ago - শ্রীলংকার পত্রিকা এসব কি লিখছে!
4 weeks 6 days ago - বাণী চিরন্তনী | তারিখ: ০৯-০৪-২০১২
4 weeks 6 days ago - প্রধানমন্ত্রীর বদান্যতা বাংলাদেশের জন্য নয়
5 weeks 1 hour ago - খুলনায় আটককৃত র্যাব সদস্য
5 weeks 2 days ago - ইতিহাসই বিচার করবে এই মহিলার
5 weeks 5 days ago - আবাল প্রধানমন্ত্রী।
5 weeks 5 days ago






ঘুষ না পেয়ে মুক্তি দেননি বিচারক
Mon, Jan 9th, 2012 12:45 am BdST
প্রকাশ বিশ্বাস
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ঢাকা, জানুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- জামিনের আদেশ দেওয়ার পর ঘুষ দাবি করে তা না পাওয়ায় আসামিকে মুক্তি দেননি বলে ঢাকার এক আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঢাকার তিন নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজানুর রহমানের বিরুদ্ধে রোববার সুপ্রিম কোর্টের নিবন্ধককে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন আইনজীবী মো. মাজেদুর রহমান।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ঘুষ না দেওয়ায় জামিনের আদেশ দেওয়ার ১১ দিন পর আসামিকে মুক্তি দেন ওই বিচারক।”
সুপ্রিম কোর্টের নিবন্ধক একেএম শামসুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তিনি অভিযোগটি পেয়েছেন।
“এটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়” উল্লেখ করে নিবন্ধক বলেন, “খুব শিগগিরই এ অভিযোগের তদন্ত শুরু করব।”
বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় এ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলী সাজ্জাদুর রহমান শিহাব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলা হওয়ার দীর্ঘদিন পরে বিদেশ থেকে এসে এ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান আসামি। তাই জামিননামায় যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল তা দীর্ঘদিন আসামি পলাতক থাকার কারণেই দেওয়া হয়েছিল।”
“বিচারক কোনো অনিয়ম করেননি। ঈদের ছুটি ছিল বলে আসামির মুক্তি পেতে দেরি হয়েছে,” বলেন তিনি।
আসামির আইনজীবীর অভিযোগ
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, “গত ২৫ অগাস্ট রোজার সময় এই আইনজীবী ওই আদালতে আসামি এনএস গোলাম রেজাউন নবী টিপুর জামিন চান। সাবেক স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর জামিন চাওয়া হয়। শুনানি শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন দেন বিচারক।”
কিন্তু আদেশের পর জামিননামা দাখিল করলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) তাতে সীল-স্বাক্ষর করে সেটি গ্রহণ করলেও পরে বিচারকের স্বাক্ষর ছাড়া তা ফেরত দেন উল্লেখ করে অভিযোগে বলা হয়, “তারপর এক সময় বিচারকের একজন ঘনিষ্ঠ লোক এসে এই আইনজীবীকে বলেন, বিচারক জামিনপ্রাপ্ত আসামিকে দেখা করতে বলেছেন। বিচারকের খাস কামরায় দেখা করতে গেলে বিচারক জামিন নামায় সইয়ের জন্য তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। তা না হলে জামিনে বিষয়ে আদেশে কঠোর শর্ত দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেন।”
অভিযোগে মাজেদুর বলেন, তিনি এতে সম্মত না হলে বিচারক জামিননামায় জামিনদার হিসাবে আসামির এলাকার স্থানীয় পৌর মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরের স্বাক্ষরসহ জামিননামা দাখিল করতে বলেন।
“আসামির বাড়ি ঢাকা থেকে তিনশ’ মাইল দূরে নওগাঁয় হওয়ায় ওই আইনজীবী উচ্চ আদালতের একটি সিদ্ধান্তসহ ২০ হাজার টাকা জমা দিয়ে আসামিকে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। তখন মামলার নথিতে জেলহাজতে পাঠানোর কোনো আদেশ এবং তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ফেরত সংক্রান্ত কোনো আদেশ না লিখে বেআইনিভাবে আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।”
ওই দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় পরের দুদিনও আদালত বন্ধ থাকে- উল্লেখ করে অভিযোগে বলা হয়, “পরে রোববার মেয়র ও কাউন্সিলরের স্বাক্ষর নিয়ে জামিননামা দাখিল করলে তাতে সিল-সই দিলেও বিচারক তা নিজের কাছে রেখে দেন।”
সেদিন ঈদের বন্ধের আগের শেষ কার্যদিবস হওয়ায় মক্কেলকে মুক্ত করতে কোনো উপায় না দেখে বিচারককে ৫০ হাজার টাকা দিতে চান বলে অভিযোগে দাবি করেন আসামির আইনজীবী মাজেদুর।
তিনি বলেন, “কিন্তু বিচারক পুরো এক লাখ টাকা না দিলে মুক্তি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন। পরবর্তীতে জামিন আদেশের ১১ দিনের মাথায় মুক্তির আদেশ পান।”
এর আগে এ মামলায় আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এ সময় বাদীর না-রাজি আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন বিচারক।
এর আগে গত ১ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক এএসএম আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে জামিনে অনিয়মের তদন্ত শুরু করেন জাতীয় আইন সহায়তা কেন্দ্রের পরিচালক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিবি/এএইচ/পিডি/০০৩৭ ঘ.